ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগরে চেয়ারম্যানের নাম মুছে ফেলার হুমকি দেওয়ার অভিযোগ স্থানীয় সংসদ সদস্য ও নৌকা প্রতীকের প্রার্থী বদরুদ্দোজা মো. ফরাহদ হোসেনকে তলব করেছেন নির্বাচনী অনুসন্ধান কমিটি। তাকে সোমবার (২৫ ডিসেম্বর) বিকাল ৫টায় জেলা ও দায়রা জজ আদালতে হাজির হয়ে লিখিত ব্যাখ্যা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়।
রোববার (২৪ ডিসেম্বর) ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সিনিয়র সহকারী জজ ও নির্বাচন অনুসন্ধান কমিটির চেয়ারম্যান মোহাম্মদ রেজাউল হক স্বাক্ষরিত চিঠিতে এ আদেশ দেওয়া হয়।
নোটিশে বলা হয়, গত ২৩ ডিসেম্বর একটি জাতীয় দৈনিকের অনলাইন সংস্করণে প্রকাশিত হয় ‘চেয়ারম্যানের নাম মুছে দিতে চান এমপি’। এমপির বক্তব্য সংসদ নির্বাচনে রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীর আচরণবিধির লঙ্ঘন মর্মে কমিটির কাছে প্রতীয়মান হয়।
এমন অবস্থায় আপনার (ফরহাদ) বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য কেন নির্বাচন কমিশনকে সুপারিশ করা হবে না মর্মে সোমবার বিকাল ৫টায় জেলা ও দায়রা জজ আদালতে সশরীরে হাজির হয়ে লিখিত ব্যাখ্যা প্রদানের জন্য নির্দেশ প্রদান করা হলো।
এর আগে গত শুক্রবার বিকালে উপজেলার কুন্ডা উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে এক নির্বাচনী জনসভায় মো. ফরহাদ হোসেন কুন্ডা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নাসির উদ্দিনের নাম নাসিরনগর থেকে মুছে ফেলার হুমকি দেন।
এ ঘটনার পর থেকে ইউপি চেয়ারম্যান নাসির উদ্দিন নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন বলে জানান। তিনি বলেন, এমপি মহোদয় আমার নাম নাসিরনগর থেকে মুছে ফেলা হবে বলে প্রকাশ্যে জনসভা থেকে ঘোষণা দিয়েছেন।
উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মো. লতিফ হোসেন বলেন, চেয়ারম্যান নাসির উদ্দিন মূলত বিএনপি করতেন। তবে নিজে নির্বাচনী বৈতরণী পার হওয়ার জন্য আওয়ামী লীগে যোগ দেন। সুযোগ-সুবিধা নিয়ে এখন তিনি আবার সাবেক বিএনপি নেতার হয়েই নির্বাচনে লড়ছেন।
নাসিরনগর থানার ওসি মো. সোহাগ রানা বলেন, ফেসবুকে সংসদ সদস্যের বক্তব্য শুনেছি। এ বিষয়ে কেউ কোনো অভিযোগ করেনি।
