কিশোরগঞ্জে যাচাই-বাছাইয়ে ২১ জনের মনোনয়নপত্র বাতিল

আপডেট : ০২ ডিসেম্বর ২০১৮, ১৯:৪২

রবিবার জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই করা হয়।  জেলার ৬টি আসনে মোট ২১ জন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল এবং বাকি ৩৪ জনের মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করা হয়। ঋণখেলাপী, অর্থপ্রাপ্তির উৎস ও আয়কর প্রদানের সঠিক কাগজপত্র জমা না দেওয়া, হলফনামায় স্বাক্ষর বা টিপসহি না থাকা, বিদ্যুৎ বিল বকেয়া থাকা, শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদপত্র জমা না দেওয়া, উপজেলা চেয়ারম্যান থেকে পদত্যাগ না করে মনোনয়নপত্র জমা দেওয়া প্রভৃতি কারণে মনোনয়নপত্র অবৈধ ঘোষণা করা হয়।

যাদের মনোনয়ন বাতিল করা হয়েছে:
কিশোরগঞ্জ-১ (কিশোরগঞ্জ সদর ও হোসেনপুর) আসনে বিএনপির মো: শরীফুল ইসলাম, জাতীয় পার্টির মো: মোস্তাইন বিল্লাহ, বিএনপির খালেদ সাইফুল্লাহ সোহেল খান, বিকল্পধারা বাংলাদেশের মোহাম্মদ ইউসুফ ও জেএসডির মুহা: আব্দুর রহমান অ্যাডভোকেট। এই আসনে বৈধ প্রার্থীর সংখ্যা ৮।

কিশোরগঞ্জ-২ (কটিয়াদী ও পাকুন্দিয়া) আসনে বাতিলকৃতরা হলেন, সিপিবির নূরুল ইসলাম, স্বতন্ত্র মো: আনিসুজ্জামান খোকন, বিএনপির মোঃ আখতারুজ্জামান, জাতীয় পার্টির এরশাদ হোসাইন, জেএসডির মোঃ লুৎফুর রহমান, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মোঃ সালাউদ্দিন রুবেল ও বাংলাদেশ মুসলিম লীগের মীর আবু তৈয়ব মোঃ রেজাউল করীম। এই আসনে বৈধ প্রার্থীর সংখ্যা ৩।

কিশোরগঞ্জ-৩ (করিমগঞ্জ-তাড়াইল) আসনে বাতিলকৃতরা হলেন, সিপিবির ডা: এনামুল হক ইদ্রিস, বিএনপির সাইফুল ইসলাম সুমন, স্বতন্ত্র অধ্যক্ষ মো: আম্মান খান, স্বতন্ত্র ড: মিজানুল হক ও স্বতন্ত্র মো: মনিরুজ্জামান নয়ন। এই আসনে বৈধ প্রার্থীর সংখ্যা ৬।

কিশোরগঞ্জ-৪ (ইটনা, অষ্টগ্রাম ও মিঠামইন) আসনে বাতিলকৃতরা হলেন, বিএনপির সুরঞ্জন ঘোষ। এই আসনে বৈধ প্রার্থীর সংখ্যা ৪।

কিশোরগঞ্জ-৫ (নিকলী ও বাজিতপুর) আসনে বাতিলকৃতরা হলেন, জাসদের সেলিনা সুলতানা। এই আসনে বৈধ প্রার্থীর সংখ্যা ৯।

কিশোরগঞ্জ-৬ (ভৈরব ও কুলিয়ারচর) আসনে বাতিলকৃতরা হলেন, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মোহাম্মদ মুছা খান ও স্বতন্ত্র অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ আয়ূব হোসেন। এই আসনে বৈধ প্রার্থীর সংখ্যা ৪।

ইত্তেফাক/নূহু