স্থানীয় সরকার মন্ত্রী মো. তাজুল ইসলাম বলেছেন, আওয়ামী লীগ সরকারের কোন আমলেই কৃষককে সার সংকটে পড়তে হয়নি, সারের জন্য কৃষককে গুলি খেতে হয়নি, বর্তমান সরকারের আমলে দেশে শতভাগ বিদ্যুতায়নের ব্যবস্থা করা হয়েছে, স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করার লক্ষে গ্রামাঞ্চলে তৈরী করা হয়েছে কমিউনিটি ক্লিনিক, দেশে আজ খাদ্য ঘাটতি নাই, যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নতি হয়েছে, মানুষের মাথাপিছু আয় বেড়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৮ ডিসেম্বর) উপজেলার খিলা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ ও সহযোগী অঙ্গসংগঠন সংগঠন কর্তৃক আয়োজিত বান্দুয়াইন মাদ্রাসা মাঠে এক উঠান বৈঠকে এসব বলেন নৌকার প্রার্থী ও স্থানীয় সরকার মন্ত্রী মোঃ তাজুল ইসলাম।
তিনি আরও বলেন, একটি কুচক্রি মহল বর্তমান সরকারের উন্নয়ন কর্মকান্ডে ঈর্ষান্বিত হয়ে দেশ বিরোধী ষড়যন্ত্র ও নানা ধবংসাত্বক কর্মকান্ড চালিয়ে যাচ্ছে। নির্বাচন ঘিরে সকল ষড়যন্ত্র মোকাবেলায় নেতা-কর্মীদের সজাগ থাকার পাশাপাশি সকলকে নৌকা প্রতিকে ভোট দেয়ার আহবান জানান তিনি।
মন্ত্রী আরও বলেন, নেতৃত্ব গুনাবলীতে বঙ্গবন্ধু ছিলেন অনন্য। বঙ্গবন্ধু যদি বেঁচে থাকতেন আর তার নেতৃত্বে যদি অব্যহত থাকতো তাহলে ২০০০ সালের মধ্যে বাংলাদেশ উন্নত দেশে পরিনত হতো, আমরা সিঙ্গাপুরের কাছাকাছি যেতাম। তাইওয়ান, সিঙ্গাপুর, মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রীর চেয়ে নেতৃত্ব গুনাবলীতে বঙ্গবন্ধু কোন অংশে কম ছিলেন না। তার বলিষ্ঠ নেতৃত্বে এ দেশ স্বাধীন হয়েছে। দূর্ভাগ্য আজ বঙ্গবন্ধু নেই। তার সুযোগ্য কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আজ দেশ এগিয়ে যাচ্ছে।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী, সাধারন সম্পাদক মোঃ জাকির হোসেন, উপজেলা আওয়ামী লীগ সহ-সভাপতি তাজুল ইসলাম চৌধুরী, উপজেলা আওয়ামী লীগ যুগ্ম-সাধারন সম্পাদক আবুল কালাম আজাদ, মনোহরগঞ্জ উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান আমিরুল ইসলাম, কার্য নির্বাহী কমিটির সদস্য মোঃ কামাল হোসেন, কেন্দ্রীয় যুবলীগ সদস্য শাহাদাত হোসেন, খিলা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ সভাপতি আবুল কালাম, সাধারন সম্পাদক জহিরুল ইলাম, উপজেলা যুবলীগ আহবায়ক দেওয়ান জসিম উদ্দিন, ছাত্রলীগ সভাপতি কামরুজ্জামান শামিম, সাধারন সম্পাদক আমজাদ হোসেন বিপ্লব প্রমুখ।
গত ২২ ডিসেম্বর থেকে কুমিল্লা-৯ আসনের লাকসাম-মনোহরগঞ্জে প্রচারনায় ব্যস্ত সময় পার করছেন আওয়ামী লীগ প্রার্থী ও স্থানীয় সরকার মন্ত্রী মো. তাজুল ইসলাম। কুমিল্লা-৯ আসনে লড়ছেন আরো ৬টি দলের প্রার্থী। তাদের মধ্যে জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল-জাসদ, ইসলামিক ফ্রন্ট বাংলাদেশ, জাতীয় পার্টি, কৃষক শ্রমিক জনতা লীগ, বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্ট, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী আন্দোলন-বিএনএম রয়েছে। জাতীয় পার্টির মোঃ গোলাম মোস্তফা লাঙ্গল প্রতিকে ও ইসলামিক ফ্রন্ট বাংলাদেশ এর মোঃ আবু বকর ছিদ্দিক কে চেয়ার প্রতিকে প্রচারনায় দেখা গেলেও অন্য চার প্রার্থীকে ভোটের মাঠে খুব একটা দেখা যায়নি বলে জানিয়েছেন ভোটাররা।
