অপরিকল্পিত নগরায়ণের ফলে রাজধানী হয়ে উঠেছে বসবাসের অযোগ্য। একই সঙ্গে মানা হচ্ছে না ইমারত আইনের বিধিমালা ও বিভিন্ন সুপারিশ। এই সমস্যার সমাধানে চলছে রাজউকের অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ কার্যক্রম। যার ফলে সংস্কার হয় জরাজীর্ণ ফুটপাত, রাস্তা ও নালা-নর্দমা এবং ধীরে ধীরে প্রাণ ফিরে পাচ্ছে মহানগরী। তবে একটি সুন্দর পরিকল্পিত নগরী হিসেবে গড়ে তোলার এই লক্ষ্যকে বাধাগ্রস্ত করতে উঠেপড়ে লেগেছে কিছু কুচক্রী মহল। নানা অপপ্রচারের মাধ্যমে এই কার্যক্রম বাধাগ্রস্ত করার চেষ্টা করে তারা। যার ফলে সমস্যায় পড়েন রাজউকের দায়িত্বরত কর্মকর্তারা। আর এই দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে কুচক্রী মহলের রোষানলে পড়েছেন রাজউক জোন ৬/১-এর প্রধান ইমারত পরিদর্শক ইমরান হোসেন।
রাজউক সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ২০১৮ সালে রাজউক জোন ৬/১-এ ইমারত পরিদর্শক হিসেবে যোগ দেন ইমরান হোসেন। যোগদানের পর থেকে রাজউকের নিয়ম মেনে কাজ করছেন তিনি। এ কারণে চক্ষুশূলে পরিণত হন কিছু অসাধু চক্রের। যারা ইমারত আইনের বিধিমালা ও বিভিন্ন সুপারিশ অমান্য করে অবৈধ স্থাপনা নির্মাণে তৎপর থাকে। নিয়মবহির্ভূত ঝুঁকিপূর্ণ ভবন নির্মাণে সহযোগিতা না করায় বিভিন্ন সময় ইমরান হোসেনের বিরুদ্ধে অভিযোগ করে আসছে এই চক্রটি।
জানা গেছে, ছাড়পত্র বা নকশার জন্য আবেদন করার পর ড্যাব নিয়ম অনুযায়ী রাজধানীর খিলগাঁও, বাসাবো, মাদারটেক, যাত্রাবাড়ী, আরকে মিশন রোডের আশপাশসহ আরও বেশ কয়েকটি এলাকায় দায়িত্ব পালনে কাজ কাজ করছেন ইমরান হোসেন।
বিষয়টি নিয়ে ইমরান হোসেন বলেন, ‘বর্তমানে রাজউক ভবন নির্মাণে রাজউকের বিল্ডিং কোড অনুসারে রাজউকের নকশা পাস করে যথাযথ প্রক্রিয়ায় ভবন তৈরি বাধ্যতামূলক করেছে। নানা প্রতিকুল পরিস্থিতি সামাল দিয়ে চ্যলেঞ্জিংভাবে কাজ করছে ইমারত পরিদর্শকরা। আমার সাধ্যমতো সর্বোচ্চ সেবা দিয়ে কাজ করলেও একটি মহল ফায়দা হাসিল করতে না পেরে আমাকে নানাভাবে হয়রানির চেষ্টা করছে।’
গণমাধ্যমে বিভ্রান্তিকর তথ্য সরবরাহ করে চরিত্র হননের চেষ্টা করা হচ্ছে উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, ‘কিছু অসাধু চক্র গণমাধ্যমে আমার বিরুদ্ধে বিভ্রান্তিকর তথ্য সরবরাহ করছে এবং আমার চরিত্র হননের চেষ্টা করছে।’
