কর্মমুখী শিক্ষা ও কৃষিভিত্তিক শিল্পের মাধ্যমে কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করব: আদেল

আপডেট : ৩০ ডিসেম্বর ২০২৩, ২০:১২

দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নীলফামারী-৪ (সৈয়দপুর-কিশোরগঞ্জ) আসনের বর্তমান সংসদ সদস্য, জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় ভাইস চেয়ারম্যান ও লাঙ্গল প্রতীকের প্রার্থী আহসান আদেলুর রহমান আদেল বলেছেন, আমি স্বপ্ন দেখি সৈয়দপুর-কিশোরগঞ্জ উপজেলার প্রত্যোকটি রাস্তাঘাট পাকা হবে। পাকা রাস্তাগুলো সোলার লাইট দ্বারা আলোকিত হবে। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অভাবে কোনো শিক্ষার্থী ঝড়ে পড়বে না। কর্মমুখী শিক্ষা ও কৃষিভিত্তিক শিল্প কারখানার মাধ্যমে কর্মক্ষম যুব ও নারীদের হবে কর্মসংস্থান। সবার জন্য থাকবে মানসম্মত চিকিৎসা, শিক্ষা, যোগাযোগ ব্যবস্থা ও কর্মসংস্থান। 

শনিবার (৩০ ডিসেম্বর) কিশোরগঞ্জ বহুমুখী মডেল উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে নির্বাচনী প্রচারণায় আদেল এ কথা বলেন।

জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় ভাইস চেয়ারম্যান ও লাঙ্গল প্রতীকের প্রার্থী আদেল আরও বলেন, শিক্ষিত মাদকমুক্ত সুখী ও সমৃদ্ধ জনপদে পরিণত করতে চাই এ আসনের মানুষকে। এ সময় তিনি পুনরায় নির্বাচিত হয়ে অসমাপ্ত কাজগুলো সমাপ্ত করে জনগণের পাশে থেকে উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে সকলের দোয়া ও ভোট কামনা করেছেন। 

উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও বীর মুক্তিযোদ্ধা জাকির হোসেন বাবুলের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথির বক্তব্যে সংসদ সদস্য আহসান আদেলুর রহমান আদেল আরও বলেন, আমার রাজনীতি করার একমাত্র লক্ষ্য হল আপনাদের সেবা করা। যদি সঠিকভাবে এ দায়িত্ব পালন করতে না পারি তাহলে রাজনীতি করার কোনো সার্থকতা নেই। জনগণের সেবা, উন্নয়ন একজন রাজনৈতিক ব্যক্তির মূল লক্ষ্য। আমার মামা পল্লীবন্ধু হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ ৯ বছর রাষ্ট্রনায়ক সে লক্ষ্য নিয়েই রাজনীতি করেছিলেন। 

তিনি বলেন, আমিও আপনাদের মতো মানুষ। আমারও আপনাদের মতো ভুল-ত্রুটি হতে পারে। বিগত সময়ে এ আসনের এমপি থাকা অবস্থায় কাজ করতে গিয়ে ভুল হতেই পারে। আমার ভুল কতখানি আর এলাকার উন্নয়ন কতখানি করেছি এই দুই মিলে আপনারা সিদান্ত নেবেন। যদি আমার সময়ে সৈয়দপুর-কিশোরগঞ্জে বেশি উন্নয়ন হয়ে থাকে তাহলে অব্যশই আপনারা পুনরায় আমাকে ভোট দেবেন। যাতে পুনরায় নির্বাচিত হয়ে আবার আপনাদের সেবা করার সুযোগ পাই। 

বর্তমান এমপি আরও বলেন, গত ৫ বছরে এমপি থাকা অবস্থায় আমার নির্বাচনী এলাকা সৈয়দপুর ও কিশোরগঞ্জ মিলে নীলফামারী-৪ আসনে ব্যাপক উন্নয়ন করেছি। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল কিশোরগঞ্জ উপজেলায় প্রায় ৫ কোটি টাকা ব্যয় করে শেখ রাসেল মিনি স্টেডিয়াম নির্মাণ। স্কুল কলেজের একাডেমিক ভবন নির্মাণ। রাস্তা পাকাকরণ, বাহাগিলি ইউনিয়নের বাহাগিলি স্টিল ব্রিজের কাছে নতুন ব্রিজ নির্মাণ, সৈয়দপুর উপজেলার স্মৃতিসৌধের সংস্কার ও মেরামতকরণ, গ্রামীণ রাস্তাঘাট, মসজিদ মাদ্রাসা, স্কুল কলেজসহ শত শত কোটি টাকা ব্যয় করে অবকাঠামোগত উন্নয়ন সাধিত হয়েছে।

এ ছাড়া অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন উপজেলা জাতীয় পার্টির আহবায়ক রশিদুল ইসলাম, বাহাগিলি ইউপি চেয়ারম্যান সুজাউদ্দোলা লিপটন, আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মশিয়ার রহমান, বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল গণি ও সাবেক কমান্ডার কিশোরগঞ্জ গাড়াগ্রাম ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান মারুফ হোসেন অন্তিকসহ এলাকার সাধারণ মানুষ।

ইত্তেফাক/পিও