মঙ্গলবার, ২৫ জুন ২০২৪, ১০ আষাঢ় ১৪৩১
The Daily Ittefaq

বেলা বাড়লেও ঢাবিতে ভোটার উপস্থিতি কম

আপডেট : ০৭ জানুয়ারি ২০২৪, ১৩:০১

সকাল থেকেই সারাদেশে চলছে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) অভ্যন্তরে থাকা কেন্দ্রগুলোতে যথারীতি চলছে ভোটগ্রহণ। তবে বেলা বাড়লেও ভোটার উপস্থিতি খুব বেশি চোখে পড়েনি।

বিশ্ববিদ্যালয়ে থাকা সর্বমোট নয়টি কেন্দ্রে ভোটারদের উপস্থিতি অপেক্ষাকৃত কম।

বেলা বাড়ার সঙ্গে ধীরগতিতে বাড়ছে ভোটার উপস্থিতি।

ছবি: ইত্তেফাক

রোববার (৭ জানুয়ারি) বিশ্ববিদ্যালয়ের অভ্যন্তরে থাকা কেন্দ্রগুলো ঘুরে দেখা যায়- ইউনিভার্সিটি ল্যাবরেটরি স্কুলের তিনটি কেন্দ্রে ভোটারদের উপস্থিতি অন্য কেন্দ্রগুলোর তুলনায় বেশি। তবে সায়েন্স অ্যানেক্স ভবন, কার্জন হল, উদয়ন কলেজসহ অন্যকেন্দ্রগুলোতে ভোটার উপস্থিতি অপেক্ষাকৃত কম।

এসব কেন্দ্রের দায়িত্বে থাকা প্রিজাইডিং অফিসার ও পোলিং এজেন্টদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী ৭ হাজার ২৭২ জন ভোটারের ইউনিভার্সিটি ল্যাবরেটরি স্কুলের তিনটি কেন্দ্রে গড়ে ভোট পড়েছে ২৪০-২৬০ ভোট।

ছবি: ইত্তেফাক

অন্যদিকে, বিশ্ববিদ্যালয়ের অভ্যন্তরে চারুকলা অনুষদের স্কুল ভবন কেন্দ্রে ১ হাজার ১৩৯ ভোটারের মধ্যে ভোট পড়েছে ৪০-৫০টি, ২ হাজার ১০ জন ভোটারের চারুকলা অনুষদের জয়নুল গ্যালারি কেন্দ্রে ৪০-৪৫টি, ২ হাজার ৪২৮ জন ভোটারের আর্থ অ্যান্ড এনভায়রনমেন্টাল অনুষদ কেন্দ্রে ১৫০-১৬০টি, ২ হাজার ১২ জন ভোটারের সায়েন্স অ্যানেক্স ভবন কেন্দ্রে ৪৫-৫০টি, ২ হাজার ২০৬ জন ভোটারের উদয়ন উচ্চমাধ্যমিক স্কুল কেন্দ্রে ৪০-৫০টি এবং কার্জন হল কেন্দ্রের সর্বমোট ২ হাজার ৪৭৯ ভোটারের মধ্যে বেলা সাড়ে ১০টার আগ পর্যন্ত ভোট পড়েছে গড়ে ১২-১৫টি।

দায়িত্বরত প্রিজাইডিং অফিসাররা জানিয়েছেন, বেলা বাড়তেই ভোটারও তুলনামূলক বাড়ছে।

ছবি: ইত্তেফাক

কার্জন হল পরীক্ষা কেন্দ্রের দায়িত্বে থাকা প্রিজাইডিং অফিসার বলেন, ‘এই কেন্দ্রে মূলত বিশ্ববিদ্যালয়ের কয়েকটি হলের শিক্ষার্থীরাই ভোটার। তাদের অনেকেই সাবেক হয়ে গেছেন, অনেকেই কর্মক্ষেত্রে আছেন। সে হিসেবে ভোটার সংখ্যা কম। তবুও বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ভোটারের সংখ্যা বাড়ছে।’

বিশ্ববিদ্যালয়ের অভ্যন্তরে থাকা নয়টি কেন্দ্রে সর্বমোট ভোটারের সংখ্যা প্রায় ২৩ হাজার। এ আসনে নির্বাচন করতে প্রতীক বরাদ্দ পেয়েছেন ১০ প্রার্থী। এতে আওয়ামী লীগের হয়ে নৌকা প্রতীক পেয়ে নির্বাচন করছেন সংগঠনটির যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দীন নাছিম।

এছাড়া আম প্রতীক নিয়ে ন্যাশনাল পিপলস পার্টির মো. আবুল কালাম জুয়েল, মোমবাতি প্রতীক নিয়ে বাংলাদেশ ইসলামিক ফ্রন্টের এস এম সরওয়ার, ছড়ি প্রতীক নিয়ে সাংস্কৃতিক মুক্তিজোটের মো. রাসেল কবির, একতারা প্রতীক নিয়ে সুপ্রিম পার্টির খন্দকার এনামুল নাছির, লাঙ্গল প্রতীক নিয়ে জাতীয় পার্টির মো. জুবের আলম খান, সোনালী আঁশ প্রতীক নিয়ে তৃণমূল বিএনপির এম এম ইউসুফ, ফুলের মালা প্রতীক নিয়ে বাংলাদেশ তরিকত ফেডারেশনের মুহাম্মদ মোস্তাফিজুর রহমান ও টেলিভিশন প্রতীক নিয়ে ন্যাশনালিস্ট ঐক্যফ্রন্টের মো. সাইফুল ইসলাম প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

ইত্তেফাক/এইচএ