ঝালকাঠির নলছিটির আলোচিত জিয়াউল আহসান ওরফে ফুয়াদ কাজীকে হত্যায় জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তারের আশ্বাস দিয়েছেন ঝালকাঠি জেলা পুলিশ সুপার আফরুজুল হক টুটুল।
সোমবার (৮ জানুয়ারি) সকাল ১১টার দিকে হত্যাকাণ্ডের পর উপজেলার সিদ্ধকাঠি ইউনিয়নের চৌদ্দবুড়িয়া প্রাথমিক স্কুলের সম্মুখ মাঠ পরিদর্শনকালে এ আশ্বাস দেন তিনি। এ সময় সঙ্গে ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মো. মহিতুল ইসলাম, নলছিটি থানা ওসি মো. মুরাদ আলী।
এ সময় উপস্থিত এলাকাবাসী ও নিহতের স্বজনদের আশ্বাস দিয়ে পুলিশ সুপার বলেন, ‘পুলিশ এরই মধ্যে দোষীদের শনাক্তে তৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছে। আপনারা বিভ্রান্ত হবেন না। আমাদের ওপর ভরসা রাখুন।’
তিনি আরও বলেন, ‘এটা কোনো নির্বাচনী সহিংসতা বা রাজনৈতিক হত্যাকাণ্ড নয়। প্রাথমিকভাবে যে তথ্য আমরা পেয়েছি, তাতে ধারণা করা হচ্ছে, নিজেদের অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্বের কারণে তাকে হত্যা করা হতে পারে। তদন্তের স্বার্থে এখনই সবকিছু বলা যাচ্ছে না। তবে খুব শীঘ্রই দোষীদের গ্রেপ্তার করা হবে।’
উল্লেখ্য, গত ৭ জানুয়ারি রাত সাড়ে নয়টার দিকে সিদ্ধকাঠি ইউনিয়নের আহ্বায়ক জিয়াউল আহসান ওরফে ফুয়াদ কাজীকে দুর্বৃত্তরা ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করে। দ্বাদশ জাতীয় নির্বাচনের দিবাগত রাতে তাকে হত্যা করায় বিষয়টি নিয়ে এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক লীগের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত ছিলেন তিনি। নিহত ফুয়াদ কাজীর ১ মেয়ে ও ১ ছেলে আছে বলে জানিয়েছে তার পরিবার।
নিহতের বাবা মকবুল হোসেন কাজী বলেন, ‘স্থানীয় একটি প্রভাবশালী গ্রুপের সঙ্গে ছেলের দীর্ঘদিনের বিরোধ ছিল। ওই গ্রুপের লোকজন আমার ছেলেকে হত্যার সঙ্গে জড়িত থাকতে পারে। আজ (৮ জানুয়ারি) নলছিটি থানায় একটি হত্যা মামলা করা হয়েছে। জেলা পুলিশ সুপার মো. আফরুজুল হক টুটুলকে ছেলে হত্যার আসামিদের দ্রুত বিচারের দাবি জানাচ্ছি।’

নলছিটিতে স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতাকে কুপিয়ে হত্যা