তাইওয়ানের প্রেসিডেন্ট নির্বাচন ঘিরে এখন টান টান উত্তেজনা। স্নায়ু যুদ্ধ দেখা যাচ্ছে চীন ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যেও। এরই মধ্যে তাইওয়ানের ভোটারদের সতর্ক করেছে চীন। এই নির্বাচনে যদি তাইওয়ানের স্বাধীনতাকামী প্রার্থী জয়ী হয় তাহলে তা দ্বীপের জন্য গুরতর বিপদ বয়ে আনবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছে বেইজিং।
বৃহস্পতিবার চীনের তাইওয়ান বিষয়ক অফিসের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘আন্তরিকভাবে আশা করি তাইওয়ানের অধিকাংশ দেশবাসী ডিপিপি’র (ডেমোক্রেটিক প্রগ্রেসিভ পার্টি) তাইওয়ানের স্বাধীনতার লঙ্ঘন ও লাই চিং-তের মাধ্যমে দ্বীপে সংঘাত ঘটতে পারে এই আশঙ্কাকে মেনে নিয়ে সঠিক প্রার্থী নির্বাচন করতে পারবে। যদি তিনি ক্ষমতায় আসেন, তাহলে তিনি তাইওয়ান প্রণালীতে ‘তাইওয়ানের স্বাধীনতা’র নামে বিচ্ছিন্নতাবাদী কার্যকলাপ এবং অশান্তি সৃষ্টি করায় আরও জোর দেবেন।’
চীন ও তাইওয়ানের বৃহত্তম বিরোধী দল কুওমিনতাং (কেএমটি) এই সতর্কবার্তার প্রতিধ্বনি করেছে।
তাইওয়ানের ভোটাররা নির্বাচনে যাওয়ার কয়েকদিন আগে বিবৃতিটি দেওয়া হয়েছে। নির্বাচনটি বেইজিং ও ওয়াশিংটন ঘনিষ্ঠভাবে পর্যবেক্ষণ করছে এবং এর ফলাফলের ওপর নির্ভর করবে দ্বীপের ভবিষ্যত।
এক চীন নীতির অধীনে তাইওয়ানকে নিজস্ব ভূখণ্ড হিসেবে দাবি করে বেইজিং। প্রয়োজনে বলপ্রয়োগ করে হলেও অখন্ডতা রক্ষার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন শি জিনপিং।
শনিবারের জরিপে দেখা গেছে, ভোটাররা ক্ষমতাসীন ডিপিপির লাই, যিনি উইলিয়াম লাই নামেও পরিচিত, তার পক্ষে রয়েছেন৷ তিনি বর্তমানে দ্বীপটির ভাইস প্রেসিডেন্ট। সম্প্রতি চীনের বিরুদ্ধে নির্বাচনে হস্তক্ষেপের অভিযোগ করেছেন তিনি। আর এদিকে দ্বীপের ওপর চাপ বাড়াচ্ছে বেইজিং।
