গাজায় যুদ্ধ ছড়িয়ে পড়ার শঙ্কা বাড়ল 

আপডেট : ১৩ জানুয়ারি ২০২৪, ১৪:৫০

ফিলিস্তিনের সশস্ত্র গোষ্ঠী হামাস নিয়ন্ত্রিত গাজায় ৩ মাসের বেশি সময় ধরে যুদ্ধ চলছে। ইসরায়েলি বাহিনীর অবিরাম বোমাবর্ষণে গাজায় নিহত হয়েছে ২৩ হাজারের বেশি। আহতও ছাড়িয়েছে ৬০ হাজারের বেশি। অঞ্চলটিতে মানবিক দুর্যোগ ভয়াবহ হয়ে পড়েছে।

বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কেবল গাজা নয়, লেবাননে হামলা চালিয়ে হামাস কমান্ডারদেরও হত্যা করছে ইসরায়েল। ফলে বিশেষজ্ঞরা যুদ্ধ ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা অনেক আগে থেকেই করছেন। এরই মধ্যে ইয়েমেনে ইরান-সমর্থিত হুতি বিদ্রোহীদের লক্ষ্য করে টানা দুইদিন ধরে হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।

গত বৃহস্পতিবার ইয়েমেনে হুথিদের লক্ষ্য করে ব্যাপক হামলা চালিয়েছে যুক্তরাজ্য ও যুক্তরাষ্ট্র। এতে অন্তত পাঁচজন হুথিদের সদস্য নিহত হয়েছে। সেই সঙ্গে গতকাল শুক্রবার যুক্তরাষ্ট্রের চালানো হামলায় এখনও ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ জানা যায়নি। হামলার মধ্য দিয়ে মধ্যপ্রাচ্য জুড়ে ছড়িয়ে পড়তে পারে গাজা যুদ্ধ। এরই মধ্যে এ হামলার পর বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম আড়াই শতাংশ বেড়ে গেছে।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন বলেছেন, গত নভেম্বর থেকে লোহিত সাগরে চলাচলকারী বাণিজ্যিক জাহাজ লক্ষ্য করে ইরান-সমর্থিত হুতিদের হামলার জবাব হিসেবে এই হামলা চালানো হয়েছে।

যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী ঋষি সুনাক বলেছেন, রয়্যাল এয়ারফোর্সের যুদ্ধবিমানগুলো সামরিক স্থাপনা লক্ষ্য করে সুনির্দিষ্ট টার্গেটে হামলা চালাতে সহায়তা করেছে। তিনি আরো বলেন, এই হামলা ‘সীমিত, দরকারি ও আত্মরক্ষার জন্য’ যথাযথ মাত্রার পদক্ষেপ। প্রেসিডেন্ট বাইডেন বলেছেন, এই মিশনে নেদারল্যান্ডস, অস্ট্রেলিয়া, কানাডা ও বাহরাইন সমর্থন দান করেছে।

ইয়েমেনের রাজধানী সান’আ, হুতিদের নিয়ন্ত্রণ লোহিতসাগরের হুদায়দাহ বন্দর, ধামার ও উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে হুতিদের শক্ত ঘাঁটিতে হামলা চালানো হয়েছে। সশস্ত্র এই বিদ্রোহী গোষ্ঠী ২০১৫ সাল থেকে ইয়েমেনের বেশির ভাগ অংশের নিয়ন্ত্রণ করে থাকে। তারা বলছে, ইসরায়েলগামী জাহাজে হামলা চালিয়ে তারা মিত্র গোষ্ঠী হামাসকে সহায়তা করছে।

ইত্তেফাক/এসআর