রোববার, ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৪, ১১ ফাল্গুন ১৪৩০
দৈনিক ইত্তেফাক

১৮তম শিক্ষক নিবন্ধনের ১৮ লাখ প্রার্থীর প্রিলি মার্চের দ্বিতীয় সপ্তাহে

আপডেট : ১৯ জানুয়ারি ২০২৪, ১১:২২

১৮তম শিক্ষক নিবন্ধনের প্রিলিমিনারি পরীক্ষা আগামী মার্চে হতে পারে। তবে মার্চের কোন তারিখে পরীক্ষা নেওয়া হবে, সেটি এখনো নির্দিষ্ট করা হয়নি। মার্চে পরীক্ষা গ্রহণের জন্য এরই মধ্যে প্রস্তুতিও শুরু করেছে বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ (এনটিআরসিএ)। গত মঙ্গলবার এনটিআরসিএ’র পরিচালক (পরীক্ষা মূল্যায়ন ও প্রত্যয়ন) মো. আবদুর রহমান  বলেন, ‘১৮তম শিক্ষক নিবন্ধনের প্রিলিমিনারি পরীক্ষা মার্চে নেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। তবে কোন তারিখে হবে, তা এই মুহূর্তে বলতে পারছি না।’

মো. আবদুর রহমান বলেন, ‘এ পরীক্ষার সঙ্গে আরো অন্যান্য সংস্থা জড়িত। বিজি প্রেসের প্রশ্ন ছাপানোর বিষয় রয়েছে, যেসব জেলায় পরীক্ষা হবে, সেসব জেলায় আয়োজনের বিষয় রয়েছে। এগুলোর পরিপ্রেক্ষিতে হয়তো মার্চে হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে, কিন্তু নির্দিষ্ট তারিখ এখনো বলতে পারছি না।’

১৮তম শিক্ষক নিবন্ধনে আবেদনের রেকর্ড হয়েছে। এতে প্রায় ১৮ লাখ ৬৫ হাজার চাকরিপ্রার্থী আবেদন করেছেন। এত বিপুলসংখ্যক প্রার্থীর আবেদন করার মাধ্যমে দেশের বেকারদের একটি চিত্র ফুটে উঠেছে। এনটিআরসিএ বলছে, এ আবেদন অতীতের সব রেকর্ডকে ছাপিয়ে গেছে।

১৮তম শিক্ষক নিবন্ধনে গত বছরের ৯ নভেম্বর সকাল ৯টা থেকে প্রার্থীরা আবেদন করা শুরু করেন। আবেদন শেষ হয় ৩০ নভেম্বর। আবেদনকারী যোগ্য প্রার্থীদের প্রিলিমিনারি, লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষা নেওয়া হবে। প্রিলিমিনারি পরীক্ষার তারিখ, স্থান ও সময়সূচি পরবর্তী সময়ে জাতীয় দৈনিক ও এনটিআরসিএ’র ওয়েবসাইটে বিজ্ঞপ্তি আকারে প্রকাশ করা হবে।

‘১৮তম শিক্ষক নিবন্ধনের প্রিলিমিনারি পরীক্ষা মার্চে নেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। তবে কোন তারিখে হবে, তা এই মুহূর্তে বলতে পারছি না’
- মো. আবদুর রহমান
পরিচালক (পরীক্ষা মূল্যায়ন ও প্রত্যয়ন),
বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ (এনটিআরসিএ)

পরীক্ষা কত নম্বরের: প্রার্থীদের ১০০ নম্বরের এমসিকিউ ধরনের প্রিলিমিনারি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে হবে। পরীক্ষার পূর্ণ সময় এক ঘণ্টা। এ পরীক্ষায় মোট ১০০টি প্রশ্ন থাকবে। প্রার্থী প্রতিটি শুদ্ধ উত্তরের জন্য এক নম্বর পাবেন, তবে ভুল উত্তর দিলে প্রতিটি ভুল উত্তরের জন্য প্রাপ্ত মোট নম্বর থেকে শূন্য দশমিক ২৫ নম্বর কাটা হবে। প্রিলিমিনারি পরীক্ষার পাস নম্বর ৪০। তিনটি পর্যায়ে অর্থাত্ স্কুল পর্যায়, স্কুল পর্যায়-২ ও কলেজ পর্যায়ে পৃথক প্রশ্নপত্রে পরীক্ষার্থীদের প্রিলিমিনারি পরীক্ষা নেওয়া হবে।

প্রাথমিকে শিক্ষক নিয়োগ: দ্বিতীয় ধাপের পরীক্ষা ২ ফেব্রুয়ারি
সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক পদে দ্বিতীয় ধাপের নিয়োগ পরীক্ষা আগামী মাসের ২ ফেব্রুয়ারি (শুক্রবার) অনুষ্ঠিত হবে। এই ধাপে পরীক্ষায় অংশ নেবেন ময়মনসিংহ, খুলনা ও রাজশাহী বিভাগের ২২ জেলার চাকরিপ্রার্থীরা।

গত মঙ্গলবার প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত আন্তঃমন্ত্রণালয় সভায় এ সিদ্ধান্ত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী রুমানা আলী। সভা সঞ্চালনা করেন মন্ত্রণালয়ের সচিব ফরিদ আহাম্মদ।

সভায় জানানো হয়, দ্বিতীয় পর্বের তিন বিভাগের ২২টি জেলা শহরে সকাল ১০টা থেকে ১১টা পর্যন্ত এক ঘণ্টার লিখিত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। এতে মোট পরীক্ষার্থী ৪ লাখ ৩৯ হাজার ৪৪৩ জন, কেন্দ্রের সংখ্যা ৬০৩টি, কক্ষের সংখ্যা ৯ হাজার ৩৫৭টি।

এবারই প্রথম সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক পদে বিভাগ ধরে নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে। গুচ্ছভিত্তিক এ নিয়োগে তিন ধাপে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে। পরীক্ষাও আলাদাভাবে নেওয়া হচ্ছে। গত ৮ ডিসেম্বর তিন বিভাগের (রংপুর, বরিশাল ও সিলেট) ১৮ জেলায় একযোগে লিখিত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। লিখিত পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হয় ২০ ডিসেম্বর।

ইত্তেফাক/এইচএ