শেয়ার বাজারে আরও ২৩ কোম্পানির ফ্লোর প্রাইস উঠল

আপডেট : ২৩ জানুয়ারি ২০২৪, ০২:০০

শেয়ার বাজারে আরও ২৩টি কোম্পানির শেয়ারের ওপর থেকে ফ্লোর প্রাইস (সর্বনিম্ন সীমা) তুলে নিয়েছে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। এর ফলে বর্তমানে ১২টি কোম্পানির শেয়ারের ওপর ফ্লোর প্রাইস বহাল থাকলো।

গতকাল সোমবার এ বিষয়ে একটি নির্দেশনা জারি করেছে বিএসইসি। আজ মঙ্গলবার থেকে এ সিদ্ধান্ত কার্যকর হবে। এর আগে গত বৃহস্পতিবার ৩৫টি বাদে সব কোম্পানির ওপর থেকে ফ্লোর প্রাইস তুলে নেয় বিএসইসি। ফ্লোর প্রাইস তুলে দেওয়ার পর গত রবিবার প্রথম লেনদেনে শেয়ার বাজারে বড় দরপতন হয়। তবে গতকাল বড় দরপতনের এ ধাক্কা সামলে নিয়েছে দেশের শেয়ার বাজার। সূচকের পাশাপাশি এদিন হাজার কোটি টাকা ছাড়িয়েছে লেনদেন। ফ্লোর প্রাইস তুলে নেওয়া ২৩টি কোম্পানি হলো—বারাকা পাওয়ার, বাংলাদেশ সাবমেরিন কেব্ল, বিএসআরএম স্টিল, কনফিডেন্স সিমেন্ট, ডিবিএইচ, ডরিন পাওয়ার, এনভয় টেক্সটাইল, এইচআর টেক্সটাইল, আইডিএলসি, ইনডেক্স অ্যাগ্রো, কেডিএস এক্সেসরিজ, কাট্টলি টেক্সটাইল, মালেক স্পিনিং, ন্যাশনাল হাউজিং অ্যান্ড ফাইন্যান্স, ন্যাশনাল পলিমার, পদ্মা অয়েল, সায়হাম কটন, শাশা ডেনিমস, সোনালী পেপার, সোনার বাংলা ইনস্যুরেন্স, শাইনপুকুর সিরামিকস, সামিট পাওয়ার ও ইউনাইটেড পাওয়ার। আর ফ্লোর প্রাইস বহাল থাকা ১২ কোম্পানি হলো—আনোয়ার গ্যালভানাইজিং, বিএটিবিসি, বেক্সিমকো লিমিটেড, বিএসআরএম লিমিটেড, গ্রামীণফোন, ইসলামী ব্যাংক, খুলনা পাওয়ার, মেঘনা পেট্রোলিয়াম, ওরিয়ন ফার্মা, রেনেটা, রবি ও শাহজিবাজার পাওয়ার।

উল্লেখ্য, করোনা মহামারি ও পরবর্তী সময় রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে শেয়ার বাজারে পতন ঠেকাতে গত চার বছরে কয়েক দফায় ফ্লোর প্রাইস আরোপ করে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিএসইসি। প্রথম বার ২০২০ সালে মার্চে ফ্লোর প্রাইস আরোপ করলেও তুলে নেওয়া হয় ২০২১ সালের জুলাইয়ে। এরপর রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের নেতিবাচক প্রভাব ঠেকাতে সর্বশেষ ২০২২ সালের জুলাইয়ে আবারও ফ্লোর প্রাইস আরোপ করা হয়। দীর্ঘ প্রায় দেড় বছর পর ফ্লোর প্রাইস তুলে দেওয়া হচ্ছে।

ইত্তেফাক/এমএএম