সোমবার, ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৪, ১২ ফাল্গুন ১৪৩০
দৈনিক ইত্তেফাক

মধুর ক্যান্টিনে ছাত্রলীগের বই কর্ণার উদ্বোধন 

আপডেট : ৩০ জানুয়ারি ২০২৪, ১৭:৫১

রাজনীতির আঁতুড়ঘর খ্যাত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মধুর ক্যান্টিন ইতিহাসের পাতার এক উজ্জ্বল অধ্যায়। সকাল-বিকাল মধুর ক্যান্টিন ঘিরে থাকে শিক্ষার্থীদের আনাগোনা। থাকে ক্যাম্পাসের সক্রিয় ছাত্র সংগঠনের নেতাকর্মীদের ভীড়। এছাড়াও প্রতিদিন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মধুর ক্যান্টিন দেখতে আসে শহরের নানা প্রান্তের মানুষজন।

সম্প্রতি মধুর ক্যান্টিন সংস্কারের মাধ্যমে হয়ে উঠেছে আরো দৃষ্টিনন্দন। মধুর ক্যান্টিনে আসা শিক্ষার্থী ও শহরের নানা প্রান্ত থেকে আসা মানুষজনের কথা বিবেচনা করে মধুর ক্যান্টিনেই দৃষ্টিনন্দন এক বই কর্ণার উদ্বোধন করেছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের নেতৃবৃন্দ।

মঙ্গলবার (৩০ জানুয়ারি) সকালে বুক কর্ণারটি উদ্বোধন করা হয়। এসময় বিশ্ববিদ্যালয়ের কিছু শিক্ষার্থীরাও সেখানে উপস্থিত ছিলেন। মাহিবুবুর রহমান নামে এক শিক্ষার্থী বলেন, মধুর ক্যান্টিন একটি ঐতিহাসিক স্থান। কিছুদিন আগেই সংস্কারের মাধ্যমে এই ঐতিহাসিক স্থানটির সৌন্দর্য বহুগুণে বাড়িয়ে তুলা হয়। আজকে এখানে এই বই কর্ণারটি উদ্বোধনে মধুর ক্যান্টিনের পরিবেশ আরো সুন্দর হয়ে উঠেছে। শিক্ষার্থীরা মধুতে বসে চায়ের পাশাপাশি এতদিন পত্র পত্রিকায় মনোনিবেশ করতো এখন থেকে চায়ের চুমুকের পাশাপাশি তারা সাহিত্য নিয়ে আলোচনার সুযোগ ও পাবে। 

সার্বিক বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক তানভীর হাসান সৈকত বলেন, মধুর ক্যান্টিনে আগত দর্শনার্থীদের বিশেষত এরমধ্যে যারা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী তাদেরকে পাঠাভ্যাসে উৎসাহিত করতে আজকে মধুর ক্যান্টিনে একটি ছোট বুক কর্নারের উদ্বোধন করলাম। প্রাথমিকভাবে আমার এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের ব্যক্তিগত সংগ্রহ থেকে বই দানের মাধ্যমে এই বুক কর্নারের যাত্রা শুরু হলো। বিখ্যাত কবি ওমর খৈয়াম বলেছিলেন ‘রুটি, মদ ফুরিয়ে যাবে, প্রিয়ার কালো চোখ ঘোলাটে হয়ে আসবে, অনন্ত যৌবনা হয়ে থাকবে বই যদি সেটা তেমন বই হয়।’ বইয়ের পাতায় যে বিশাল গুপ্তধন লুকিয়ে আছে সেটা খুঁজে দেখার সুযোগ তৈরী হলো মধুর ক্যান্টিনের দর্শনার্থীদের জন্যও।

ইত্তেফাক/এআই