বৃহস্পতিবার, ২৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৪, ১৫ ফাল্গুন ১৪৩০
দৈনিক ইত্তেফাক

নৌ-পুলিশের নজরদারি: পদ্মা নদীতে বন্ধ হলো চাঁদাবাজি ও বালু উত্তোলন

আপডেট : ০৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৪, ০৭:৩০

শরীয়তপুরের মাঝিরঘাট নৌপুলিশের কঠোর নজরদারিতে বন্ধ হয়েছে রাতের আধারে পদ্মা নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন ও বিভিন্ন নৌযান থেকে চাঁদাবাজি। 

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, জাজিরা মাঝিরঘাট নৌ ফাঁড়ির নজরদারি ও চাঁদপুর নৌপুলিশ সুপারের কঠোর নির্দেশে নৌপুলিশের টহল জোরদার করায় পদ্মা নদীতে অবৈধ ড্রেজার দিয়ে বালু উত্তোলন বন্ধ রয়েছে। 

এছাড়া পদ্মানদীতে অবৈধ ড্রেজার বন্ধ হওয়ায় পদ্মা সেতুর ১৪ নং পিলার থেকে ২৪ নং পিলার পর্যন্ত বিশাল এলাকায় নতুন করে চর জেগেছে। স্থানীয় চরের বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, এভাবে আরও কিছু দিন যদি অবৈধভাবে বালু উত্তোলন বন্ধ থাকে তাহলে আরও বিশাল এলাকা জুড়ে চর পরার সম্ভাবনা রয়েছে।

মাঝির ঘাট নৌপুলিশ ফাঁড়ির এস আই মমিন বলেন, আমাদের এসপির নির্দেশে এই এলাকার চাঁদাবাজি ও বালু উত্তোলন বন্ধ করতে সক্ষম হয়েছি।

মাঝির ঘাট নৌপুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ জসিম উদ্দিন বলেন, আমি এখানে নতুন যোগদান করেছি। যোগদান দান করেই চাঁদপুর নৌপুলিশের এসপি মোহাম্মদ কামরুজ্জামান স্যারের নির্দেশনায় প্রথম দিন থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন ও চাঁদাবাজির ব্যাপারে জিরো টলারেন্স কোন ছাড় দেওয়া হবে না। ভবিষ্যতে ও আমাদের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

চাঁদপুর অঞ্চলের নৌপুলিশ সুপার মোহাম্মদ কামরুজ্জামান বলেন, নদীপথে কোন চাঁদাবাজি থাকবে না নদী থেকে বালু উত্তোলন কঠোর নজরদারি ফলে শূন্যের কোঠায় নেমে এসেছে। কেউ যদি নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করে কিংবা নৌযান থেকে চাঁদাবাজি করে তাহলে সঙ্গে সঙ্গে তার বিরুদ্ধে কঠিন ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ইত্তেফাক/এমএএম