বৃহস্পতিবার, ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৪, ৯ ফাল্গুন ১৪৩০
দৈনিক ইত্তেফাক

রোবোম্যানিয়া ১.০

আহছানউল্লাহ বিশ্ববিদ্যালয়ে তরুণদের তৈরি রোবটের আসর

আপডেট : ০৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৪, ১৬:৪৯

রোবট আবিষ্কারের ফলে মানুষের জীবনে এসেছে বৈপ্লবিক পরিবর্তন। দিন দিন বেড়েই চলছে রোবটের ব্যবহার, এবং বিশ্বব্যাপী চলছে গবেষণা। বিশ্বের সঙ্গে তাল মিলিয়ে বাংলাদেশও এগোচ্ছে রোবটিক্সে। এরই ধারাবাহিকতায় সম্প্রতি আহছানউল্লাহ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘রোবোম্যানিয়া ১.০: ইন্ট্রা অস্ট রোবোটিক্স প্রতিযোগিতা’ অনুষ্ঠিত হয়েছে। সকার বট, লাইন ফলোয়ার রোবট, বট ফাইট এবং প্রজেক্ট শোকেসিং—এই চারটি ক্যাটাগরিতে প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়।

সকার বট প্রতিযোগিতায় ‘রোবো বট ভি-৩’, লাইন ফলোয়ার রোবট (এলএফআর) প্রতিযোগিতায় বিজয়ী হয়েছে 'টার্বো’, প্রজেক্ট শোকেসিং ক্যাটাগরির বিজয়ী দল 'অরবিক্স’ এবং বট ফাইট ক্যাটাগরিতে বিজয়ী হয়েছে ‘ব্যাটেলিয়ন’ নামে একটি দল।

সকার বটের সদস্যরা জানান, ‘উপস্থিত শত শত অংশগ্রহণকারীদের মাঝে নিজের দলকে টিকিয়ে রাখাটা ছিল খুব চ্যালেঞ্জিং। সব সম্ভব হয়েছে সবার মধ্যে আগ্রহ ও একসঙ্গে কাজ করার একাগ্রতা থাকায়।‘

‘টার্বো' দলের লাইন ফলোয়ার রোবট জিতেছে তাদের ভালো কোডিং স্কিল এবং টাইম ম্যানেজম্যান্টের কারণে।

এই প্রতিযোগিতার অন্যতম আকর্ষণ ছিল প্রজেক্ট শোকেসিং। শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন আকর্ষণীয় ও উদ্ভাবনী প্রজেক্ট উপস্থাপন করেছে। বিজয়ী দলের প্রজেক্টটি ছিল 'স্মার্ট সিড সোয়িং' যা কৃষিনির্ভর বাংলাদেশের জন্য যুগোপযোগী একটি প্রকল্প বলা চলে।

অস্ট রোবটিক্স ক্লাবের প্রেসিডেন্ট হাসিব মো. আবিদ বিন ফরিদ জানান, '২০২২ সালে প্রতিষ্ঠার পর থেকে অস্ট রোবটিক্স ক্লাব সকল শিক্ষার্থীদের মাঝে রোবটিক্সে আগ্রহ ও দক্ষতা বৃদ্ধিতে কাজ করে আসছে। বিভিন্ন ওয়ার্কশপ, সেমিনারের পাশাপাশি প্রতিনিয়ত চেষ্টা করে যাচ্ছে তাদের ক্লাবের সদস্যদের মাঝে প্রযুক্তিগত জ্ঞান ছড়িয়ে দিতে।

আহসানউল্লাহ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য মোহাম্মদ মাহবুবুর রহমান বলেন, 'কয়েক দশক ধরে শিল্প উৎপাদন এবং সংস্থান ভিত্তিক অর্থনীতি এবং প্রবৃদ্ধির পর, বাংলাদেশ চতুর্থ শিল্প বিপ্লব এবং ডিজিটাল ভবিষ্যতের স্বপ্ন দেখে। একটি বিজ্ঞান এবং প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে অটোমেশন এবং রোবটিক্সে বাংলাদেশকে বৈশ্বিকভাবে উপস্থাপন করতে আমাদের ক্লাব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে বলে আশা রাখি।'

রোবোম্যানিয়া আয়োজনে সহযোগিতা করেছে পোলার আইসক্রিম, কো-স্পন্সর ছিল আল্টেরিওর ইঞ্জিনিয়ারিং, টেকনিক্যাল পার্টনার টেকটোপিয়া, ফটোগ্রাফি পার্টনার চিত্ররেখা এবং মিডিয়া পার্টনার হিসেবে ছিল দৈনিক ইত্তেফাক।
    

ইত্তেফাক/এসটিএম