বৃহস্পতিবার, ২৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৪, ১৬ ফাল্গুন ১৪৩০
দৈনিক ইত্তেফাক

খেলাকে কেন্দ্র করে ঢাবির সংবাদ বিজ্ঞপ্তি প্রত্যাখ্যান করেছে রাবি

আপডেট : ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৪, ১৫:৪৫

আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় ক্রিকেট প্রতিযোগিতা ২০২৪ এর ফাইনাল ম্যাচে ঘটে যাওয়া ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ দফতরের পক্ষ থেকে দেওয়া সংবাদ বিজ্ঞপ্তি প্রত্যাখ্যান করেছে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়।

সোমবার (১২ ফেব্রুয়ারি) রাতে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ দপ্তরের প্রশাসক অধ্যাপক ড. প্রদীপ কুমার পাণ্ডের সই করা সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে ঢাবি প্রশাসনের দেওয়া সংবাদ বিজ্ঞপ্তি অপ্রত্যাশিত ও দুঃখজনক উল্লেখ করে নিন্দা ও প্রতিবাদ জানানো হয়।
 
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, একটি অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার কিছুক্ষণের মধ্যেই নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে যে ভাষায় ঢাবি সংবাদ বিজ্ঞপ্তি প্রচার করেছে তা অপ্রত্যাশিত ও দুঃখজনক। এর আগেও দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় খেলাকে কেন্দ্র করে এমন অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটেছে এবং সেসকল স্থানে রাবির খেলোয়াড়দের উপর নির্মম হামলা চালানো হয়েছে। ঢাবির সংবাদ বিজ্ঞপ্তিকে রাবি প্রত্যাখ্যান করছে এবং এহেন বিজ্ঞপ্তি প্রচারের নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছে।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, ফাইনাল খেলাকে ঘিরে পূর্ব থেকেই বিশেষ সতর্কতা অবলম্বন করা হয়েছিল। খেলার চূড়ান্ত পর্যায়ে আম্পায়ারের একটি বিতর্কিত সিদ্ধান্ত ও ঢাবির খেলোয়াড়দের অখেলোয়াড়সুলভ আচরণের পরিপ্রেক্ষিতে স্টেডিয়ামের দর্শক সারি থেকে বেশ কয়েকজন মাঠে প্রবেশ করলে এক অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এতে খেলাটি সাময়িক বন্ধ হয়ে যায়। পরবর্তীতে দুজন আম্পায়ার ও দুই দলের ম্যানেজারের সম্মিলিত সিদ্ধান্তে ম্যাচ রেফারি দুই দলকে যৌথ-চ্যাম্পিয়ন ঘোষণা করেন। রাবি উপাচার্য প্রফেসর গোলাম সাব্বির সাত্তার মাঠে থেকে অনাকাঙ্ক্ষিত সমস্যাটি নিরসনের চেষ্টাও চালান। এই অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনায় রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন আন্তরিকভাবে দুঃখ প্রকাশ করছে।

এদিকে, আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় ক্রিকেট প্রতিযোগিতার ফাইনাল খেলায় ঘটে যাওয়া অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার তদন্তে উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) প্রফেসর মো. হুমায়ুন কবিরের নেতৃত্বে তিন সদস্যের কমিটি গঠন করেছে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। কমিটির অন্য সদস্য হলেন শহীদ জিয়াউর রহমান হলের প্রাধ্যক্ষ ড. সুজন সেন ও সদস্য সচিব হলেন শরীরচর্চা শিক্ষা বিভাগের পরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) মোহাম্মদ আলী।

ইত্তেফাক/এআই