সোমবার, ২২ এপ্রিল ২০২৪, ৮ বৈশাখ ১৪৩১
The Daily Ittefaq

শর্তসাপেক্ষে ৫০ কোটি টাকায় জাতীয় দলের স্পন্সর রবি

আপডেট : ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৪, ১৬:০৭

বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের স্পন্সর হলো টেলিকম সেবা প্রদানকারী কোম্পানি রবি আজিয়াটা লিমিটেড। এই নিয়ে দ্বিতীয়বারের মতো জাতীয় ক্রিকেট দলের স্পন্সর হলো প্রতিষ্ঠানটি। শুক্রবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) এক সংবাদ সম্মেলনে আগামী চার বছরের জন্য জাতীয় ক্রিকেট দলের স্পন্সর হিসেবে রবির নাম ঘোষণা করে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। 

সাড়ে তিন বছরের জন্য জাতীয় দলের স্পন্সর হয়েছে রবি। চুক্তির মেয়াদ চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি থেকে আগামী ২০২৭ সালের জুলাই পর্যন্ত। চুক্তি অনুসারে, বিসিবিকে রবি প্রদান করবে ৫০ কোটি টাকা।

তবে এবার শর্তসাপেক্ষে জাতীয় ক্রিকেট দলের স্পন্সর হয়েছে রবি। শর্ত অনুযায়ী চলতি বছরে জাতীয় দলের অধিনায়ক ও সহ-অধিনায়ক এবং কেন্দ্রীয় চুক্তিতে থাকা কোন ক্রিকেটার অন্য কোনো টেলিকমিউনিকেশন প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে চুক্তি করতে পারবেন না। অর্থাৎ, অন্য টেলিকমিউনিকেশন প্রতিষ্ঠানের কোনোরকম প্রচারণা করতে পারবেন না ক্রিকেটাররা। 

চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে বিসিবি ও রবির সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ও প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। আনুষ্ঠানিকতা শেষে বোর্ডের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা নিজাম উদ্দিন চৌধুরী সুজন এক সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে স্পন্সর হিসেবে রবির নাম ঘোষণা করেন। 

রবির এমডি ও সিইও রাজীব শেঠি বলেন, 'এ দেশের ক্রিকেটের অনেক "প্রথম" সাফল্যের সঙ্গে রবির নামটি যুক্ত। আমরা দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি, রবির "পারবে তুমিও" চেতনায় উদ্দীপ্ত হয়ে টাইগাররা আগামীতেও বিশ্বমঞ্চে আরও বড় বড় সাফল্য বাংলাদেশের জন্য নিয়ে আসবে। বাংলাদেশ ক্রিকেটের সঙ্গে আবারও নিবিড়ভাবে যুক্ত হওয়ার সুযোগ পেয়ে রবি গর্বিত। সব বাধা পেরিয়ে সামনে এগোনোর এ রোমাঞ্চকর যাত্রায় রবিকে সব সময় পাশে পাবে বাংলাদেশ ক্রিকেট।'

বিসিবির সিইও সুজন বলেন, 'জাতীয় দলের স্পন্সর হিসেবে রবির মতো প্রতিষ্ঠানকে পাশে পেয়ে বিসিবি আনন্দিত। এ পার্টনারশিপের মাধ্যমে সামনের দিনে বাংলাদেশের ক্রিকেট নতুন উচ্চতায় পৌঁছে যাবে বলে আমরা প্রত্যাশা করি।'   

এর আগে ২০১৫ সালে প্রথমবার বাংলাদেশ দলের স্পন্সর হয়েছিল রবি। এরপর ২০১৭ সালে আরও তিন বছর মেয়াদ বাড়িয়ে ২০১৯ সাল পর্যন্ত স্পন্সর হয়েছিল প্রতিষ্ঠানটি। কিন্তু মেয়াদ পূর্ণ করার আগেই সরে পড়ে তারা। সেটার কারণ হিসেবে উল্লেখ করেছিল জাতীয় দলের একাধিক ক্রিকেটার অন্য টেলিকমিউনিকেশন কোম্পানির সঙ্গে ব্যক্তিগত চুক্তি। 

ইত্তেফাক/জেডএইচ