বৃহস্পতিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৪, ৫ বৈশাখ ১৪৩১
The Daily Ittefaq

সিলেটের বিপক্ষে হারটি ‘রিয়েলিটি চেক’ হিসেবে দেখছেন লিটন

আপডেট : ২০ ফেব্রুয়ারি ২০২৪, ১৫:৩১

চলমান বিপিএলে হার দিয়ে আসর শুরু করেছিল গেল দুই আসরের চ্যাম্পিয়ন কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স। এরপর শুরুর চার ম্যাচে দুই হার এবং দুই জয়ে খানিকটা নড়বড়ে অবস্থানে ছিল। তবে পরবর্তী টানা পাঁচ ম্যাচে জয় তুলে নিয়ে দারুণভাবে ফিরে আসে। পাশাপাশি দ্বিতীয় দল হিসেবে নিশ্চিত করে ফেলে পরবর্তী পর্বে নিজেদের স্থানও। কিন্তু টানা জয়ের মধ্যে তাদের হারের স্বাদ দিল আগেই আসর থেকে ছিটকে যাওয়া সিলেট স্ট্রাইকার্স। দলটি কুমিল্লাকে হারায় ১২ রানে। তবে লিটনের মতে, এই হার দরকার ছিল। তিনি মনে করেন, এটি দিয়ে তাদের রিয়েলিটি চেক হয়েছে।

গতকাল চট্টগ্রামের জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে দিনের প্রথম খেলা শেষে গণমাধ্যমের মুখোমুখি হন লিটন দাস। সেখানেই হারের পর এমনটি জানিয়ে বলেন, ‘অধিনায়ক হিসেবে আমি মনে করি ভালোই হয়েছে। আপনি প্রতিদিন আসবেন ক্রিকেটে... জয় নিয়ে যাবেন, তখন আপনার বডি এমনি রিল্যাক্স হয়ে যাবে। আমার মনে হয়, এটা রিয়েলিটি চেক দিয়েছে আমাদের। আপনার হাতে বড় খেলোয়াড় আছে, কিন্তু আপনি যদি পারফর্ম না করতে পারেন, তাহলে ম্যাচ জিততে পারবেন না। আজকেই তার প্রমাণ। তবে মনে হয়, আমরা ভালো কামব্যাক করতে পারব।’

এ সময় এই উইকেটে ১৮০ রান তাড়া করে জেতা খুব কষ্টকর উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, ‘উইকেট খানিকটা কঠিন ছিল ১৮০ রান তাড়া করার জন্য। এতটা সহজ উইকেট ছিল না যেহেতু ডাবল পেস ছিল। তার পরও আমরা ভালো ব্যাটিং করেছি। কিন্তু ১৬ থেকে ২০ ওভারের মধ্যে আর একটা-দুইটা ছয় আমরা মারতে পারতাম... মানে, যে ধরনের খেলোয়াড় আমাদের হাতে রয়েছে, তারা সামর্থ্যবান মারার জন্য। তবে তা হয়নি—এটাই ক্রিকেট, এটাই মানতে হবে। আপনি প্রতিদিন আসবেন আর জিতবেন হাসিমুখে, এটা হবে না। একদিন না একদিন আপনাকে হারতে হবে। আজকে আমাদের ঐ দিন ছিল। আমাদের এখনো সুযোগ আছে ক্যামব্যাক করার।’ 

লিটনের চোখে তাদের এই ম্যাচে পিছিয়ে যাওয়াটা সিলেটের বিপক্ষে বোলিংয়ের সময়েই। ১১তম ওভারে শান্ত ও রাব্বীকে ফিরেয়ে দারুণ সিলেট স্ট্রাইকার্সকে চাপে ফেলেন কুমিল্লার লেগ স্পিনার রিশাদ হোসেন। তবে ঐ রিসাদই ১৩ ওভারে বোলিংয়ে এলে হাওয়েল ১২ রান নেন। পরবর্তী সময়ে আবার রিশাদ ১৭তম ওভারে এলে হাওয়েল ৩ ছক্কাসহ তার ওভারে নিয়ে নেন ২৪ রান।

মূলত ঐ ওভারেই কুমিল্লা খানিকটা পিছিয়ে যায়, এ প্রসঙ্গে লিটন বলেন, ‘১২ থেকে ১৬ ওভার আমরা খুবই বাজে স্পিন বোলিং করেছি। আমার মনে হয় দুটি নতুন ব্যাটার ছিল (সিলেটের), আমাদের ঐভাবে রান দেওয়াটা উচিত হয়নি। যেহেতু আমাদের মানসম্মত স্পিনার আছে। সে সময়ই আমরা ম্যাচ থেকে পিছিয়ে গিয়েছি। আমি আগেও বলেছি, এটা ১৮০ বা তার কাছাকাছির উইকেট না। ১৬০ বা ১৬৫ রান হলে সহজ 

ইত্তেফাক/জেডএইচ