বৃহস্পতিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৪, ৫ বৈশাখ ১৪৩১
The Daily Ittefaq

শহীদ মিনারে সম্মিলিত পেশাজীবী পরিষদের শ্রদ্ধা

‘গণতান্ত্রিক অধিকার আদায়ের সংগ্রামে প্রেরণা জোগাবে ভাষা আন্দোলন’

আপডেট : ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৪, ১৭:৫০

সম্মিলিত পেশাজীবী পরিষদের আহ্বায়ক প্রফেসর ডা. এজেডএম জাহিদ হোসেন বলেছেন, একুশের মর্মবাণী হচ্ছে- মাথা নত না করা, অধিকার ও দেশের মালিকানা নিজেদের রাখা। বাকস্বাধীনতা, গণতন্ত্র, ভোটাধিকারহরণসহ দেশের মানুষকে নানাভাবে অধিকারহীন করে একুশের স্বপ্নকে ভুলুণ্ঠিত করা হয়েছে। জাতির এই দুঃসময়ে হারানো গণতান্ত্রিক অধিকার ফিরিয়ে আনার সংগ্রামে প্রেরণা জোগাবে ভাষা আন্দোলনে একুশের শহীদদের আত্মদান।

বুধবার (২১ ফেব্রুয়ারি) কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে সম্মিলিত পেশাজীবী পরিষদের পক্ষে পুষ্পস্তবক অর্পণ শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ বলেন।

শহীদ মিনারে সম্মিলিত পেশাজীবী পরিষদের পুষ্পস্তবক অর্পণ

এ সময় উপস্থিত ছিলেন পরিষদের সদস্য সচিব ও বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের মহাসচিব কাদের গনি চৌধুরী, প্রফেসর ড. লুৎফর রহমান, ডা. রফিকুল ইসলাম বাচ্চু, ডা. মেহেদী হাসান, ইঞ্জিনিয়ার মোসলেম উদ্দিন, ইঞ্জিনিয়ার সাখাওয়াত হোসেন,ডা.একরামুল রেজা টিপু, ডা. শামসুল আলম, ডা. হুমায়ূন কবির, ডা. আল আমিন, ডা. হুমায়ুন কবির, অধ্যক্ষ সেলিম মিয়া, ইঞ্জিনিয়ার মাহমুদুল হাসান, ইঞ্জিনিয়ার নাজিম উদ্দীন, ইঞ্জিনিয়ার সুলতান হোসেন শিশির,বিপ্লবুজ্জামান বিপ্লব, হাফিজুর রহমান প্রমুখ।

শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে ডা. জাহিদ বলেন, একুশের অম্লান চেতনা জনগণের মৌলিক অধিকার হরণকারী নিষ্ঠুর স্বৈরাচারী শক্তিকে রুখতে উদ্বুদ্ধ করবে। অধিকার আদায় এবং অন্যায়-অবিচারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদী হতে ভাষাশহীদরা আমাদের প্রেরণার উৎস। প্রকৃতপক্ষে এই মহান ২১ ফেব্রুয়ারি আমাদের জাতিসত্তার বিকাশে এবং একটি স্বাধীন জাতি হিসেবে প্রতিষ্ঠার প্রথম সোপান হিসেবে কাজ করেছে।

তিনি বলেন, ২১ ফেব্রুয়ারি শুধু মাতৃভাষা প্রতিষ্ঠার দিনই নয়, আমাদের স্বাধিকার, স্বাধীনতা ও মুক্তির প্রথম সংগ্রামের দিন। মাতৃভাষার জন্য জীবন উৎসর্গ করে তারা আত্মত্যাগের যে গৌরবদীপ্ত দৃষ্টান্ত স্থাপন করে গেছেন, পরবর্তী সময়ে বিভিন্ন আন্দোলন-সংগ্রামে তা আমাদের অনুপ্রাণিত করেছে।

কাদের গনি চৌধুরী বলেন, একুশে ফেব্রুয়ারি আমাদের মানবাধিকারের চিরন্তন ধারক ও বাহক। একুশ আমাদের মুক্তির চেতনা। কিন্তু এ চেতনা আজ বাংলাদেশের সর্বত্র অনুসৃত হচ্ছে না। মানুষের মৌলিক ও গণতান্ত্রিক অধিকার কেড়ে নিয়ে বর্তমান সরকার একুশের চেতনার রঙকে বর্ণহীন ও ফিঁকে করে দিয়েছে।  জাতির মধ্যে তৈরি করছে বিভেদের পাহাড়সম দেয়াল, যা মহান একুশ ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনার সম্পূর্ণ পরিপন্থী। তাই এই সোনার বাংলার ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে সচেতন করে সুনাগরিক হিসেবে গড়ে তোলার জন্য একুশের চেতনাকে সর্বদা জাগিয়ে রাখতে হবে; কোনোভাবেই তা ম্লানন হতে দেওয়া যাবে না।

ইত্তেফাক/এসকে