মঙ্গলবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৪, ৩ বৈশাখ ১৪৩১
The Daily Ittefaq

ঢাকা স্কুল অব ইকোনমিক্সের ৫ম আন্তর্জাতিক কনফারেন্স অনুষ্ঠিত

আপডেট : ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৪, ১৫:৪৯

ঢাকা স্কুল অব ইকোনমিক্সের ৫ম আন্তর্জাতিক কনফারেন্স অনুষ্ঠিত হয়েছে। রোববার (২৫ ফেব্রুয়ারি) এই কনফারেন্সের আয়োজন করা হয়। এবারের আয়োজনের মূল প্রতিপাদ্য হচ্ছে ‘বৈশ্বিক মন্দার মধ্যেও বাংলাদেশের এগিয়ে যাওয়া এবং উদ্যোক্তা শ্রেণীর করণীয়’। 

অনুষ্ঠানটি উদ্বোধন করেন ঢাকা স্কুল আমি কলোমিক্সের পরিচালক ডক্টর জাহাঙ্গীর আলম। উপস্থাপনায় ছিলেন হুমায়রা তাবাসসুম।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন কলকাতার প্রখ্যাত প্রফেসর ডা. সুব্রত চট্টোপাধ্যায়। এতে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন চিফ এক্সিকিউটিভ অফিসার জেন. জেট শাহ সিদ্দিকী। বিশেষ অতিথি ছিলেন ওয়ান ফার্মার ম্যানেজিং ডিরেক্টর কে এস এম মোস্তাফিজুর রহমান।

অনুষ্ঠানে বক্তারা প্রফেসর ড. মাহবুব আলীর প্রস্তাবিত বছরের একটি দিন উদ্যোক্তা দিবস হিসেবে পালনের ব্যবস্থা নিতে সম্মত হন। তারা বলেন, প্রধানমন্ত্রী যেহেতু উদ্যোক্তাবান্ধব, সেহেতু ঢাকা স্কুল ও ইকোনমিক্স উদ্যোক্তা তৈরির কারখানা হিসেবে সুইপের তৃতীয় পর্যায় থেকে বিজনেস ইনকিউবেটর তৈরি করা এবং পোস্ট গ্রাজুয়েট ডিপ্লোমা ইন এন্টারপ্রাইজ ডেভেলপমেন্টে সুইপের আওতায় অর্থায়ন করা দরকার, যেহেতু এই প্রতিষ্ঠান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্তর্ভুক্ত।

ড. জাহাঙ্গীর আলম বলেন, কৃষি খাতের বিকাশ দরকার। প্রফেসর মাহবুব আলী বলেন, বৈশ্বিক মন্দার মধ্যেও বঙ্গবন্ধুর আদর্শ আমাদের টিকিয়ে রেখেছে এবং উজ্জীবিত করেছে। এই সেমিনারে মোট ৫৪টি প্রবন্ধ দেশ ও বিদেশ থেকে তিন দিনে উপস্থাপন করা হয়।

কৃষিবিদ কেএসএম মোস্তাফিজুর রহমান কৃষিখাতের বিকাশে নিরাপদ খাদ্যের দাবি জানান। অনুষ্ঠানে এলিভেটেড পিচ, বাংলা এবং ইংরেজি বিতর্ক, প্রদর্শনী, বিজনেস কেস স্টাডি অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় এবং কলেজ থেকে ২০০’র বেশি ছাত্রছাত্রী অংশ নেন। এই প্রদর্শনীতে বায়ান্নর ইতিহাস এবং বঙ্গবন্ধুর অবদান এবং একাত্তরের ঘৃণ্য গণহত্যা তুলে ধরা হয়। প্রাক্তন ছাত্র ফয়জুল আলম সিদ্দিকী বলেন, ঢাকা স্কুল ইকোনমিক্স সব সময় উদ্যোক্তা বিকাশে চেষ্টা করছে।

প্রফেসর মুহাম্মদ মাহবুব আলী বলেন, একজন ভাষা সৈনিকের সন্তান হিসেবে ভাষার মাসে অনুষ্ঠানটি করতে গিয়ে আমার প্রিয় সহকর্মীরা যে সহযোগিতা করেছেন তা অনস্বীকার্য। এই অনুষ্ঠানের বিভিন্ন পর্বে সহকারী অধ্যপিকা রেহানা পারভীন, ড. সারা তাসনীম, প্রভাষক শামীম আহমেদ এবং নাভীদ শাহরিয়ার অর্নব বিভিন্ন পর্বে বক্তব্য দেন।

প্রফেসর ড. সিল্কি ভিঙ্কেসওয়াল, বীর মুক্তিযোদ্ধা কাজী সাজ্জাদ আলী জহির (বীর প্রতীক) এবং বিশিষ্ট শিল্পপতি সৈয়দ নাসির, কানাডা প্রবাসী বিশিষ্ট হিসাব বিজ্ঞান বিশেষজ্ঞ প্রফেসর মুসতাক এম. হুসাইন, পিএইচডি বিভিন্ন সময় বক্তব্যে বাংলাদেশ সরকারের ভূয়সী প্রসংশা করে এবং উদ্যোক্তা অর্থনীতি পড়ার ব্যাপারে অনার্স, মাস্টার্স, পোস্ট গ্রাজুয়েট পড়তে উদ্বুদ্ধ করেন।

ইত্তেফাক/এআই