সোমবার, ১৭ জুন ২০২৪, ৩ আষাঢ় ১৪৩১
The Daily Ittefaq

অবৈধ স্বাস্থ্যকেন্দ্র বন্ধে জেলা প্রশাসকদের সহায়তা চাইলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী

আপডেট : ০৪ মার্চ ২০২৪, ০৯:৪১

চার দিনব্যাপী জেলা প্রশাসক সম্মেলনে জেলায় জেলায় অবৈধ হাসপাতাল, ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারগুলো বন্ধ ও বিভিন্ন ধরনের অনিয়ম রোধে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের চলমান অভিযানে জেলা প্রশাসকদের কাছ থেকে সর্বাত্মক সহায়তা চেয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী ডা. সামন্ত লাল সেন। গতকাল রবিবার বিকালে রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি অডিটোরিয়াম হলে এটি অনুষ্ঠিত হয়।

সম্মেলনে উপস্থিত জেলা প্রশাসকদের উদ্দেশে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী ডা. সামন্ত লাল সেন বলেন, ‘সারা দেশে অবৈধ স্বাস্থ্যকেন্দ্র বন্ধে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মাধ্যমে অভিযান চলছে। তবে অনেক সময় কিছু অসাধু লোক বিভিন্ন উপায়ে এসব ক্লিনিক, ডায়াগনস্টিক সেন্টার চালু রাখতে নানা অসাধু উপায়ে চেষ্টা করে যাচ্ছে। বিভাগীয় কমিশনার ও জেলা প্রশাসকদের এগুলো লক্ষ রাখতে হবে এবং সর্বাত্মক সহায়তা করতে হবে।’

করোনার সময় জেলা প্রশাসকদের প্রশংসনীয় ভূমিকা তুলে ধরে স্বাস্থ্যমন্ত্রী এ সময় বলেন, ‘যেভাবে করোনার সময় আপনারা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশনা অনুযায়ী জেলার মাঠ পর্যায়ে করোনা নির্মূলে নিরলস কাজ করেছেন তা সত্যিই প্রশংসনীয়। এখন দেশের মানুষের জন্য ভালো স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতেও আপনাদের ভূমিকা রাখতে হবে। আমরা সবাই মিলে একটি ইউনিটির মতো কাজ করলে দেশের স্বাস্থ্যসেবায় অবশ্যই ইতিবাচক পরিবর্তন আনা সম্ভব হবে।’

সম্মেলনে উপস্থিত স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ডা. রোকেয়া সুলতানা বলেন, স্বাস্থ্য খাতের দিকে সবাইকে আরো গুরুত্ব দিতে হবে। হাসপাতালে বেডের তুলনায় রোগী দ্বিগুণ বা তিন গুণ হলেও হাসপাতাল থেকে কোনো রোগীকে বের করে দেওয়া হয় না। চিকিত্সা দেওয়া হয়। আমি নিজেও চিকিত্সক হিসেবে ৩৩ বছর চাকরি করেছি। আমি জানি, আমাদের চেষ্টা থাকে কতটা। তবে এখন সময় এসেছে আমাদের অন্যান্য সমস্যাগুলোকে চিহ্নিত করে সেগুলো একযোগে সমাধান করা। আমরা সবাই একটি ফুটবল বা ক্রিকেট টিমের মতো এক হয়ে স্বাস্থ্যসেবার উন্নয়ন নিয়ে কাজ করলে স্বাস্থ্য খাতে খুব বেশি সমস্যা আর থাকবে না।

সম্মেলনে ঝিনাইদহ জেলা প্রশাসক ঝিনাইদহ জেলায় আত্মহত্যার হার বেশি জন্য সেখানকার সরকারি হাসপাতালে মনোরোগ বিশেষজ্ঞ চিকিত্সক নিয়োগের অনুরোধ জানালে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বিষয়টি জেনে ব্যবস্থা গ্রহণের আশ্বাস দেন। এছাড়া সিরাজগঞ্জ জেলা প্রশাসক স্বাস্থ্য খাতে জনবলের ঘাটতি তুলে ধরলে স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সচিব মো. জাহাঙ্গীর আলম দেড় মাসের মধ্যে জনবলের ঘাটতি অনেকটাই দূর করা হবে বলে জানান।

ইত্তেফাক/কেকে