বাংলাদেশ ফুটবল দল কন্ডিশনিং ক্যাম্প করতে সৌদি আরবে গেছে এক সপ্তাহ হয়ে গেছে। এই সময়টায় বাংলাদেশের ফুটবলাররা কতটুকু প্রস্তুতি নিয়েছে তা পরখ করতে একটা ম্যাচের আয়োজন করা হয়েছে। সুদানের বিপক্ষে প্রস্তুতি ম্যাচ খেলবে বাংলাদেশ। কবে খেলবে সেটি চূড়ান্ত হয়নি। বাফুফের সাধারণ সম্পাদক ইমরান হোসেন তুষার জানিয়েছেন, তারিখ চূড়ান্ত হয়নি। হয়ে যাবে।’
আগামী ২১ মার্চ কুয়েতে ফিলিস্তিনের বিপক্ষে ২০২৬ বিশ্বকাপের বাছাইয়ের ম্যাচ। সেটি খেলতে যাওয়ার আগে সৌদি আরবে কন্ডিশনিং ক্যাম্প। সৌদি আরবে গিয়ে দুটি প্রস্তুতি ম্যাচ খেলার কথা ছিল বাংলাদেশের। কিন্তু সেটি হচ্ছে না। সুদান জাতীয় দলের বিপক্ষে ম্যাচ হবে। দুটি হবে না, একটি ম্যাচ খেলার আলোচনা হয়েছে। বাফুফে জানিয়েছে, এটি ফিফা প্রীতি ম্যাচ হচ্ছে না। নরমাল ম্যাচ হিসেবে দেখা হবে। আর তাতে সাইড বেঞ্চের খেলোয়াড়দেরকে যাচাই করে দেখার সুযোগও বেশি পাওয়া যাবে। কোচ হ্যাভিয়ের কাবরেরা এমনটাই মনে করছেন।
ফিফা র্যাংকিংয়ে বাংলাদেশের চেয়ে সুদান অনেক ওপরে। সুদান আছে ১২৭ নম্বরে, বাংলাদেশের অবস্থান ১৮৩। ফিলিস্তিন আছে ৯৭ নম্বরে। এশিয়ার ফুটবলে ফিলিস্তিন শক্তিশালী দল। এই দলের বিপক্ষে জয়ের আশা করে না বাংলাদেশ। কীভাবে ফিলিস্তিনকে ঠেকানো যায় তা নিয়েও পরিকল্পনা করছে সৌদি আরবের তায়েফে অবস্থানকারি বাংলাদেশ ফুটবল দল। একই জায়গা আগে থেকেই ছিল সুদান। সেই সুযোগটা পেয়েছে বাংলাদেশ।
খেলোয়াড়দের মধ্যে একটা জেদ ধরানো হচ্ছে খেলার আগেই যেন খেলা শেষ না হয়। বিশ্বনাথরা এমনটাই বলছেন, ‘ম্যাচ শেষ হওয়ার আগেই শেষ হয়ে যাব না।’ ফিলিস্তিন যেভাবে আক্রমণে যায় সেগুলোর ভিডিও দেখানো হচ্ছে। বিভিন্ন সেশনে, টিম মিটিংয়ে, ব্যক্তিগতভাবেও কোচ খেলোয়াড়দের মাথায় ঢোকানোর চেষ্টা করছেন, কীভাবে ফিলিস্তিনকে ব্লক করতে হবে।
দলের সহকারী কোচ হাসান আল মামুন জানিয়েছেন, ‘এই প্লেয়াররা স্মার্ট। কোচের চাওয়াটা মানিয়ে নিতে পারছে। মাঝমাঠ কতটা ন্যারো থাকবে। টপে স্ট্রাইকাররা কী করবে, পজেশনাল ডিউটি কী হবে, ডিফেন্ডিং শেপটা কেমন হবে। এসব নিয়ে ফুটবলারদের আইডিয়া ক্লিয়ার হয়ে গেছে। কোচ হ্যাভিয়ের যেটা চাইছেন সেটা তারা বুঝতে পারছেন। ম্যাচে নেমে খেলোয়াড়রা কীভাবে দলটাকে ডিফেন্ড করতে পারবে সেটা নিয়েই সব আলোচনা পরিকল্পনা হচ্ছে।’
