৬১ কেজি সোনা জব্দ করার মামলায় সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামী লীগের নেতা রিয়াজ উদ্দিনসহ ১১ জনকে খালাস দিয়েছেন আদালত। গতকাল সোমবার (১১ মার্চ) ঢাকার ১৩তম অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ কুদরত এ এলাহী এ রায় ঘোষণা করেন।
রায়ে সোনা চোরাচালানের সঙ্গে জড়িত এস কে মোহাম্মদ আলী নামের এক আসামিকে দুই বছরের কারাদণ্ড ও ৫০ হাজার টাকার অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে। অর্থদণ্ড অনাদায়ে তাকে আরও তিন মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
খালাস পাওয়া অপর আসামিরা হলেন—সিভিল এভিয়েশনের চাকরিচ্যুত কর্মকর্তা নুরুল ইসলাম, হাজী মুজিবর রহমান, সালেহ আহমেদ, আবু আহমেদ, নবী নেওয়াজ খান, ওমর ফারুক, আলী হোসেন, উজ্জ্বল ঘোষ ও পঙ্কজ সাহা।
সংশ্লিষ্ট আদালতে রাষ্ট্রপক্ষের এপিপি শহিদ উদ্দিন বলেন, ‘কোনো মামলায় লঘুদণ্ড ও গুরুদণ্ড দেওয়ার এখতিয়ার আদালতের। মামলায় যারা খালাস পেয়েছেন, তাদের সম্পর্কে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা অভিযোগপত্রে বলেছেন, তারা দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিদের সহযোগী। কিন্তু, সহযোগিতার কোনো ডকুমেন্ট ছিল না। সাক্ষ্য দেওয়ার সময়ও সে সম্পর্কে কোনো তথ্য-উপাত্ত আসেনি। তাই হয়ত আদালত তাদের খালাস দিয়েছেন। আমরা বিস্তারিত রায় পেলে পর্যালোচনা করে দেখব যে, আপিল করা যায় কি না।’
২০১৪ সালের ২৫ ডিসেম্বর রাজধানীর পুরানা পল্টনের ২৯/১ নম্বর বাসার ছয়তলার ফ্ল্যাটে অভিযান চালায় শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর। মোহাম্মাদ আলীর ওই বাসা থেকে ৬১ কেজি ৫৩৮ গ্রাম ওজনের ৫২৮টি সোনার বার ও বিপুল পরিমাণ দেশি-বিদেশি মুদ্রা জব্দ করা হয়। এ ঘটনায় শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মোস্তাফিজুর রহমান বাদী হয়ে মামলা করেন।
