মাছ রপ্তানিতে লক্ষ্য পূরণে পিছিয়ে বাংলাদেশ

আপডেট : ১৮ মার্চ ২০২৪, ০১:৩০

২০২৩-২৪ অর্থবছরের প্রথম ৮ মাসে মাছ রপ্তানিতে লক্ষ্যমাত্রা থেকে পিছিয়ে আছে বাংলাদেশ। এছাড়া বিভিন্ন সমস্যায় সবচেয়ে চিংড়ি রপ্তানি নিয়ে চিন্তিত উদ্যোক্তারা। মাছ রপ্তানিতে বাংলাদেশের অবস্থান ২১তম। তবে উৎপাদন বাড়লেও রপ্তানি ও প্রক্রিয়াজাতকরণে পিছিয়ে বাংলাদেশ।

রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর তথ্যানুযায়ী, চলতি অর্থবছরে ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ২৭.৩৯ কোটি ডলারের হিমায়িত ও তাজা মাছ রপ্তানি করা করেছে বাংলাদেশ। তবে এ সময়ের মধ্যে লক্ষ্যমাত্রা ছিলো ৩১ দশমিক ১৬ কোটি ডলার। অর্থাৎ প্রথম আট মাসে লক্ষ্যমাত্রায় ঘাটতি ২ দশমিক ২৫ শতাংশ।

হিমায়িত ও জীবন্ত মাছের মধ্যে বেশি রপ্তানি হয়েছে চিংড়ি। যা থেকে আয় হয়েছে প্রায় সাড়ে ১৮ কোটি মার্কিন ডলার। তবে হোয়াইট গোল্ড খ্যাত এ মাছেও লক্ষ্যমাত্রার তুলনায় ১৬ শতাংশ কম রপ্তানি হয়েছে। চিংড়ি হ্যাচারি অ্যাসোসিয়েশন বলছে, নোনাপানির ঘের কমে যাওয়া, চিংড়ির উৎপাদনে ঘাটতি, সঠিক পরিবহন ব্যবস্থা না থাকায় চিংড়ি রপ্তানি কমছে দিন দিন।

জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থা-এফএও'র 'দ্য স্টেট অব ওয়ার্ল্ড ফিশারিজ অ্যান্ড অ্যাকুয়াকালচার ২০২২' বৈশ্বিক প্রতিবেদনের তথ্যানুযায়ী মিঠাপানি ও চাষের মাছ উৎপাদনে বাংলাদেশের অবস্থান তৃতীয়।

ইত্তেফাক/এমএএম