মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিঙ্কেন শুক্রবার সকালে তেল আবিবে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন। গাজায় ‘টেকসই ও তাৎক্ষণিক যুদ্ধবিরতি’ এবং রাফায় ইসরায়েলি আক্রমণ প্রতিরোধ করার কূটনৈতিক চাপের অংশ হিসেবে সাক্ষাৎ করেছেন ব্লিঙ্কেন। খবর সিএনএন।
৭ অক্টোবর ইসরায়েলে হামাসের হামলার পর থেকে ষষ্ঠবারের মতো তেল আবিবে যাত্রা বিরতি দিয়েছেন ব্লিঙ্কেন। শুক্রবার স্থানীয় সময় সকাল ১০টার আগে তিনি দেশে পৌঁছান। নেতানিয়াহুর সঙ্গে বৈঠকের পর ব্লিঙ্কেন ইসরায়েলি যুদ্ধ মন্ত্রিসভার সঙ্গেও দেখা করেন।
বর্তমানে ইসরায়েল-হামাসের মধ্যে যুদ্ধবিরতি ও বন্দী বিনিময় চুক্তি আলোচনা চলছে দোহায়। এরই মধ্যে মধ্যপ্রাচ্য সফর করেছেন ব্লিঙ্কেন। পাশাপাশি ‘অবিলম্বে যুদ্ধবিরতির’ আহ্বান জানিয়ে জাতিসংঘে একটি খসড়া প্রস্তাবও রেখেছে যুক্তরাষ্ট্র।
বাইডেন প্রশাসন ও নেতানিয়াহু সরকারের মধ্যে সম্পর্ক সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে নেতিবাচক পর্যায়ে চলে গেছে। যুদ্ধ নিয়ে ক্যাপিটল হিলে দলীয় বিভাজন বেড়েছে। গত সপ্তাহে ইসরায়েলে নির্বাচনের জন্য ডেমোক্র্যাটিক সিনেটের সংখ্যালঘু নেতা চক শুমার নেতানিয়াহুর সমালোচনা করেছেন। বৃহস্পতিবার রিপাবলিকান হাউজের স্পিকার মাইক জনসন কংগ্রেসে ভাষণ দেওয়ার জন্য নেতানিয়াহুকে আমন্ত্রণ জানানোর ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন।
ব্লিঙ্কেনের বৈঠকগুলো উত্তেজনাপূর্ণ হবে বলে ধারণা করা হয়েছিল। কারণ রাফায় ইসরায়েলি স্থল অভিযান নিয়ে নেতানিয়াহুকে সতর্ক করেছিলেন বাইডেন। কিন্তু বাইডেনের অনুরোধ প্রত্যাখ্যান করে রাফায় অভিযান চালিয়েছেন নেতানিয়াহু। রাফাতে প্রায় ১০ লাখ ফিলিস্তিনি আশ্রয় নিয়েছেন।
