পুনর্বাসনের আগে ভাষানটেক বস্তির একটি ঘরও উচ্ছেদ করা হবে না বলে জানিয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী আরাফাত। তিনি বলেন, আগে পুনর্বাসন তারপর উচ্ছেদ।
শনিবার (৬ এপ্রিল) ভাসানটেক বিআরপি প্রকল্প পরিদর্শন শেষে স্থানীয় জামিয়া ইসলামিয়া আরাবিয়া মাদ্রাসা মসজিদ সংলগ্ন পানির পাম্প উদ্বোধন ও বস্তিবাসীদের মাঝে ঈদ উপহার বিতরণকালে তিনি এ কথা বলেন।
তথ্য প্রতিমন্ত্রী বলেন, আমি নির্বাচনের সময় আপনাদের কথা দিয়েছিলাম ভাষানটেক বিআরপি প্রকল্প নিয়ে। বস্তিবাসীদের পুনর্বাসনের আওতায় আনা হবে। সেই ধারাবাহিকতায় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনার সঙ্গে ভাষানটেক বস্তিবাসীদের পুনর্বাসনের কথা বলেছি। প্রধানমন্ত্রী দ্রুত বিআরপি প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য নির্দেশ প্রদান করেছেন।
তিনি বলেন, পুনর্বাসনের আগে ভাষানটেক বস্তির একটি ঘরও উচ্ছেদ করা হবে না। আগে পুনর্বাসন তারপর উচ্ছেদ। আগামী আড়াই বছরের মধ্যে পুরো ঢাকা শহরে পানির সমস্যা সমাধানে মেঘনা নদী থেকে ব্যবহারের উপযোগী করে পানি সরবরাহ করা হবে। ঢাকা শহরের মধ্যে আর কোনো পানির পাম্প বসানো হবে না।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, আগামী ২০৪১ সালের মধ্যে বাংলাদেশ হবে একটি উন্নত ও আধুনিক স্মার্ট বাংলাদেশ। সেই লক্ষ্যে শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন আওয়ামী লীগ সরকার কাজ করে যাচ্ছে। জননেত্রী শেখ হাসিনা আজ বাংলাদেশের মানুষকে স্বপ্ন দেখাতে শিখিয়েছেন। বাংলাদেশ আজ বিশ্বের উন্নয়নের রোল মডেল।
এর আগে প্রতিমন্ত্রী প্রয়াত ভাষানটেক থানা আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার গিয়াস উদ্দিনের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে দেখা করে সমবেদনা, ভাষানটেক মাসজিদুল আমান কমপ্লেক্স জামে মসজিদ সংলগ্ন পানির পাম্পের উদ্বোধন, ভাষানটেক স্কুল এন্ড কলেজ পরিদর্শন, দেওয়ানপাড়া সংযোগ সড়কের সংস্কার কাজের উদ্বোধন, ভাষানটেক ইসলামিয়া মাদ্রাসা মসজিদ সংলগ্ন পানির পাম্পের উদ্বোধন ও প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে ১৫ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর জহির আহমেদের উদ্যোগে ঈদ উপহার বিতরণ করেন।

