বিশ্বব্যাপী ব্যবসা সম্প্রসারণের লক্ষ্যে ২০৩০ সাল পর্যন্ত একটি উচ্চাভিলাষী পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে দক্ষিণ কোরিয়ার বিখ্যাত লজিস্টিক সেবা প্রতিষ্ঠান ডংব্যাং ট্রান্সপোর্ট লজিস্টিক কোম্পানি লিমিটেড। তাদের এই পরিকল্পনায় সম্ভাবনাময় বিনিয়োগের ক্ষেত্র হিসেবে বাংলাদেশের বন্দর নগরী চট্টগ্রামকেও রাখা হয়েছে। সম্প্রতি প্রতিষ্ঠানের গ্লোবাল বিজনেস ডিভিশনের প্রধান ডেভিড হ্যাম এর নেতৃত্বে উচ্চ পর্যায়ের এক প্রতিনিধি দল চট্টগ্রাম সফর করে। গত ৪ এপ্রিল চট্টগ্রাম বন্দরের বর্তমান ও সাবেক কর্মকর্তা এবং বন্দর সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ী ও প্রতিষ্ঠানের সাথে মতবিনিময় করেন ডংব্যাং নেতৃবৃন্দ।
এ সময় চট্টগ্রামে বিনিয়োগের সুযোগ, সুবিধা ও সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনার সময় প্রতিনিধি দলের সদস্যরা বিশেষ করে কক্সবাজারের মাতারবাড়ি গভীর সমুদ্র বন্দর ও চট্টগ্রামের পতেঙ্গায় বে-টার্মিনালে বিনিয়োগের বিষয়ে আগ্রহ প্রকাশ করেন।
এ বিষয়ে ডংব্যাং ট্রান্সপোর্ট লজিস্টিক কোম্পানি লিমিটেড এর গ্লোবাল বিজনেস ডিভিশনের প্রধান ডেভিড হ্যাম বলেন, বাংলাদেশ একটি উদীয়মান অর্থনৈতিক শক্তি হিসেবে ইতোমধ্যে আত্মপ্রকাশ করেছে। অবস্থানগত সুবিধার কারণে বাংলাদেশের অর্থনীতির গেটওয়ে বা প্রবেশদ্বার হচ্ছে চট্টগ্রাম বন্দর। সঙ্গত কারণেই আমরা এই অঞ্চলে (চট্টগ্রামে) টার্মিনাল অপারেশন, অফডক নির্মাণ ও অপারেশন এবং বন্দর, সড়ক ও নৌপথে পণ্য পণ্য পরিবহণ ব্যবসার সম্ভাবনাগুলো খতিয়ে দেখতে এখানে এসেছি। আমরা স্থানীয় পর্যায়ের ব্যবসায়ী এবং সরকারি কর্মকর্তাদের সঙ্গে অনানুষ্ঠানিক বৈঠক করেছি। আমরা চট্টগ্রামে বিনিয়োগের ব্যাপারে আশাবাদী।
উল্লেখ্য, গত ৬ দশক ধরে বাল্ক, কনটেইনার ও বিশেষায়িত লজিস্টিক পরিষেবা প্রদানের মাধ্যমে ডংব্যাং ট্রান্সপোর্ট লজিস্টিক কোম্পানি লিমিটেড বিশ্বব্যাপী সুনাম অর্জন করেছে। দক্ষিণ কোরিয়া ও ভিয়েতনামে রয়েছে তাদের নিজস্ব বন্দর। লজিস্টিক পরিষেবার অগ্রগণ্য প্রতিষ্ঠান হিসেবে বাংলাদেশে তাদের বিনিয়োগের আগ্রহকে দূরদর্শী পরিকল্পনা হিসেবেই দেখছেন প্রতিষ্ঠানের নীতিনির্ধারকরা।
