সোমবার, ২৭ মে ২০২৪, ১২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১
The Daily Ittefaq

বুয়েটে পরীক্ষা বর্জন ও সেশন জট কি কোনও সমাধান ?

আপডেট : ২২ এপ্রিল ২০২৪, ০১:৩২

বিগত বেশ কিছুদিন ধরেই দেশের অন্যতম সেরা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বুয়েট) একাডেমিক কার্যক্রম নিয়ে চলছে অচলাবস্থা। ক্যাম্পাসে ছাত্ররাজনীতিকে কেন্দ্র করে ক্লাস-পরীক্ষা বর্জনের ডাক দিয়েছে শিক্ষার্থীরা। যদিও ছাত্র রাজনীতি চালু হবে কি, হবে না; বিষয়টি এখনও হাইকোর্টে বিচারাধীন। এ অবস্থাতেই ছাত্র রাজনীতি বন্ধের সিদ্ধান্ত না আসা পর্যন্ত সাধারণ শিক্ষার্থীদেরকে নিজেদের পক্ষে থাকার জন্য চাপ প্রয়োগের অভিযোগও উঠেছে একটি গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে। সব মিলিয়ে অচলাবস্থা বিরাজ করছে শিক্ষা কার্যক্রমে।

এদিকে আইনি প্রক্রিয়া চলাকালে দীর্ঘ সময় পরীক্ষাসহ একাডেমিক কার্যক্রম বন্ধ থাকলে সেশনজটমুক্ত অবস্থায় যেভাবে বুয়েট বর্তমানে পরিচালিত হয়ে আসছে, সে ক্ষেত্রে বড় প্রতিবন্ধকতার আশঙ্কা প্রকাশ করছেন সাধারণ শিক্ষার্থী ও শিক্ষকরা। সেশনজটে পড়ে ক্যারিয়ারের মূল্যবান সময় নষ্টের দুশ্চিন্তায় ভুগছেন তারা। এমনকি শিক্ষক সমিতির সর্বশেষ দুইটি সভায়ও দ্রুততম সময়ে একাডেমিক কার্যক্রমে ফেরার কথা বলা হয়েছে। কিন্তু তারপরও বুয়েটে পরীক্ষা বর্জনের কিছু সিদ্ধান্ত কোমলমতি সাধারণ শিক্ষার্থীদের বিভ্রান্ত করে তাদের ওপর চাপিয়ে দেয়া হচ্ছে।

সেশনজট নিয়ে এমন দুশ্চিন্তায় আছেন বুয়েটের অনেক শিক্ষার্থী। কিন্তু ভয়ে মুখ খুলতে চাইছেন না তারা। বিশ্ববিদ্যালয়টির সবচাইতে সিনিয়র ব্যাচের বেশিরভাগ শিক্ষার্থীই পরীক্ষায় অংশ নিতে চায়। কিন্তু জুনিয়র ব্যাচগুলোকে সিনিয়র ব্যাচের কেউ কেউ চাপ প্রয়োগ করছে পরীক্ষা ও একাডেমিক কার্যক্রম বন্ধ রাখার জন্য। যদিও এর মাধ্যমে আদালতে চলমান আইনি প্রক্রিয়া বিষয়টির কতটুকু গুরুত্ব রয়েছে তা নিয়ে কোন আলোচনা নেই।

বুয়েটে একাডেমিক অচলাবস্থা নিয়ে যারা মুখ খুলেছেন তাদের 'ছাত্রলীগ' বা 'আওয়ামী লীগ' ট্যাগ দিয়ে তাদের পরিবারকে পর্যন্ত অপমানিত করা হচ্ছে। এমন অবস্থায় যারা শান্তিপূর্ণ ভাবে একাডেমিক ক্যারিয়ার শেষ করতে চায়, তাদের বাধ্য হয়ে চুপ থাকতে হচ্ছে। ফলে যেই গোষ্ঠীটি পরীক্ষা বর্জনের কথা বলছে, শুধু মাত্র তাদের কথাই বুয়েটে ঘুরে ফিরে আসছে।
ছাত্র রাজনীতি নিয়ে গত মাসের শেষের দিকে বুয়েটে শুরু হয় ক্লাস-পরীক্ষা বর্জন।  গত ২৮ মার্চ রাতে বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সভাপতি বুয়েটে প্রবেশ করে ছাত্রলীগের কমিটি দিচ্ছে এমন গুজব ছড়িয়ে প্রতিষ্ঠানটিতে উত্তেজনা সৃষ্টি করা হয়। এ সময় ছাত্রলীগ সংশ্লিষ্ট থাকার অভিযোগে বুয়েটের এক শিক্ষার্থীকে বহিষ্কার ও তার সঙ্গে থাকা অন্যান্য শিক্ষার্থীদের খুঁজে বের করে বহিষ্কারের দাবি জানানো হয়। শেষমেশ আন্দোলনের বিষয়টি গড়ায় হাইকোর্ট পর্যন্ত। যেখানে উচ্চ আদালতের পক্ষ থেকে বলা হয়, বুয়েটে ছাত্ররাজনীতি চলতে বাধা নেই।

এমন পরিস্থিতিতে ঈদের ছুটির আগেই বুয়েট প্রশাসনের পক্ষ থেকে উপাচার্য সত্য প্রসাদ মজুমদার আদালতের রায়ের পর আইনি লড়াইয়ে যাবার ঘোষণা দেন। সেই সঙ্গে আইনজীবী নিয়োগ, আইনি লড়াইয়ের প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা নিশ্চিতে সরাসরি শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণসহ সকল বিষয়েই ইতিবাচক মন্তব্য করেন তিনি। কিন্তু যে বিষয়টি আদালতের মাধ্যমে ও আইনি প্রক্রিয়ায় সিদ্ধান্ত হবে, সেখানে বুয়েট প্রশাসন কি করে এককভাবে সিদ্ধান্ত নেবে? আর বুয়েট প্রশাসন যদি সরাসরি সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষমতা না রাখে এবং বিচার বিভাগে হস্তক্ষেপের ক্ষমতা যদি কারো না থাকে, তাহলে সে ক্ষেত্রে আইনি লড়াই চলমান অবস্থায় পরীক্ষা বর্জনের জন্য কেনো কিছু শিক্ষার্থী বারবার উস্কানি প্রদান করছে?

সম্প্রতি বুয়েটের ২১তম ব্যাচের কিছু শিক্ষার্থী তাদের ব্যাচের পক্ষ থেকে ঘোষণা দেয় পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করবেন না তারা। পরীক্ষা বর্জনের ডাক দেয়ার পাশাপাশি এই ডাকে সারা না দিলে শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন ভয়-ভীতি প্রদর্শন করা হয়।
বুয়েটে ছাত্র রাজনীতি বন্ধের নামে শিক্ষার্থীদের উস্কাচ্ছে একটি পক্ষ। বুয়েটকে কেন্দ্র করে অতীতের বিভিন্ন 'গুজব' প্রচার করা হচ্ছে 'নিজের ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা' বলে। ২০১৩ সালের ৯ এপ্রিল বুয়েটের নজরুল ইসলাম হলে আরিফ রায়হান দীপের মাথায় ও পিঠে চাপাতি দিয়ে কুপিয়ে গুরুতর আহত করা হয়। ওই বছরের ২ জুলাই চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়। আর এ ঘটনায় জড়িত ছিলেন মেজবাহ নামের উগ্রবাদী বুয়েটের এক শিক্ষার্থী। আরিফ রায়হান দীপকে নিয়েও মিথ্যা তথ্য ছড়িয়ে দেয়া হচ্ছে বুয়েট কেন্দ্রিক বিভিন্ন ফেসবুক গ্রুপ ও পেজ থেকে। শুধু তাই নয়, বুয়েটে রাজনীতি বন্ধ ও শিক্ষার্থীদের পরীক্ষা বন্ধ করতে উৎসাহ প্রদান করছে হিযবুত তাহরীর ও শিবিরের মতো নিষিদ্ধ জঙ্গি-মৌলবাদী গোষ্ঠীগুলো।
দীপের ঘনিষ্ঠজনরা জানিয়েছেন, বুয়েট ক্যাম্পাসে সাম্প্রদায়িক অপশক্তি-জঙ্গিবাদের বিরোধী ছিলেন দীপ। তাকে হত্যার আগে বিভিন্নভাবে তার নামে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কুৎসা রটানো হয়। আর এরপরই তার হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। 

জানা গেছে, বুয়েটে ছাত্ররাজনীতি ঠেকাতে অত্যন্ত  তৎপর ও সক্রিয় অবস্থায় রয়েছে নিষিদ্ধ জঙ্গিসংগঠন হিজবুত তাহরীর। সম্প্রতি হিযবুত তাহরীর ফেসবুক পেজ খুলে ভিডিও ও পোস্টার তৈরি করে তার কিউআর কোড ছাপিয়ে দিচ্ছে বুয়েট ক্যাম্পাস সহ পলাশী মোড় এবং বুয়েটের আশপাশের বিভিন্ন এলাকায়। সেই সঙ্গে শিবির পরিচালিত বাঁশেরকেল্লা পেজ থেকেও বুয়েটে ছাত্র রাজনীতি বন্ধ ও পরীক্ষা বন্ধ রাখার বিষয়ে প্রচারণা চালানো হচ্ছে। ফলে এটি স্পষ্ট যে, বুয়েটকে কেন্দ্র করে তাদের নিজস্ব বড় ধরনের পরিকল্পনার অংশ হিসেবেই তারা এই প্রচারণা চালানো চালাচ্ছে

২০১৯ সাল থেকে বুয়েটে ছাত্ররাজনীতি নিষিদ্ধ হলেও সেখানে কার্যক্রম চালিয়ে গেছে জামায়াতে ইসলামের ছাত্রসংগঠন ছাত্রশিবির ও হিজবুত তাহরীর। এমনকি ২০২০ সালে ছাত্রদলও আহবায়ক কমিটি গঠন করে, যা এখনো বলবত আছে।  আন্দোলনকারীদের পক্ষ থেকে আন্দোলনের শুরুর দিকে বুয়েটে জামায়াতে ইসলামির ছাত্র সংগঠন শিবির ও নিষিদ্ধ সংগঠন হিজবুত তাহরীরের কার্যক্রম নিয়ে কোনো আপত্তির কথা জানানো হয়নি। পরে গণমাধ্যমের চাপে পড়ে তারা এই বিষয়টি নিয়ে মুখ খুলতে বাধ্য হয়। তবে আন্দোলনকারীদের পক্ষ থেকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এই দুই সংগঠনের কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে তেমন তৎপরতা চোখে পড়েনি। এরইমধ্যে বুয়েটে ছাত্ররাজনীতি নিষিদ্ধের দাবিতে চলমান কার্যক্রমের সঙ্গে একাত্মতা ঘোষণা করে প্রতিষ্ঠানটির শিক্ষার্থীদের ইমেইল দেয় নিষিদ্ধ উগ্রবাদী সংগঠন হিজবুত তাহরীর। 

বুয়েট ক্যাম্পাসে ছাত্রলীগ প্রবেশ করে কমিটি দিচ্ছে এমন গুজবকে কেন্দ্র করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে উঠে পড়ে লেগেছে বুয়েটের সাবেক কিছু অ্যালামনাই, যাদের বেশিরভাগই এন্টি আওয়ামী বিভিন্ন সংগঠনের সক্রিয় সদস্য ছিলেন বা এখনো আছেন। বুয়েটে শিবিরের রাজনৈতিক কার্যক্রম নিয়ে সংগঠনটির কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক সভাপতি  শফিকুল ইসলামের কথা বিশ্বাস করতে চাচ্ছেন না তারা। 

এক ভিডিওতে বুয়েট ক্যাম্পাসে শিবিরের কার্যক্রম চলছে বলে দম্ভোক্তি করেছেন সংগঠনটির কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক সভাপতি শফিকুল ইসলাম। এটি জানার পরেও ছাত্ররাজনীতি বিরোধী আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা এ নিয়ে তেমন কোন প্রতিক্রিয়া জানায়নি। অর্থাৎ শিবিরের সাবেক সভাপতির বক্তব্যও তারা বিশ্বাস করতে পারছেন না বা আমলে নিতে চাইছেন না। 

অথচ, টাঙ্গুয়ার হাওরে শিবির সংশ্লিষ্ট থেকে রাষ্ট্রদ্রোহী কার্যক্রমে অংশগ্রহণের অপরাধে ২০২৩ সালে গ্রেফতারের পর জামিনে মুক্তি পাওয়া বুয়েট শিক্ষার্থীদের নিয়ে তদন্ত শুরু করেছে সিআইডি। বুয়েটে চলমান পরীক্ষা বর্জনের পক্ষ উস্কানি প্রদান ও গুজব সৃষ্টি করে শিক্ষার্থীদের উস্কে দেয়ার পেছনে ভুমিকা রাখা বুয়েট সাংবাদিক সমিতিতে এই মামলায় আটক শিবির সংশ্লিষ্ট ৫ জন উচ্চ পর্যায়ে দায়িত্বরত ছিলেন বলে গণমাধ্যমের অনুসন্ধানে জানা যায়।

এতকিছুর পরও গণমাধ্যমে প্রচারিত হিজবুত তাহরীর ও শিবির নিয়ে প্রকাশিত খবরকে অপপ্রচার বলে চালানোর চেষ্টা করেছেন বুয়েটের আন্দোলনরত কিছু শিক্ষার্থী ও কিছু এলামনি। তারা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভিন্ন গণমাধ্যমের বিরুদ্ধে আপত্তিকর মন্তব্য করেছে। সেইসঙ্গে গণমাধ্যমের সাংবাদিকদের কাছ থেকে কোনো রকমের প্রশ্নও সংবাদ সম্মেলনে নেয়নি তারা । 

এমন পরিস্থিতিতে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. আব্দুল জব্বার খান গণমাধ্যমে দেয়া বক্তব্যে জানান, বুয়েটে ছাত্ররাজনীতি নিষিদ্ধের সিদ্ধান্তে হাইকোর্টের স্থগিতাদেশ এখন পর্যন্ত পায়নি বুয়েট কর্তৃপক্ষ। হাইকোর্টের আদেশ পাওয়ার পর আইনি লড়াইয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়ে তিনি বলেন, অনেকের মধ্যে একটি বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে যে, আমরা বুয়েট কর্তৃপক্ষ আইনি প্রক্রিয়ার বাহিরে থাকতে চাচ্ছি। এটি আসলে কোনোভাবেই সম্ভব নয়। আইনি প্রক্রিয়ার স্বাভাবিক গতিতেই আমাদের অবশ্যই রেসপন্স করতে হবে এবং আমরা করব। ২০১৯ সালে আমরা যেই বিজ্ঞপ্তিটি দিয়েছিলাম সেটি কেন, কোন প্রেক্ষাপটে এবং আমাদের অর্ডিন্যান্সের কোন ক্ষমতাবলে ইত্যাদি উল্লেখ করে আমরা সেই জবাব দেব। আইনি যে প্রক্রিয়া রয়েছে এটি শেষ অবধি আমরা কনটেস্ট করব। মোট কথা আইনি প্রক্রিয়ায় সম্পূর্ণ পথটিই আমরা ব্যবহার করব এবং সেখানে আমরা একা নই, আমাদের সঙ্গে আমাদের শিক্ষার্থী ও অ্যালামনাইরা থাকবেন। যেখানে বুয়েট কর্তৃপক্ষ সর্বোচ্চ আইনি লড়াই চালিয়ে যাওয়ার কথা ভাবছে, সেখানে পরীক্ষা বর্জনের উস্কানি বা এমন ঘোষণা কেন আসছে তা নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন অনেকেই।

কোন সমস্যাকে অস্বীকার করে সমাধান বের করা বেশ কঠিন। বুয়েটকে কেন্দ্র করে শিবির ও হিযবুত তাহরীরের কার্যক্রম বেশ স্পষ্টভাবেই প্রমাণিত। কিন্তু কেনো বুয়েটের শিক্ষক সমিতি এই সমস্যাকে পাশ কাটিয়ে যাচ্ছেন? তারা কি চাননা, তাদের বিশ্ববিদ্যালয়কে ঘিরে জঙ্গি ও মৌলবাদী গোষ্ঠীর যেই আস্ফালন তা বন্ধ হোক?

এই অশুভ শক্তির দ্বারা প্রভাবিত হয়ে সাধারণ শিক্ষার্থীদের উল্লেখযোগ্য একটি অংশ যে ক্লাস-পরীক্ষা বর্জনের সিদ্ধান্তে আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছে, তা কতটুকু যৌক্তিক? আইনি প্রক্রিয়ায় না গিয়ে পরীক্ষার বর্জনের মাধ্যমে বুয়েটকে সেশনজটের মধ্যে ফেলে দেওয়ায় কি আসবে সমাধান?

অনেক শিক্ষাবিদই মনে করছেন, আইনি প্রক্রিয়ায় না গিয়ে ক্লাস ও পরীক্ষা বর্জনের মাধ্যমে সাধারণ শিক্ষার্থীরা দীর্ঘ সময়ের জন্য একাডেমিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে। কতদিন ক্লাস ও পরীক্ষা বর্জন করে তারা চলবে, সে বিষয়ে সাধারণ শিক্ষার্থীরা ঠিকভাবে অবগত নয় বলেও মনে করেন তারা। এ বিষয়ে আরও চিন্তা করে সাধারণ শিক্ষার্থীদের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা উচিত বলে মনে করছেন তারা। তাদের মতে, অশুভ শক্তির রাজনীতির বলি হচ্ছেন বুয়েটের প্রকৃত সাধারণ শিক্ষার্থীরা। 

 
সাবেক শিক্ষার্থী, বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়, মেকানিকাল ৯৫

ইত্তেফাক/এমএএম

এ সম্পর্কিত আরও পড়ুন