শনিবার, ২৫ মে ২০২৪, ১১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১
The Daily Ittefaq

ভারতের সঙ্গে অবিশ্বাসের দেয়াল শেখ হাসিনা ভেঙে দিয়েছেন: কাদের

আপডেট : ১১ মে ২০২৪, ১৯:২১

ভারতের সঙ্গে অবিশ্বাসের দেয়াল শেখ হাসিনা ভেঙে দিয়েছেন বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। তিনি বলেন, ২১ বছর ভারতের সঙ্গে শত্রুতা করে আমাদের লাভ হয়নি। বিএনপি শত্রুতা করে সংশয়, অবিশ্বাস সৃষ্টি করেছিলো। সে কারণে সম্পর্কের উন্নতি হয়নি। শেখ হাসিনা এসে এই সংশয়, অবিশ্বাসের দেয়াল ভেঙে দিয়েছেন।

শনিবার (১১ মে) বিকালে মোহাম্মদপুরের গজনবী রোডে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগ আয়োজিত শান্তি সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি একথা বলেন।

ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘ভারত আমাদের বন্ধু, আমরা কারো দাসত্ব করি না। আমাদের শক্তির উৎস এদেশের মানুষ, জনগণ। ভারতে কাছে আমাদের ক্ষমতা আমরা চাই না। বন্ধুত্ব চাই। কারণ এটা আমাদের স্বার্থেই দরকার। বিএনপি শত্রুতা করে আমাদের ক্ষতি করেছে ২১ বছর। আমরা সে অবস্থায় ফিরে যেতে চাই না।’

তিনি বলেন, বলেন, ‘আমরা বলতে চাই, গঙ্গার পানি শেখ হাসিনাই এনেছেন। পানির চুক্তি কে করেছেন? শেখ হাসিনা। সীমান্ত সমস্যার চুক্তি কে করেছেন? শেখ হাসিনা ও ভারতে প্রধানমন্ত্রী। বাংলাদেশের মতো আরেকটি বাংলাদেশ আমরা সমুদ্র পেয়েছি আন্তর্জাতিক আদালতের মাধ্যমে।’

বিএনপির নেতা গয়েশ্বর চন্দ্র রায়ের সমালোচনা করে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘গতকাল (১০ মে) পল্টনে বিএনপি গয়েশ্বর চন্দ্র এক পশরা মিথ্যাচার করে গেলেন। গয়েশ্বর বাবু কোথায় ছিলেন এতোদিন? কোথা থেকে এলেন? কোথায় পালিয়ে ছিলেন। ভারতে পালিয়ে ছিলেন? মাথায় উঠেছে গান্ধী টুপি। এখন ভণ্ডামি শুরু করেছেন। গয়েশ্বর কালকে পল্টনে দাঁড়িয়ে আমাদের বলে ভারতের দালাল। এই অপবাদ তো আইয়ুব খান, ইয়াহিয়াই দিয়েছে।’

কাদের বলেন, ভারতে গিয়ে গঙ্গার পানির কথা ভুলে গিয়েছিলেন খালেদা জিয়া। সাংবাদিকরা জিজ্ঞেস করল, আপনি ভারত সফর করলেন গঙ্গার পানির কী হলো? তিনি বললেন— আমি তো ভুলে গেছি। দালাল কারা?

নির্বাচনের কথা উল্লেখ করে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, ৪২ শতাংশ লোক আমাদের ভোট দিয়েছে। শেখ হাসিনার উন্নয়ন, অর্জনকে স্বীকৃতি দিয়েছে বাংলাদেশের ৪২ শতাংশ ভোটার। এই নির্বাচনে কোনো প্রাণহানি ঘটেনি। উপজেলা নির্বাচন জনগণ নাকি প্রত্যাখান করেছে। তাহলে ৩৬ থেকে ৪০ শতাংশ লোক ভোট দিলো তারা কারা? তারা এই দেশের জনগণ। তার উন্নয়নে, অর্জনে মুগ্ধ।

ইত্তেফাক/এবি