শনিবার, ২৫ মে ২০২৪, ১১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১
The Daily Ittefaq

এবার লেভারকুসেনের না হারার ‘ফিফটি’

আপডেট : ১৪ মে ২০২৪, ১৫:০৩

শুধু উড়ছে না জার্মান ক্লাব বায়ার লেভারকুসেন। ভাঙছে একের পর রেকর্ড। নিজেদের সব শেষ ম্যাচেই রোমার সঙ্গে ২-২ গোলে ড্র করে অপরাজিত থাকার ৫৯ বছর পুরোনো বেনেফিকার রেকর্ড ভাঙে। এবার তা বাড়িয়ে ৫০ ম্যাচ অপরাজিত থাকার রেকর্ড গড়ে জাভি আলোনসোর শিষ্যরা। সেইসঙ্গে এর এক ম্যাচ জিতলে বুন্দেসলিগার প্রথম ক্লাব হিসেবে অপরাজিত থেকে লিগ শেষ করার রেকর্ড গড়বে ‘নেভারলুজেন’ খ্যাত লেভারকুসেন। আর কোচের নজর এখন সেখানেই।

গেল পরশু রাতে জার্মান লিগ বুন্দেসলিগার ম্যাচে বোচুমের বিপক্ষে মাঠে নামে লেভারকুসেন। সেই ম্যাচে স্বাগতিক বোচুমের ঘরের মাঠে ৫-০ গোলের বিশাল ব্যবধানে জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে চলতি আসরের চ্যাম্পিয়নরা। এমন জয়ের পর বায়ার লেভারকুসেনের কোচ জাভি আলোনসো বলেন, ‘ম্যাচের ফলাফল নিয়ে আমি সন্তুষ্ট। এখন আমাদের একটা অসাধারণ লক্ষ্য, শনিবারে না হেরেই আমরা ট্রফি জিততে চাই। যেটা এর আগে কখনোই হয়নি। আমরা সেটাই করে দেখাতে চাই।’ 

সেইসঙ্গে তিনি আরও বলেন, ‘আজকে আমাদের পরিবার, বন্ধুবান্ধব ও ভক্তদের সঙ্গে এই জয়টি উপভোগ করতে হবে। একজন কোচ হিসেবে এটি ছিল আমার সেরা মৌসুম। সত্যিই এটি অবিশ্বাস্য অনুভুতি।’ এছাড়াও এই জয় নিয়ে ফ্লোরিয়ান উইর্টজ বলেন, ‘আমি নিজেই এখনো বুঝতে পারছি না যে কী ঘটেছে। আমরা কী অর্জন করেছি তা বুঝতে আমার ড্রেসিং রুমে কিছু মুহূর্ত কাটানো লাগবে। কি হয়েছে সেটা বুঝার জন্য।’

এর আগে জার্মান জায়েন্ট বায়ার্ন মিউনিখ ১৯৮৬-৮৭ ও ২০১২-১৩ মৌসুমে বুন্দেসলিগায় একটি করে ম্যাচ হেরেছে। চলতি মৌসুমের শেষ ম্যাচে আগামী ১৭ তারিখ অকসবুর্গের বিপক্ষে ম্যাচে মাঠে নামবে লেভারকুসেন। সেই ম্যাচে জয় পেলে বুন্দেসলিগায় একমাত্র দল হিসেবে অরপাজিত চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করবে। 

এদিকে গেল বৃহস্পতিবার ইউরোপা লিগে রোমার বিপক্ষে ২-২ গোলে ড্র করে ৫৯ বছর আগে গড়া ইতালিয়ান ক্লাব বেনফিকার ৪৮ ম্যাচ অপরাজিত থাকার রেকর্ড ভাঙেন জাভি আলোনসোর শিষ্যরা। সেইসঙ্গে নিজেদের ইতিহাসে প্রথম বারের মতো ট্রেবল জয়ের হাতছানি লেভারকুসেনের সামনে। আগামী ২২ মে ইউরোপা কাপের ফাইনালে আটলান্টার বিপক্ষে মাঠে নামবে লেভারকুসেন। এছাড়াও আগামী ২৫ তারিখ পোকাল কাপের ফাইনালে কায়সার্সলাউটার্নের বিপক্ষে খেলবে ক্লাবটি। এই দুই ম্যাচে জয় পেলে প্রথম বারের মতো ট্রেবল জয়ের স্বাদ পাবেন আলোনসোর শিষ্যরা।

ইত্তেফাক/জেডএইচ