শনিবার, ২৫ মে ২০২৪, ১১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১
The Daily Ittefaq

অর্থ আত্মসাৎ

সর্বধর্ম যোগমন্ডলীর সাবেক যুগ্ম সম্পাদকের বিরুদ্ধে মামলা

তদন্তের নির্দেশ আদালতের

আপডেট : ১৬ মে ২০২৪, ২১:০৮

ব্রাক্ষ্মণবাড়িয়ার সরাইলে সর্বধর্ম যোগমন্ডলীর ২৭ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে কমিটির সাবেক যুগ্ম সম্পাদক দূর্গা চরণ দাসের নামে বর্তমান কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক মোহাম্মদ আলী মিয়া আদালতে মামলা করেছেন। গত ২২ এপ্রিল করা অভিযোগটি আমলে নিয়ে পুলিশকে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন আদালতে।

মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, সর্বধর্ম যোগমন্ডলীর প্রধান কার্যালয় কালিকচ্ছের আনন্দধামে। সেখানকার ২৪ একর আয়তনের একটি সম্পত্তি সি এস খতিয়ানের  ব্রক্ষ্মত্তোর থাকা স্বত্বেও ভুলক্রমে অর্পিত সম্পত্তি হিসেবে চিহ্নিত। এর মধ্যে থাকা ২ দশমিক ৪৬ একরের শ্রী কৃষ্ণ দিঘীটি ২০১৩ সালে আনন্দধামের সার্বিক উন্নয়নের জন্য যোগমন্ডলীর কাছে লিজের ব্যবস্থা করে দেন ব্রাক্ষ্মণবাড়িয়া-২ আসনের তৎকালীন সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট জিয়াউল হক মৃধা। সে সময় যোগমন্ডলীর পক্ষ থেকে এর তৎকালীন কমিটির যুগ্ম সম্পাদক দূর্গা চরণ দাসকে সরকারের সঙ্গে লিজ চুক্তি সম্পাদন, সরকারকে লিজ মানি জমা দেওয়ার ক্ষমতা অর্পণ এবং ওই পুকুরে মাছ চাষ করে তা বিক্রি করে সংগঠনের কমিটিকে বুঝিয়ে দেওয়ার দায়িত্ব দেওয়া হয়।

সেই ধারাবাহিকতায় ২০১৩ সাল থেকে ২০২৩ সাল পর্যন্ত অব্যাহতভাবে ওই সম্পত্তির ইজারায় থেকে কমিটির অজ্ঞাতে পৃথক ব্যক্তির কাছে সাবলিজ দিয়েছিলেন তিনি। সাবলিজদারদের থেকে ১০ বছরে ২৭ লাখ টাকা নিলেও তা যোগমন্ডলীর কাছে হস্তান্তর করেননি দূর্গা চরণ দাস। এমনকি কমিটি তার কাছে হিসাব, নথিপত্র ও লিজের সম্পত্তি থেকে আয়ের টাকা চাইলে তিনি তা দিতে অস্বীকৃতি জানান। সেইসঙ্গে মামলার বাদী ও সাক্ষীদের প্রাণনাশেরও হুমকি দেন। এর জেরে তাকে সে সময় কমিটির পদ থেকে অব্যাহতিও দেওয়া হয়। পরে নতুন কমিটি তার কাছে একই নথি ও টাকার হিসাব চাইলেও সেগুলো তিনি দেননি। 

তবে অভিযোগের বিষয়েটি অস্বীকার করে দূর্গা চরণ দাস দৈনিক ইত্তেফাককে জানান, বিষয়টি সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন। আমার সম্মানহানির জন্য একটি চক্র উঠে পড়ে লেগেছে।

এ বিষয়ে সরাইল থানার ওসি এমরান হোসেন জানান, আদালতের আদেশ পেয়েছি। তদন্ত করে পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ইত্তেফাক/জেডএইচডি