রোববার, ১৬ জুন ২০২৪, ১ আষাঢ় ১৪৩১
The Daily Ittefaq

জাবিতে ‘ইয়ুথ লিডারশীপ এন্ড সিভিক এংগেজমেন্ট’ কর্মশালা অনুষ্ঠিত

আপডেট : ২৬ মে ২০২৪, ২৩:৪৯

বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের নিয়ে গঠিত ‘সেভ ইয়ুথ’র জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় (জাবি) চ্যাপ্টারের উদ্যোগে দুই দিনব্যাপী ‘ইয়ুথ লিডারশীপ এন্ড সিভিক এংগেজমেন্ট’ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শুক্রবার (২৪ মে) সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের সভাপতি তাসমিয়া পারসুব এ কর্মশালার উদ্বোধন করেন। এরপর শনিবার (২৫ মে) অংশগ্রহণকারীদের সার্টিফিকেট প্রদানের মাধ্যমে কর্মশালা শেষ হয়।

ইন্টারন্যাশনাল ফাউন্ডেশন ফর ইলেক্টোরাল সিস্টেমসের (আইএফইএস) পরিকল্পনায় ও ইউনাইটেড স্টেটস এজেন্সি ফর ইন্টারন্যাশনাল ডেভেলপমেন্টের (ইউএসএআইডি) সহযোগিতায় এ কর্মশালা আয়োজিত হয়। এতে ৪১ জন ইয়ুথ লিডার অংশগ্রহণ করেন।

উদ্বোধনী বক্তব্যে অধ্যাপক তাসমিয়া পারসুব বলেন, ‘এই কর্মশালা ক্যাম্পাসের ইয়ুথ লিডারদের দক্ষতা উন্নয়ন করতে সহযোগিতা করবে। পাশাপাশি সামাজিক সমস্যা সমাধানে কর্মশালা থেকে অর্জিত জ্ঞান কাজে লাগানোর জন্য নতুন দ্বার উন্মোচিত হবে।’

সেভ ইয়ুথ বাংলাদেশের ন্যাশনাল মডারেটর ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক আইনুল ইসলাম বলেন, ‘ইন্টারন্যাশনাল ফাউন্ডেশন ফর ইলেক্টোরাল সিস্টেমস (আইএফইএস) এ বছরের শেষের দিকে জাবিতে ডেমোক্র্যাসি ও সিভিক এংগেজমেন্টের ওপর একটি নতুন কোর্স চালু করার পরিকল্পনা করেছে।’

এছাড়া কর্মশালা যারা অংশ নিয়েছেন, ভবিষ্যতে তাদের অবদানের গুরুত্ব তুলে ধরেন তিনি।

সেভ ইয়ুথ জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের মডারেটর এবং আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের প্রভাষক মো. সাজ্জাদ হোসেন বলেন, ‘ইয়ুথ লিডাররা আমাদের সমাজের আশার আলো, তারা কোনো সমস্যা দেখে দোষারোপ না করে নিজেরাই সামাজিক সমস্যাগুলো সমাধান করার চেষ্টা করেন। আমি বিশ্বাস করি, এই প্রশিক্ষণ তাদের সামাজিক সমস্যা চিহ্নিতকরণ ও সেগুলো সমাধানের বিষয়ে আরও কয়েক ধাপ এগিয়ে নিতে সহায়তা করবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘কর্মশালা‌টি জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ইয়ুথ লিডারদের একটি শক্তিশালী নেটওয়ার্ক গড়ে তুলতে এবং অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য একটি রোল মডেল হিসেবে কাজ করতে সহায়তা করবে।’

এদিকে কর্মশালার সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের সি‌নেট সদস্য ও আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের অধ্যাপক খালিদ কুদ্দুস। তিনি বলেন, ‘শিক্ষার্থীদের জন্য এই ধরনের ইতিবাচক প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা প্রয়োজন। এসব প্রশিক্ষণের মাধ্যমে ইয়ুথ লিডাররা তাদের নতুন দক্ষতাকে সমাজের উন্নতির জন্য কাজে লাগাতে পারবেন।’

সেভ ইয়ুথ জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় চ্যাপ্টারের কো-প্রেসিডেন্ট ফাইরোজ মালিহা আফরা ও জেনারেল সেক্রেটারি আয়েশা আক্তার ইতি ইয়ুথ লিডারশিপ এবং সিভিক এংগেজমেন্ট  বৃদ্ধির ক্ষেত্রে এই কর্মশালাটি একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ বলে মনে করেন শিক্ষার্থীদের জন্য। তারা বলেন, অংশগ্রহণকারীরা ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে এবং তাদের সম্প্রদায়ের মধ্যে সামাজিক সমস্যাগুলি সমাধানের জন্য তাদের প্রশিক্ষণ প্রয়োগ করবে বলে আশা করা হচ্ছে, যা অন্যান্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অনুসরণ করার জন্য একটি নজির স্থাপন করবে।

ইত্তেফাক/এসএটি