মঙ্গলবার, ১৮ জুন ২০২৪, ৪ আষাঢ় ১৪৩১
The Daily Ittefaq

তৃতীয় ধাপে উপজেলা চেয়ারম্যান হলেন যারা

আপডেট : ৩০ মে ২০২৪, ০০:৫১

ষষ্ঠ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের তৃতীয় ধাপে ৮৭টি উপজেলায় ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার (২৯ মে) সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত ভোটগ্রহণ করা হয়। ভোট গণনা শেষে রাতে নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণা করেন রিটার্নিং কর্মকর্তারা। তৃতীয় ধাপে ৮৭ উপজেলায় যারা চেয়ারম্যান হয়েছেন-

লংগদু (রাঙামাটি): উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বাবুল দাশ বাবু আনারস প্রতীকে ১৬ হাজার ৯৮৬ভোট পেয়ে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বর্তমান চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের বহিষ্কৃত সভাপতি আব্দুল বারেক সরকার পেয়েছেন ১২ হাজার ৮২৬ ভোট।

নানিয়ারচর (রাঙামাটি): ইউপিডিএফ সমর্থিত অমর জীবন চাকমা আনারস প্রতীকে ৬ হাজার ১৫৯ ভোট পেয়ে চেয়ারম্যান হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জ্যোতিলাল চাকমা পেয়েছেন ৪ হাজার ১৬২ ভোট।

অভয়নগর (যশোর): উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সরদার অলিয়ার রহমান চেয়ারম্যান পদে মোটরসাইকেল প্রতীকে ৫৪ হাজার ৭১ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আনারস প্রতীকের রাজঘাট-নওয়াপাড়া শিল্পাঞ্চল শাখা জাতীয় শ্রমিক লীগের সাধারণ সম্পাদক রবিন অধিকারী ব্যাচা পেয়েছেন ৪৮ হাজার ২২১ ভোট।

বাঘারপাড়া (যশোর): জেলা আওয়ামী লীগের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার বিপুল ফারাজী মোটরসাইকেল প্রতীকে ৫২ হাজার ১৯৩ ভোট পেয়ে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী উপজেলা যুবলীগের আহ্বায়ক রাজীব কুমার রায় ঘোড়া প্রতীকে পেয়েছেন ২০ হাজার ৮১৪ ভোট। রাজীব সাবেক সংসদ সদস্য রনজিৎ রায়ের বড় ছেলে।

শিবপুর (নরসিংদী): উপজেলা মহিলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ফেরদৌসী ইসলাম কাপ-পিরিচ প্রতীকে ৪৭ হাজার ৭৮৬ ভোট পেয়ে চেয়ারম্যান পদে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আব্দুল মান্নান ভুঁইয়া স্মৃতি পরিষদের সদস্যসচিব আরিফুল ইসলাম মৃধা দোয়াত-কলম প্রতীকে পেয়েছেন ৪৩ হাজার ৭৯ ভোট।

ফেরদৌসী ইসলাম স্থানীয় সংসদ সদস্য সিরাজুল ইসলাম মোল্লার স্ত্রী।

সদর (নীলফামারী): উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আবুজার রহমান আনারস প্রতীকে ৪৮ হাজার ৫৩৯ ভোট পেয়ে দ্বিতীয়বারের মতো চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাবকে সাধারণ সম্পাদক ও সদর উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান দীপক চন্দ্র চক্রবর্তী ঘোড়া প্রতীকে পেয়েছেন ২৮ হাজার ৪৬ ভোট।

ডামুড্যা (শরীয়তপুর): জেলা আওয়ামী লীগের ক্রীড়া সম্পাদক আব্দুর রশীদ গোলন্দাজ ঘোড়া প্রতীকে ২৪ হাজার ৯৮ ভোট পেয়ে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী উপজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য মো. আলমগীর মাঝি মোটরসাইকেল প্রতীকে পেয়েছেন ১৩ হাজার ৭১৫ ভোট।

গোসাইরহাট (শরীয়তপুর): ঢাকার তেজগাঁও থানা আওয়ামী লীগের ক্রীড়া সম্পাদক মো. মোশারফ হোসেন সরদার হেলিকপ্টার প্রতীকের ২০ হাজার ১৮৭ ভোট পেয়ে চেয়ারম্যান পদে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম ঘোড়া প্রতীকের আওয়ামী লীগ কর্মী মাসুদ আলম পেয়েছেন ১৪ হাজার ৩৯৩ ভোট।

সদর (মানিকগঞ্জ): জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক সুদেব সাহা মোটরসাইকেল প্রতীকে প্রতীকে ৩৪ হাজার ভোট পেয়ে চেয়ারম্যান পদে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী সাবেক চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ইসরাফিল হোসেন কাপ-পিরিচ প্রতীকের ৩১ হাজার ৫৫৯ ভোট পেয়েছেন।

সাটুরিয়া (মানিকগঞ্জ): জাসদের সাংগঠনিক সম্পাদক শাহজাহান আলী সাজু মোটরসাইকেল প্রতীকে ২২ হাজার ৮৩২ ভোট পেয়ে চেয়ারম্যান হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আমজাদ হোসেন লাল মিয়া কাপ-পিরিচ প্রতীকে পেয়েছেন ১৫ হাজার ৩৬১ ভোট।

সদর (মানিকগঞ্জ): জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক সুদেব সাহা মোটরসাইকেল প্রতীকে প্রতীকে ৩৪ হাজার ভোট পেয়ে চেয়ারম্যান পদে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী সাবেক চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ইসরাফিল হোসেন কাপ-পিরিচ প্রতীকের ৩১ হাজার ৫৫৯ ভোট পেয়েছেন।

সাটুরিয়া (মানিকগঞ্জ): জাসদের সাংগঠনিক সম্পাদক শাহজাহান আলী সাজু মোটরসাইকেল প্রতীকে ২২ হাজার ৮৩২ ভোট পেয়ে চেয়ারম্যান হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আমজাদ হোসেন লাল মিয়া কাপ-পিরিচ প্রতীকে পেয়েছেন ১৫ হাজার ৩৬১ ভোট।

মোহনগঞ্জ (নেত্রকোণা): উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শহীদ ইকবাল ঘোড়া প্রতীকে ৩০ হাজার ৫৫ ভোট পেয়ে চেয়ারম্যান পদে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগ নেতা আমিনুল ইসলাম খান সোহেল পেয়েছেন ১৬ হাজার ৪৫৪ ভোট।

মদন (নেত্রকোণা): উপজেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি মো. ইফতেখারুল আলম চৌধুরী ঘোড়া প্রতীকে ১৮ হাজার ৬৭৭ ভোট পেয়ে চেয়ারম্যান হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগ নেতা ও বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আব্দুল কুদ্দুস আনারস প্রতীকে পেয়েছেন ১০ হাজার ২৬৯ ভোট।

কমলগঞ্জ (মৌলভীবাজার): ইমতিয়াজ আহমেদ বুলবুল মোটরসাইকেল প্রতীকে ৪৬ হাজার ৬৪০ ভোট পেয়ে চেয়ারম্যান পদে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বীর মুক্তিযোদ্ধা অধ্যাপক মো. রফিকুর রহমান আনারস প্রতীকে ভোট পেয়েছেন ৩০ হাজার ৭১২।

বিজয়ী ইমতিয়াজ আহমেদ বুলবুল কৃষিমন্ত্রী উপাধ্যক্ষ মো. আব্দুস শহীদের আপন ছোট ভাই।

শ্রীমঙ্গল (মৌলভীবাজার): ভানুলাল রায় কাপ-পিরিচ প্রতীকে ৪২ হাজার ৬৬৯ ভোট পেয়ে চেয়ারম্যান পদে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বীর মুক্তিযোদ্ধা আছকির মিয়া মোটরসাইকেল প্রতীকে পেয়েছেন ৩৬ হাজার ৮৭৬ ভোট।

সদরপুর (ফরিদপুর): উপজেলা যুবলীগের সাবেক সভাপতি শহিদুল ইসলাম বাবুল আনারস প্রতীক নিয়ে ৪০ হাজার ৩৩৩ ভোট পেয়ে চেয়ারম্যান পদে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক কাজী শফিকুর রহমান মোটরসাইকেল প্রতীকে পেয়েছেন ৩৫ হাজার ৫০৮ ভোট।

ভাঙ্গা (ফরিদপুর): আলগী ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক কাউসার ভূঁইয়া দোয়াত-কলম প্রতীকে ৬২ হাজার ৮৭২ ভোট পেয়ে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছাত্রলীগের সাবেক সহসভাপতি মোখলেসুর রহমান সুমন ঘোড়া প্রতীকে পেয়েছেন ৫১ হাজার ৩৩০ ভোট।

রামু (কক্সবাজার): আওয়ামী লীগ নেতা সিরাজুল ইসলাম ভুট্টো মোটরসাইকেল প্রতীকে ৪৩ হাজার ৮০৩ ভোট পেয়ে চেয়ারম্যান পদে জয়ী হয়েছেন। তার নিকটকম প্রতিদ্বন্দ্বী উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি সোহেল সরওয়ার কাজল পেয়েছেন আনারস প্রতীকে পেয়েছেন ১৬ হাজার ৯৮৪ ভোট।

উখিয়া (কক্সবাজার): উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি জাহাঙ্গীর কবির চৌধুরী ৩৮ হাজার ৫২৮ ভোট পেয়ে চেয়ারম্যান পদে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আবুল মনসুর চৌধুরী মোটরসাইকেল প্রতীকে পেয়েছেন ২৭ হাজার ৫২২ ভোট।

জাহাঙ্গীর কবির চৌধুরী স্থানীয় সংসদ সদস্য শাহীন আক্তার চৌধুরীর ছোট ভাই এবং এ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য আবদুর রহমান বদির শ্যালক।

টেকনাফ (কক্সবাজার): আওয়ামী লীগ নেতা জাফর আহমদ আনারস মার্কায় ৫২ হাজার ৩৬৭ ভোট পেয়ে চেয়ারম্যান হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বর্তমান চেয়ারম্যান ও উপজেলা যুবলীগের সভাপতি নুরুল আলম টেলিফোন মার্কায় পেয়েছেন ৩৫ হাজার ৯০২ ভোট।

সদর (দিনাজপুর): সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ইমদাদ সরকার ৫৫ হাজার ৬৪ ভোট পেয়ে পুনরায় চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগ নেতা ও বর্তমান ভাইস চেয়ারম্যান রবিউল ইসলাম পেয়েছেন ১৮ হাজার ৩১৩ ভোট।

খানসামা (দিনাজপুর): নির্দলীয় সহিদুজ্জামান শাহ ৩৩ হাজার ৯৯৭ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী উপজেলা ছাত্রলীগের আহ্বায়ক রাকেশ গুহ পেয়েছেন ২১ হাজার ৪৭৮ ভোট।

চিরিরবন্দর (দিনাজপুর): উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি সুনীল কুমার সাহা ৩৭ হাজার ৯৯৭ ভোট পেয়ে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোস্তাফিজুর রহমান পেয়েছেন ১৯ হাজার ১৪৯ ভোট।

পীরগঞ্জ (ঠাকুরগাঁও): জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি আখতারুল ইসলাম মোটরসাইকেল প্রতীকে ৬০ হাজার ৮০০ ভোট পেয়ে চেয়ারম্যান পদে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক রেজওয়ানুল হক বিপ্লব ঘোড়া মার্কায় পেয়েছেন ৪৮ হাজার ৩১৫ ভোট।

সদর (বগুড়া): চেয়ারম্যান পদে জেলা যুবলীগের সভাপতি শুভাশিষ পোদ্দার লিটন আনারস প্রতীকে ৩৫ হাজার ৭৭১ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আবু সুফিয়ান সফিক ঘোড়া প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ২৪ হাজার ১৮৫ ভোট।

শাজাহানপুর (বগুড়া): উপজেলা আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহসভাপতি সোহরাব হোসেন ছান্নু মোটরসাইকেল সাইকেল প্রতীকে ৫৩ হাজার ২১৮ ভোট পেয়ে চেয়ারম্যান পদে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বেচ্ছাসেবক লীগের জেলা সভাপতি সাজেদুর রহমান শাহীন আনারস প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ৪২ হাজার ১১২ ভোট।

শিবগঞ্জ (বগুড়া): উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মোস্তাফিজুর রহমান মোস্তা ৭৭ হাজার ১০৪ ভোট পেয়ে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ফিরোজ আহমেদ রিজু পেয়েছেন ৫৭ হাজার ৮০৬ ভোট।

বুড়িচং (কুমিল্লা): উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আখলাক হায়দার ঘোড়া প্রতীকে ৩৭ হাজার ৭৮৭ ভোট পেয়ে পুনরায় চেয়ারম্যান হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক বাঁছির খান আনারস প্রতীকে পেয়েছেন ২৫ হাজার ৪৫৩ ভোট।

ব্রাহ্মণপাড়া (কুমিল্লা): কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি আবু তৈয়ব অপি ঘোড়া প্রতীকে ৪৩ হাজার ৬৫৫ ভোট পেয়ে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী সেক্টর কামান্ডার্স ফোরামের আইন বিষয়ক সম্পাদক ব্যারিস্টার সোহরাব খান চৌধুরী আনারস প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ৩১ হাজার ৪৭০ ভোট।

অপি কুমিল্লা-৫ (বুড়িচং-ব্রাহ্মণপাড়া) আসনের সংসদ সদস্য আবু জাহেরের ভাতিজা।

দেবিদ্বার (কুমিল্লা): কুমিল্লা উত্তর জেলা যুবলীগের সদস্য মামুনুর রশীদ মামুন আনারস প্রতীকে ৯২ হাজার ৫২১ ভোট পেয়ে চেয়ারম্যান পদে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী কুমিল্লা উত্তর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক রওশন আলীর স্ত্রী শাহিদা আক্তার ঘোড়া প্রতীকে পেয়েছেন ৩৪ হাজার ৮০ ভোট।

মামুন কুমিল্লা-৪ (দেবিদ্বার) আসনের সংসদ সদস্য আবুল কালাম আজাদের ছোট ভাই।

মুরাদনগর (কুমিল্লা): উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আহসানুল আলম সরকার কিশোর আনারস প্রতীকে ৮৬ হাজার ৩৭৫ ভোট পেয়ে পুনরায় চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক গোলাম সারোয়ার চিনু ঘোড়া প্রতীকের প্রার্থী পেয়েছেন ১ হাজার ৪০২ ভোট।

কিশোর কুমিল্লা-৩ (মুরাদনগর) আসনের সাংসদ জাহাঙ্গীর আলম সরকারের ছেলে।

মাদারগঞ্জ (জামালপুর): উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রায়হান রহমতুল্যাহ রিমু কাপ-পিরিচ প্রতীকে ৪৮ হাজার ৬১৬ ভোট পেয়ে চেয়ারম্যান পদে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুর রহমান বেলাল দোয়াত- কলম প্রতীকে পেয়েছেন ২৮ হাজার ২৩৪ ভোট।

মেলান্দহ (জামালপুর): জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি ও মেলান্দহ পৌরসভার সাবেক মেয়র দিদার পাশা মোটরসাইকেল প্রতীকে ৭৮ হাজার ৬৬৭ ভোট পেয়ে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এমদাদুল ইসলাম আনারস প্রতীকে পেয়েছেন ১২ হাজার ৩১১ ভোট।

ইত্তেফাক/এমএএম