উত্তরা বিশ্ববিদ্যালয়ে জরায়ুমুখ ক্যান্সার প্রতিষেধক টিকাদান কার্যক্রম ও সেমিনার

আপডেট : ০১ জুন ২০২৪, ১৮:১৫

উত্তরা বিশ্ববিদ্যালয় হ্যাপিনেস অ্যান্ড ওয়েল-বিইং ক্লাব এবং পপুলার ফার্মাসিউটিক্যালসের যৌথ উদ্যোগে বুধবার (২৯ মে) অনুষ্ঠিত হয়েছে জরায়ুমুখ ক্যান্সার প্রতিষেধক ভ্যাক্সিন প্রদান এবং সচেতনতা বিষয়ক সেমিনার।

পাশাপাশি দিনব্যাপী ক্যাম্পাস প্রাঙ্গনে সম্পূর্ণ বিনামূল্যে স্বাস্থ্য পরীক্ষা সেবা প্রদান করা হয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী, শিক্ষক এবং কর্মকর্তা-কর্মচারীদের। 

ক্লাব উপদেষ্টা ফারাহ্ দোলনের সঞ্চালনায় ক্লাব প্রেসিডেন্ট মুহাম্মদ তাজবিউল হাসানের শুভেচ্ছা বক্তব্যের মাধ্যমে সেমিনার সূচনা হয়। এতে মূল বক্তা হিসেবে বক্তব্য দেন পপুলার মেডিকেল কলেজের ফার্মাকোলজি বিভাগের প্রধান ও অধ্যাপক ডা. শাহীন লিপিকা কাইয়ুম। জরায়ুমুখ ক্যানসার  নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন ডা. জায়ের রশিদ। ক্লাব উপদেষ্টা এবং ক্লিনিকাল সাইকোলজিস্ট আবু জাহিদ হাসান নীল তার বক্তব্যে উল্লেখ করেন - "সচেতনতাই প্রথম প্রতিষেধক।"

সেমিনারে বিশেষ সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপস্থিত ছিলেন উত্তরা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. ইয়াসমীন আরা লেখা। আরও উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক হাসপিয়া বশিরউল্লাহ, স্টুডেন্ট অ্যাফেয়ার্স এর পরিচালক, বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক, শিক্ষার্থী এবং পপুলার ফার্মাসিউটিক্যালসের সম্মানিত প্রতিনিধিবৃন্দ।

বিশেষ অতিথি ও বক্তা হিসেবে  ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের অতিরিক্ত ডেপুটি কমিশনার জনাব ইফতেখায়েরুল ইসলাম, বিপিএম, পিপিএম-এর উপস্থিতি এই সেমিনারকে আরও সমৃদ্ধ করেছে। তিনি তার বক্তব্যে পরিবারের নারী সদস্যদের শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্যের ওপর বিশেষ নজর দেওয়ার আহ্বান জানান।

উপাচার্য অধ্যাপক ড. ইয়াসমীন আরা লেখা পপুলার ফার্মা এবং হ্যাপিনেস অ্যান্ড ওয়েল-বিইং ক্লাবকে এমন উদ্যোগের জন্য ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, "এ ধরনের উদ্যোগগুলো স্বাস্থ্য সচেতন মানুষ গড়ে তোলায় এবং বিশেষ করে নারীদের স্বাস্থ্যের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। এই কার্যক্রমে সহযোগিতার জন্যে আমাদের সম্মানিত অতিথি ও পপুলার ফার্মাসিউটিক্যালসকে আমরা ধন্যবাদ জানাই।"

পপুলার ফার্মাসিউটিক্যালস পিএলসি'র প্রতিনিধি, ডা. জায়ের রশিদ উল্লেখ করেছেন যে, "এই টিকাটি প্রত্যেক নারীর জীবনে অন্তত একবার অবশ্যই গ্রহণ করা উচিত।"

উত্তরা বিশ্ববিদ্যালয় হ্যাপিনেস অ্যান্ড ওয়েল-বিইং ক্লাব প্রতিনিয়ত বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী, শিক্ষক, কর্মকর্তা, কর্মচারীদের মানসিক ও শারীরিক স্বাস্থ্যের উন্নয়নে কাজ করতে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ।

ইত্তেফাক/এআই