সুনামগঞ্জের শাল্লায় ৪ বছরের শিশুকে খাবারের প্রলোভন দেখিয়ে ধর্ষণের ঘটনার অভিযোগ উঠেছে। মঙ্গলবার (১১ জুন) দুপুরে এই জগন্য ঘটনা ঘটে।
এ বিষয়ে ভুক্তভোগীর অভিভাবক বাদী হয়ে থানায় লিখিত অভিযোগ করেছেন। ধর্ষণের অভিযোগ অভিযুক্ত তোফাজ্জল হোসেন (২৫) একই গ্রামের আব্দুর রহমানের ছেলে।
জানা যায়, শিশুরা খেলারত অবস্থায় তোফাজ্জল হোসেন তাদের সবাইকে খাবার দিবে বলে ডেকে নেয় তার দোকানে। ওরা ঘরে প্রবেশের পর দরজা জানালা বন্ধ করে মুখে হাত চেপে শিশুকে ধর্ষণ করে। ঐ সময় শিশুর মা শিশুকে খোঁজাখুঁজি করলে সঙ্গে থাকা অন্যান্য শিশুরা জানায় সে ভেতরে শুয়ে আছে। তাদের কথায় শিশুর মা ভেতরে ঢুকলে শিশু তার মাকে দেখেই কান্না শুরু করে এবং তার হাত পা কাঁপতে কাঁপতে পড়ে যাচ্ছিল। শিশুর মা এ অবস্থা দেখে তারা বাবাকে খবর দিলে তিনি মেয়েকে দ্রুত শাল্লা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসার উদ্দেশ্যে নিয়ে যান।
অভিযুক্ত তোফাজ্জল হোসেনের বাবা আব্দুর রহমানের সঙ্গে কথা হলে তিনি ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, আমি তাদের হাতে পায়ে ধরেও চেষ্টা করেছিলাম বিষয়টা ঘরোয়াভাবে বসে মীমাংসা করার জন্য। কিন্তু তারা কোনোভাবেই মীমাংসায় সম্মতি হয় নাই।
উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার ডা. ওমর ফারুক বলেন, শিশুটিকে আমরা প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়েছি। যেহেতু আমাদের এখানে পরীক্ষা-নিরীক্ষা হয় না তাই উন্নত চিকিৎসা ও পরীক্ষার জন্য শিশুটিকে সুনামগঞ্জ জেলা সদর হাসপাতালে রেফার্ড করেছি।
অন্যদিকে উপ-সহকারী কমিউনিটি মেডিকেল অফিসার সুমন আহমদ জানান, শিশুটির বিশেষ অংশে ব্যথা করেছিল বলছে। ঐ জায়গার অংশ কিছুটা ফুলা ছিল। আমরা প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে শিশুটিকে উন্নত চিকিৎসার জন্য সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালে রেফার্ড করেছি।
শাল্লা থানার ওসি মিজানুর রহমান মিজান জানান, থানায় মামলা হয়েছে। আমরা আসামিকে ধরতে অভিযান পরিচালনা করছি।
