পারমাণবিক অস্ত্র: ভারত না পাকিস্তান এগিয়ে?  

আপডেট : ২০ জুন ২০২৪, ১৬:১৭

'সুইডিশ থিংক ট্যাঙ্ক স্টকহোম ইন্টারন্যাশনাল পিস রিসার্চ ইনস্টিটিউট' (এসআইপিআরআই) -এর প্রকাশিত প্রতিবেদনে ইঙ্গিত মিলেছে, ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে পারমাণবিক অস্ত্র নিয়ে প্রতিযোগিতা চলছে। 

২০২৪ সালের জানুয়ারি পর্যন্ত ভারত তাদের দখলে থাকা পারমাণবিক ওয়ারহেডের সংখ্যা বাড়িয়ে ১৭২টি করেছে। ২০২৩ সালে ভারতের কাছে ১৬৪টি পারমাণবিক ওয়ারহেড ছিল।

অন্যদিকে পাকিস্তানের কাছে ২০২৩ সালে মজুত ছিল ১৭০টি পারমাণবিক ক্ষেপণাস্ত্র। চলতি বছরের জানুয়ারি মাস পর্যন্ত পাকিস্তানের অস্ত্র ভাণ্ডারে মজুদ পারমাণবিক অস্ত্রের পরিমাণ একই রয়েছে বলে ওই প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে।

তবে এসআইপিআরআই-এর রিপোর্ট অনুযায়ী, ভারতের কথা মাথায় রেখে পাকিস্তান পরমাণু অস্ত্র তৈরি করছে পাকিস্তান। আর ভারতের নজর রয়েছে দূরপাল্লার অস্ত্র মোতায়েনের দিকে,  যে অস্ত্র চীনে থাকা ‘টার্গেট’ অব্দি পৌঁছাতে পারে। 
 
তবে এই দুই দেশের চেয়ে অনেক বেশি পারমাণবিক অস্ত্র মজুদ রয়েছে চীনের কাছে। আর নিজেদের সেই পারমাণবিক অস্ত্র ভাণ্ডার আরও বাড়াচ্ছে চীন। এসআইপিআরআই -এর প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত বছরের তুলনায় চীনের অস্ত্র ভাণ্ডার উল্লেখযোগ্য ভাবে বেড়েছে।

২০২৩ সালে চীনের কাছে ৪১০ টি পারমাণবিক ওয়ারহেড ছিল, এই বছর তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫০০টি। তবে পারমাণবিক অস্ত্রের নিরিখে রাশিয়া এবং যুক্তরাষ্ট্রের চেয়ে এখনও পিছিয়ে রয়েছে চীন।

ওয়ারহেড হলো অস্ত্রের এমন একটি অংশ যেখানে বিস্ফোরক এজেন্ট বা বিষাক্ত উপাদান স্থাপন করা হয়। ওয়ারহেডকে ব্যবহার করা হয় ক্ষেপণাস্ত্র, রকেট, টর্পেডো বা বোমা মারফত। 

 

ইত্তেফাক/এসআর