মধ্যাহ্নভোজে প্রধানমন্ত্রীকে যেসব খাবারে আপ্যায়ন করলেন মোদি

আপডেট : ২৩ জুন ২০২৪, ১০:৩৫

নতুন সরকার গঠনের পর বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে প্রথম আনুষ্ঠানিক দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করেছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। নয়াদিল্লির হায়দরাবাদ হাউজে বৈঠকের পর দুই দেশের মধ্যে ৭টি নতুন এবং পুরানো ৩টি নবায়নসহ ১০টি সমঝোতা স্মারক সই হয়। তিস্তার পানি বণ্টন চুক্তি নিয়েও এ সময় আলোচনা হয়।

এর আগে স্থানীয় সময় বেলা ১২টার কিছু আগে হায়দরাবাদ হাউজে পৌঁছালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে অভিবাদন জানান ভারতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।

প্রধানমন্ত্রীর সম্মানে হায়দরাবাদ হাউজে মধ্যাহ্নভোজের আয়োজনও করেন নরেন্দ্র মোদি। ব্যাংকুইট মধ্যাহ্নভোজে কলকাতার বিরিয়ানি, সুগন্ধি বাসমতি চালের ভাত এবং কলকাতার স্টাইলে রান্না করা ও স্বাদযুক্ত শাকসবজি এবং অন্যান্য স্থানীয় খাবার পরিবেশন করা হয়েছে।

ভোজ শুরু হয় ভারতের স্ট্রিট ফুড হিসেবে বহুল পরিচিত দই ফুচকা দিয়ে। এরপর আসে স্টু বা সুরুয়া। পার্ল মিলেট (মুক্তা বাজরা) আর মটরশুটি দিয়ে তৈরি ওই স্টু’র নাম ‘মটর অর বাজরে কা শোর্বা’।

মাছের পাতুরি বাঙালির অতি প্রিয় পদ। তবে নিরামিশাষী নরেন্দ্র মোদি শেখ হাসিনার জন্য পরিবেশন করেন ছানার পাতুরি। ওই পাতুরিতে ছানার সঙ্গে মেশানো ছিলো নারকেল, কাঁচা আম, মরিচ আর সর্ষে বাটা। 

এরপর পরিবেশন করা হয় সিঙাড়া। সিঙাড়ার পুর হিসেবে ছিলো আলু, ফেটা চিজ, ফুলকপি, বাদাম ও থাইম। শেখ হাসিনাসহ অতিথিদের পাতে এরপর দেয়া হয় ‘আমারান্থ কোফতা গুলবদন’ অর্থাৎ কোফতার কারিতে সেদ্ধ করা আমারান্থ বাজরার ডাম্পলিং।   

তারপর পাতে আসে গুজরাতি পদ ‘পঞ্চমেল নি সবজি’; অর্থাৎ, জিরা, পেঁয়াজ আর টমোটা দিয়ে রান্না পাঁচমিশালি সবজি। এর পরে পাতে দেওয়া হয়, দই পনির। এই পদটি বিভিন্ন মশলায় মাখানো পনিরের স্টেক, যা টক দই এবং নানা ভারতীয় মশলায় রান্না করা। আরও ছিল- শুক্তো ও মসুর ডাল।

এছাড়া ছিল- স্পেশাল ভারতীয় রুটি, পান রসমালাই কুলি, গুড়ের জিলাপি ও আমের কুলফি এবং বিভিন্ন মৌসুমি ফলমূল ও মাসালা কফি।

বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তার ভারতীয় সমকক্ষ নরেন্দ্র মোদির আমন্ত্রণে দুই দিনের রাষ্ট্রীয় সফরে শুক্রবার ভারতে পৌঁছেন।

ইত্তেফাক/এমএএম