অরবিন্দ কেজরিওয়াল যাতে কারাগার থেকে বের হয়ে আসতে না পারেন, সেই চেষ্টাই চালাচ্ছে কেন্দ্রীয় সরকার,বললেন দিল্লির মুখ্যমন্ত্রীর স্ত্রী সুনীতা। আর একে একনায়কতন্ত্র বলেও উল্লেখ করেছেন তিনি। বুধবার (২৬ জুন) দিল্লির রউস আদালত চত্বর থেকেই কেজরিওয়ালকে গ্রেফতার করে সিবিআই। এরপরই বিষয়টি পার্লামেন্টে উত্থাপন করতে ইন্ডিয়া জোটের প্রতি অনুরোধ জানান আম আদমি পার্টির (আপ) নেতারা। ভারতের সংবাদমাধ্যম দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস এ খবর জানিয়েছে।
মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দকে ভুয়া সিবিআই মামলায় গ্রেপ্তার করার জন্য বিজেপি সরকারের নিন্দা জানিয়েছেন আপ নেতারা।
আর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া পোস্টে সুনীতা লিখেছেন, অরবিন্দ কেজরিওয়াল ২০ জুন জামিন পেয়েছেন। পরদিনই সিবিআই তাকে অভিযুক্ত করে। আর বুধবার তাকে গ্রেফতারও করা হয়। পুরো প্রশাসন নিশ্চিত করার চেষ্টা করছে,তিনি যাতে কোনওভাবেই জেল থেকে বেরিয়ে আসতে না পারেন। এটা আইন নয়। এটা একনায়কতন্ত্র,এটা জরুরি অবস্থা।
২০ জুন কেজরিওয়ালের স্থায়ী জামিনের আবেদন মঞ্জুর করে দিল্লির রাউস অ্যাভিনিউ আদালত। ইডির পক্ষ থেকে তার জামিন ৪৮ ঘণ্টা পিছিয়ে দেওয়ার আবেদন করা হলেও,বিচারক ন্যায় বিন্দু তা খারিজ করে দেন। ২১ জুন সকালে সেই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে মামলা করে ইডি। মঙ্গলবার দিল্লি হাইকোর্ট কেজরিওয়ালের জামিন আবেদন খারিজ করে দেওয়ার পরেই, তিহাড় জেলে গিয়ে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করে সিবিআই। বুধবার তাকে আদালতে হাজির করানোর অনুমতিও পায় কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থাটি।
সে অনুয়াযী, বুধবার কেজরিওয়ালকে দিল্লির ট্রায়াল কোর্টে হাজির করেন তিহাড় কর্তৃপক্ষ। বিশেষ বিচারক অমিতাভ রাওয়াতের সামনে দুই পক্ষই নিজেদের বক্তব্য রাখেন। সেখানেই সিবিআই তাকে ৫ দিনের জন্য নিজেদের হেফাজতে নেওয়ার আবেদন করে। ৩ দিনের হেফাজত মঞ্জুর করেন বিচারক।
দিল্লি সরকারের মদ নীতি কেলেঙ্কারি মামলায় গত ২১ মার্চ দিল্লির মুখ্যমন্ত্রীকে গ্রেপ্তার করে ইডি। তারপর থেকে কারাগারেই আছেন তিনি।
