সাদিক অ্যাগ্রোর নিষিদ্ধ ব্রাহমা প্রজাতির গরু আমদানি সংক্রান্ত তথ্য জানতে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কাস্টমসে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) অভিযান পরিচালনা করেছে।
মঙ্গলবার (২ জুলাই) দুদকের সহকারী পরিচালক আবুল কালামের নেতৃত্বে একটি টিম বিমানবন্দরের কাস্টমস অফিসে অভিযান চালানো হয়।
এর আগে দুদক উপপরিচালক (জনসংযোগ) আকতারুল ইসলাম বলেন, ২০২১ সালের জুলাই মাসে যুক্তরাষ্ট্র থেকে টার্কিশ এয়ারলাইন্সে করে ১৮টি ব্রাহমা গরু দেশে আনে সাদিক অ্যাগ্রো। জাল নথি দিয়ে ওই গরু আমদানির পর তা জব্দ করে দেখভালের দায়িত্ব দেয়া হয়, সাভারে সরকারি গো প্রজনন ও দুগ্ধ খামারকে। মূলত ওই জব্দ তালিকা ও আইনগত কী কী পদক্ষেপ নেয়া হয়েছিল, সেই সংক্রান্ত কাগজপত্র সংগ্রহ করতেই বিমানবন্দরে অভিযানে যায় দুদক টিম।
চলতি বছরের শুরুতে কোন প্রক্রিয়ায় সরকারের এ প্রতিষ্ঠান থেকে ১৫টি ব্রাহমা জাতের গরু সাদিক অ্যাগ্রোকে দেয়া হয়েছে, সেটিসহ অন্যান্য বিষয়ে খোঁজ নেয় দুদক টিম। ব্রাহমা জাতের গরু দেশে নিষিদ্ধ থাকলেও ২০২১ সালে আমেরিকা থেকে ১৮টি ব্রাহমা জাতের গরু জাল কাগজপত্র তৈরি করে দেশে আনেন সাদিক অ্যাগ্রোর ইমরান। সেই সময় কাস্টমস তা জব্দ করে পাঠায় গো প্রজনন কেন্দ্রে। নিজেদের জালিয়াতির মাধ্যমে আমদানি করা গরু তিন বছর পর আবারও সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের সাথে কারসাজির মাধ্যমে নিলামে অংশ নিয়ে, সেসব গরু ফিরিয়ে নেয় সাদিক অ্যাগ্রো।
সম্প্রতি সাদিক অ্যাগ্রো থেকে ঈদুল আজহার আগে মতিউর রহমানের ছেলে মুশফিকুর রহমান ইফাতের ১৫ লাখ টাকায় ছাগল কেনার একটি ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হয়। এর প্রেক্ষিতেই এনবিআরের এ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ ওঠে। এবার সাদিক অ্যাগ্রো অর্থের খোঁজে নেমেছে দুদক।
