কয়েকদিনের টানা বৃষ্টির মধ্যে গুজরাটের সুরাটের একটি গ্রামে ছয়তলা ভবন ধসে পড়ে একজন মারা গেছেন। ধ্বংসস্তূপের নিচ থেকে এক নারীকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় তাৎক্ষণিক আহত হয়েছেন অন্তত ১৫ জন।
শনিবার (৬ জুলাই) বিকালে ভবনটি ধসে পড়ার সময় পাঁচটি পরিবার ভেতরে ছিল। এর ফলে বেশ কয়েকজন কংক্রিটের ধ্বংসস্তূপে আটকা পড়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।
গুজরাট্র কর্মকর্তারার বরাতে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি জানিয়েছে, ভবনটিতে ৩০টি অ্যাপার্টমেন্ট ছিল। উদ্ধারকাজে সহায়তার জন্য জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনীর একটি দলকে ডাকা হয়েছে।
ঘটনাস্থল থেকে ভয়াবহ দৃশ্যে দেখা যায়, আট বছর আগে নির্মিত ভবনটির ধ্বংসস্তূপের পাহাড়ে কংক্রিটের স্ল্যাবের বড় বড় অংশ পড়ে আছে।
খবর পেয়ে স্থানীয় পুলিশ ও দমকলকর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে আটকেপড়াদের খোঁজে তল্লাশি শুরু করে। ফুটেজে দেখা গেছে, উদ্ধারকারী কর্মকর্তারা ধ্বংসস্তূপের ভেতর থেকে উঠে এর নিচে প্রাণের সন্ধান করছেন। সন্ধ্যার দিকে তারা একটি লাশ বের করে।
কর্মকর্তাদের মতে, খুব বেশি পুরনো না হলেও ভবনটি জরাজীর্ণ ছিল এবং বেশিরভাগ ফ্ল্যাট খালি ছিল।
সুরাটের জেলা কালেক্টর সৌরভ পারঘি বলেন, একটি ছয়তলা ভবন ধসে পড়েছে। কিছুক্ষণ আগে আমরা এক নারীকে উদ্ধার করেছি।
জেলা কালেক্টরের মতে, ভেতরে আরও চার-পাঁচজন আটকা পড়ে থাকতে পারে। উদ্ধারদলগুলকে কাজে লাগানো হয়েছে। আমরা আশাবাদী, কয়েক ঘণ্টার মধ্যে বাকিদের উদ্ধার করতে পারবো।
সুরাটের পুলিশ কমিশনার অনুপম সিং গেহলট বলেন, ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকেপড়াদের আজ রাতের মধ্যে উদ্ধার করা হবে। ধ্বংসস্তূপের ভেতর থেকে আমরা তাদের আওয়াজ শুনতে পাচ্ছি।
