বিশ্বে প্রবীণদের সংখ্যা কেন বাড়ছে

আপডেট : ০৭ জুলাই ২০২৪, ০৬:৫২

বিশ্বে বয়স্ক জনসংখ্যার হার ধীরে ধীরে বাড়ছে। জাতিসংঘ একে ‘ইরিভারসিবল গ্লোবাল ট্রেন্ড’ বলে আখ্যায়িত করেছে। এর অন্যতম কারণ হলো আয়ু বৃদ্ধি ও ছোট পরিবার।

জাতিসংঘের প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, ২০৫০ সালের মধ্যে ৬৫ বছর ও তার অধিক বয়সের জনসংখ্যা দ্বিগুণ বেড়ে ১৬০ কোটিতে দাঁড়াবে। জাপানে এই সমস্যা প্রকট আকার ধারণ করেছে। ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে অর্থনীতি। কারণ একদিকে যেমন বয়স্ক জনসংখ্যা বাড়ছে, অন্যদিকে খুব কম দম্পতিই সন্তান নিতে আগ্রহী।

জুন মাসের শুরুর দিকে জানানো হয়, জাপানে ধারাবাহিকভাবে আট বছর জন্মহার কমেছে। ২০২৩ সালে রেকর্ড নিম্ন জন্মহার দেখে দেশটি। জন্ম হয় মাত্র ৭ লাখ ২৭ হাজার ২৭৭ শিশুর।

এশিয়ায় বয়স্ক জনসংখ্যার ক্ষেত্রে শুধু জাপানেই সমস্যা নয়, দক্ষিণ কোরিয়াও এক্ষেত্রে সংকটে রয়েছে। ২০২৩ সালের হিসাব অনুযায়ী, দেশটিতে নারী প্রতি শিশুর সংখ্যা শূন্য দশমিক ৭২।

সম্প্রতি এ বিষয়ে একটি নতুন মন্ত্রণালয়ও চালু করেছে দক্ষিণ কোরিয়া। জন্মহার কমেছে হংকং, চীন ও তাইওয়ানেও।

জাতিসংঘের তথ্য অনুযায়ী, ২০৫০ সালের মধ্যে এশিয়ার অন্তত ছয়টি দেশ ৬৫ বা তার অধিক বছরের জনসংখ্যার ক্ষেত্রে বিশ্বের শীর্ষ ১০ দেশ বা অঞ্চলের মধ্যে থাকবে। এ ক্ষেত্রে শীর্ষে থাকতে পারে হংকং।

তাছাড়া ২১০০ সালের মধ্যে আফ্রিকাই হতে পারে একমাত্র অঞ্চল যেখানে সিনিয়র সিটিজেনের সংখ্যা হতে পারে ১৫ শতাংশের কম। এ ক্ষেত্রে ৩০ শতাংশ অতিক্রম করতে পারে ইউরোপ, উত্তর আমেরিক, দক্ষিণ আমেরিকা ও ক্যারিবিয়ান অঞ্চলে।

ইত্তেফাক/এসকে