কোটা আন্দোলন

যশোরে ট্রেন আটকে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ

আপডেট : ১৭ জুলাই ২০২৪, ১৯:৪৬

যশোরে কোটা সংস্কারের দাবিতে ট্রেন লাইন আটকে রেখে বিক্ষোভ করেছে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা। 

বুধবার (১৭ জুলাই) দুপুর সোয়া ৩টার দিকে যশোর শহরের রেলগেটে অবস্থান নিয়ে চাঁপাইনবাবগঞ্জগামী মহানন্দা লোকাল ট্রেন আটকে এ বিক্ষোভ করেন শিক্ষার্থীরা। প্রায় ২০ মিনিট পর অবরোধ তুলে নিয়ে শহরের দড়াটানা মোড়ে গিয়ে তারা কর্মসূচি শেষ করে।

এদিকে কোটা সংস্কারের দাবিতে চলমান আন্দোলনে নিহত শিক্ষার্থীদের আত্মার মাগফিরাত কামনায় পৃথক গায়েবানা জানাজার আয়োজন করেছে জেলা আওয়ামী লীগ, বিএনপি ও ছাত্রলীগ।
 
শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, কোটা সংস্কারের দাবিতে যশোরের শিক্ষার্থীরা বেলা সাড়ে ১১টায় জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে থেকে বিক্ষোভ মিছিল বের করে। মিছিলটি শহরতলীর চাঁচড়া চেকপোস্ট মোড়ে গিয়ে অবস্থান নেয়। এরপর তারা তিন ঘণ্টা যশোর-বেনাপোল, যশোর-ঝিনাইদহ ও যশোর-খুলনা বাইপাস সড়ক অবরোধ করে রাখে। দুপুর আড়াইটার দিকে আন্দোলনকারীরা আন্দোলনে শহীদদের রুহের মাগফিরাত কামনা করে গায়েবানা জানাজা আদায় করেন। এরপর তারা শহর অভিমুখে মিছিল নিয়ে ফেরার পথে সোয়া তিনটার দিকে শহরের রেলগেট এলাকায় অবস্থান নিয়ে রেলপথ অবরোধ করে। এ সময় তারা খুলনা থেকে চাঁপাইনবাবগঞ্জগামী  মহানন্দা লোকাল ট্রেনটি আটকে দেয়। ট্রেনটি এগোনোর চেষ্টা করলে শিক্ষার্থীরা লাইনের পাথর ছুঁড়তে থাকে। প্রায় ২০ মিনিট পর তারা অবরোধ তুলে নিয়ে শহরের দড়াটানা মোড়ে গিয়ে কর্মসূচি শেষ করে।

এদিকে দুপুরে জেলা বিএনপির দলীয় কার্যালয়ে গায়েবানা জানাযার আয়োজন করে যশোর জেলা বিএনপি। জানাযার আগে সংক্ষিপ্ত বক্তব্য দেন জেলা বিএনপির সদস্য সচিব সৈয়দ সাবেরুল হক সাবু। 

তিনি বলেন, নিজেদের দাবি আদায়ে আমাদের সন্তানরা রাজপথে নিহত হয়েছে। এই আওয়ামী লীগ সরকার তাদের গুণ্ডা বাহিনী, ছাত্রলীগ এবং অতি উৎসাহী পুলিশের দ্বারা দেশের মানুষকে জিম্মি করে রাখতে চাইছে।

অন্যদিকে বিকাল সাড়ে পাঁচটার দিকে কোটা আন্দোলনে নিহত তিন ছাত্রলীগ কর্মীর আত্মার মাগফেরাত কামনা করে গায়েবানা জানাযা পড়েছে জেলা আওয়ামী লীগ। শহরের গাড়িখানাস্থ দলীয় কার্যালয়ের সামনে এই গায়েবানা জানাযা অনুষ্ঠিত হয়। জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি শহিদুল ইসলাম মিলন, সাধারণ সম্পাদক শাহীন চাকলাদারসহ বিভিন্ন স্তরের নেতৃবৃন্দ অংশ নেয়। এর আগে গায়েবানা জানাযার আয়োজন করে জেলা ছাত্রলীগের সদস্যরা।

 

ইত্তেফাক/এসএ