কোটা সংস্কার আন্দোলন

কক্সবাজারে জাসদ অফিস ভাংচুরের ঘটনায় থানায় এজাহার 

আপডেট : ১৮ জুলাই ২০২৪, ০৭:০৩

চলমান কোটা সংস্কার আন্দোলনে একাত্মতা ঘোষণা করে মঙ্গলবার (১৬ জুলাই) বিকেলে কক্সবাজারে জাসদ অফিস ভাংচুরের ঘটনায় থানায় লিখিত এজাহার দায়ের করা হয়েছে। বুধবার (১৭ জুলাই) সন্ধ্যায় পৌর শাখা জাসদের সভাপতি মো. হোসাইন মাসু কক্সবাজার মডেল থানায় এজাহারটি দায়ের করেন।

এজাহারে দাবি করা হয়, ১৬ জুলাই (মঙ্গলবার) বিকেল সাড়ে পাঁচটার দিকে শতাধিক সশস্ত্র সন্ত্রাসী পূর্ব পরিকল্পিতভাবে লাটি, হকিষ্টিক, রাম দা, লোহার রড, কিরিচসহ মারাত্মক অস্ত্র-সস্ত্র নিয়ে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বিরোধী স্লোগান দিয়ে লালদীঘি পাড়স্থ জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জাসদ) অফিসে হামলা চালিয়ে ভাংচুর করে। এ সময় পুরো এলাকায় আতংক তৈরি হয়। তাদের হামলায় সংগঠনের প্রায় দু'লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। লুটপাট করা হয়েছে অফিসের গুরুত্বপূর্ণ দলিলাদি।

মামলার বাদি মো. হোসেন মাসু বলেন, কোটা বিরোধী আন্দোলনের মিছিলের সবার হাতে লাঠি, কিরিচ এবং দেশীয় তৈরি অস্ত্রসস্ত্র ছিল। তারা বিনা উস্কানিতে আমাদের অফিসে হামলা চালিয়েছে। হামলাকারীদের আচরণ দেখে শিক্ষার্থী বলে মনে হয়নি, এরা পেশাদার অপরাধী। মেধাবী শিক্ষার্থীদের হাতে বই খাতা, কলম থাকার কথা, অস্ত্র নয়। তাছাড়া সাধারণ শিক্ষার্থীরা কেন রাজনৈতিক অফিসে হামলা করবে। 

তিনি আরও বলেন, লাঠি মিছিল নিয়ে 'তুমি কে আমি কে, রাজাকার-রাজাকার' বলে মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বিরোধী স্লোগান দিয়ে মূলত এ হামলা চালিয়েছে তারা। 

জেলা জাসদ সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট আবুল কালাম আজাদ বলেন, হামলাকারীরা স্বাধীনতা বিরোধী বিএনপি জামাত-শিবিরের সশস্ত্র ক্যাডার। সাধারণ ছাত্রদের কোটা বিরোধী মিছিলের সাথে মিশে সারাদেশে নৈরাজ্য ও ত্রাসের রাজত্ব সৃষ্টি করছে তারা।

কক্সবাজার মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রাকিবুজ্জামান এজাহার পাওয়ার কথা স্বীকার করে বলেন, প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।

ইত্তেফাক/এমএএম