কোটা আন্দোলন

‘আমার আসিফ চলি গেছে। আসিফ বাবা আর নেই’

আপডেট : ২৭ জুলাই ২০২৪, ১৮:৩২

‘বাবা, তোরে নিষেধ করলাম। বললাম, ও আব্বা তুমি যাইও না যেন, আব্বা তা-ও গেছে। আমার আসিফ চলি গেছে। আসিফ বাবা আর নেই।’ এ ভাবেই বিলাপ করছিলেন রাজধানীর উত্তরা এলাকায় কোটা আন্দোলনের সংঘর্ষে গুলিতে নিহত আসিফ হাসানের মা শিরিন বেগম। নিহত আসিফ হাসান | ছবি: সংগৃহীত

আসিফ সাতক্ষীরার দেবহাটা উপজেলার নওয়াপাড়া ইউনিয়নের আস্কারপুর গ্রামের মাহমুদ আলম গাজীর ছেলে ও নর্দান ইউনিভার্সিটির ইংরেজি বিভাগের অনার্স দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র।

১৮ জুলাই বেলা সাড়ে ১২টার দিকে রাজধানীর উত্তরা এলাকায় কোটা আন্দোলনের সংঘর্ষে গুলিতে নিহত হন আসিফ। ফেসবুকে আসিফের গুলিবিদ্ধ ছবি দেখে তার পরিবার নিহত হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত হন। 

আসিফের স্কুলশিক্ষক আবুল হাসান বলেন, আসিফ খুব শান্ত প্রকৃতির ছেলে ছিল। খুব মেধাবী। শিক্ষাঙ্গন আজ এভাবে রক্তাক্ত। আমরা এমন মৃত্যু দেখতে চাই না। ছেলেক হারিয়ে মা শিরিন বেগমের আহাজারি থামছে না | ছবি: সংগৃহীত

অসিফের নিকটাত্মীয়রা জানান, আসিফের জানাযা শুক্রবার জুমার নামাজের পর হবে এমন সিদ্ধান্ত হলেও চাপ ছিল দ্রুত দাফন করার। সে কারণে শুক্রবার ফজরের নামাজের পরইপরই দাফন শেষ করা হয়।

স্থানীয় নওয়াপাড়া ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান আলমগীর হোসেন বলেন, কোটা আন্দোলনের মিছিলে গেলে রাজধানীর উত্তরা এলাকায় বেলা ১২টার দিকে সংঘর্ষের ঘটনায় গোলাগুলির মধ্যে পড়ে যায় আসিফ। সম্ভবত ছাররা গুলি লেগেছে তার বুকে। বুকটা একেবারেই ঝাঁঝরা হয়ে গেছে। মাথার ডান পাশেও গুলির চিহ্ন দেখা গেছে।

ইত্তেফাক/এসএ