দক্ষিণ আমেরিকার দেশ ভেনেজুয়েলায় প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ভোটগ্রহণ চলছে। এ নির্বাচনের মধ্যদিয়ে আরও ছয় বছরের জন্য ক্ষমতা নিশ্চিত করছে ক্ষমতাসীন প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরো। ২০১৩ সালে সাবেক প্রেসিডেন্ট হুগো শ্যাভেজের মৃত্যুর পর ক্ষমতায় আসেন তিনি।
এই নির্বাচনকে ২৫ বছর ধরে ক্ষমতায় থাকা সমাজতান্ত্রিক পিএসইউভি পার্টির জন্য সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
কয়েক সপ্তাহের জোর প্রচারণা শেষ হয় গত শুক্রবার (২৬ জুলাই)। দুদিন পর রোববার (২৮ জুলাই) সকাল থেকে শুরু হয়েছে ভোটগ্রহণ। এই নির্বাচন ভেনেজুয়েলার আধুনিক ইতিহাসের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ নির্বাচনগুলোর একটি বলে মনে করা হচ্ছে।
আল জাজিরার প্রতিবেদন মতে, ১১ বছর ধরে ক্ষমতায় থাকা প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোর জন্য এই নির্বাচন একটা বড় চ্যালেঞ্জ। প্রাক-নির্বাচনী জরিপগুলোয় দেখা যাচ্ছে, গঞ্জালেসের চেয়ে অনেক পিছিয়ে তিনি। ভেনেজুয়েলার অর্থনৈতিক সংকট ও রাজনৈতিক দমন-পীড়নের কারণে ভোটাররা মাদুরোর ওপর থেকে সমর্থন সরিয়ে নিচ্ছেন।
ওআরসি কনসুলোটরেসের এক জরিপে দেখা গেছে, ৫৯ দশমিক ৬ শতাংশ ভোটারের সমর্থন নিয়ে এগিয়ে গঞ্জালেস, যেখানে মাদুরোর সমর্থন মাত্র ১২ দশমিক ৫ শতাংশ। ডেলফোস ও আন্দ্রেস বেলো ক্যাথলিক ইউনিভার্সিটির আরেক জরিপে দেখা যায়, মাদুরোর পক্ষে রয়েছেন ২৫ শতাংশ ভোটার, যেখানে গঞ্জালেসকে সমর্থন দিয়েছেন প্রায় ৫৯ শতাংশ ভোটার।
জ্বালাময়ী বক্তব্যের জন্য সাংবাদিক ও বিশ্লেষকরা মারিয়াকে ভেনেজুয়েলার ‘আয়রন লেডি’ বলতে শুরু করেছেন। মারিয়া প্রেসিডেন্ট প্রার্থী মাদুরোর প্রতিদ্বন্দ্বী না হলেও প্রধান বিরোধী দলের প্রতি গণজোয়ার সৃষ্টির পেছনে প্রধান চালিকাশক্তি হিসেবে কাজ করছেন। তিনি অর্থনীতিকে পুনরুজ্জীবিত এবং অভিবাসনে বিচ্ছিন্ন পরিবারগুলোকে পুনরায় একত্র করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।
