কোটা সংস্কার আন্দোলন চলাকালে নাশকতার অভিযোগে গত ২৪ ঘণ্টায় চট্টগ্রাম মহানগরীতে আরও ১৬ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ নিয়ে বিভিন্ন মামলায় গত ১৩ দিনে নগরীতে মোট ৫৩২ জন গ্রেপ্তার হলেন। এদিকে রংপুরে কোটা আন্দোলন নিয়ে নাশকতা মামলায় ছাত্রদল, জামায়াত নেতাসহ ২৪ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের গণসংযোগ বিভাগের অতিরিক্ত উপ-কমিশনার (এডিসি) কাজী মো. তারেক আজিজ ইত্তেফাককে গ্রেপ্তারের বিষয়টি জানান।
অন্যদিকে নগরীর পাঁচলাইশ থানায় দায়েরকৃত মামলায় ৫০ জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে এবং অজ্ঞাত ৩০ থেকে ৩৫ জনকে আসামি করা হয়েছে।
কোটা আন্দোলনকারীদের একাংশের পূর্বঘোষিত কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে গতকাল চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের সামনে সতর্ক অবস্থান নেয় পুলিশ। গতকাল সকাল থেকে জামালখান এলাকার প্রেস ক্লাবের সামনে তাদের অবস্থান নিতে দেখা যায়। এছাড়া নগরীর বহদ্দারহাট, ষোলশহর, আগ্রাবাদ, নিউ মার্কেটসহ বিভিন্ন এলাকায় গতকাল পুলিশকে সতর্কাবস্থায় টহল দিতে দেখা যায়। তারা বিভিন্ন সন্দেহজনক যানবাহনে তল্লাশিও চালায়।
এদিকে গত নয় দিনে পুলিশের দায়ের করা ২২ মামলায় রংপুরে সিটি করপোরেশনের কাউন্সিলর, বিএনপি, জামায়াত-শিবির, জাতীয় পার্টির নেতাকর্মীসহ ২৪২ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। পুলিশ জানায়, রবিবার গঙ্গাচড়া শেখ হাসিনা সেতু এলাকা থেকে জেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক শরীফ নেওয়াজ জোহাসহ দুজনকে গ্রেপ্তার করে জেলা পুলিশ। অন্যদিকে মেট্রোপলিটন পুলিশের অভিযানে ৬ নাম্বার ওয়ার্ড জামায়াতের সেক্রেটারি মোহাম্মদ রেজওয়ানুর রহমান ওরফে রোমান, কাউনিয়া উপজেলার সারাই ইউনিয়নের ৭ নাম্বার ওয়ার্ড যুবদলের সাংগঠনিক সম্পাদক আলমগীর হোসেনসহ ২২ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গতকাল রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের উপ-পুলিশ কমিশনার (অপরাধ) আবু মারুফ হোসেন ও জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ইফতে খায়ের আলম পৃথক তথ্যে ইত্তেফাককে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
এদিকে, কোটা সংস্কার আন্দোলনকে ঘিরে সহিংসতার ঘটনায় চাটমোহর থানায় দায়ের করা মামলায় আরো দুই জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তারা হলেন— উপজেলার বিলচলন ইউনিয়নের কুমারগাড়া গ্রামের বিএনপি নেতা মো. গোলজার হোসেন ও মথুরাপুর ইউনিয়নের বাহাদুরপুর গ্রামের মজনুর রহমান।
