ইরানের হামলার আশঙ্কার মধ্যে ইসরায়েলের পাশে বাইডেন

আপডেট : ০৬ আগস্ট ২০২৪, ১৬:২৯

ইসরায়েলের ওপর ইরানের সম্ভাব্য প্রতিশোধমূলক হামলার আশঙ্কা নিয়ে আলোচনা করেছে বাইডেন। সোমবার (৫ আগস্ট) মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন সম্প্রতি তার জাতীয় নিরাপত্তা দলের শীর্ষ কর্মকর্তাদের সঙ্গে একটি বৈঠক একথা বলেছেন। খবর বিবিসির।

বাইডেন জানিয়েছেন, ইসরায়েলের প্রতি সমর্থন জানাতে কী ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে, তা নিয়ে তাকে অবহিত করা হয়েছে। মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিঙ্কেন বলেছেন, উত্তেজনা কমাতে কর্মকর্তারা দিনরাত কাজ করছেন।

হামাসের রাজনৈতিক নেতা ইসমাইল হানিয়ার হত্যাকাণ্ডকে কেন্দ্র করে গত সপ্তাহ থেকে উত্তেজনা বৃদ্ধি পেয়েছে। ইরান এই হত্যাকাণ্ডের জন্য ইসরায়েলকে দায়ী করেছে এবং কঠোর প্রতিশোধ নেওয়ার হুমকি দিয়েছে। তবে ইসরায়েল এই হত্যার দায় অস্বীকার করেছে।

যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্যসহ অনেক দেশ তাদের নাগরিকদের লেবানন ছাড়ার পরামর্শ দিয়েছে। তাদের আশঙ্কা, লেবাননভিত্তিক সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহ ইরানের পক্ষে ইসরায়েলের ওপর হামলা চালাতে পারে।

যুক্তরাষ্ট্রের সংবাদভিত্তিক ওয়েবসাইট এক্সিওসের তথ্য অনুসারে, গতকাল জাতীয় নিরাপত্তা দলের বৈঠকে বাইডেনকে জানানো হয়েছে, ইরান কখন এবং কী ধরনের হামলা চালাতে পারে, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

তবে এর একদিন আগে জি ৭ এর প্রতিনিধিদের উদ্দেশ্যে ব্লিঙ্কেন বলেছিলেন, ইরান এবং হিজবুল্লাহ ২৪ থেকে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে ইসরায়েলের ওপর হামলা চালাতে পারে।

বৈঠকের পর এক বিবৃতিতে বাইডেন বলেন, ‘ইরান ও তাদের ছায়ায় থাকা দেশগুলোর হুমকি সম্পর্কে আমরা নিয়মিত খোঁজখবর রাখছি। আঞ্চলিক উত্তেজনা কমাতে কূটনৈতিক প্রচেষ্টা এবং হামলা প্রতিহত করতে ইসরায়েলের সহযোগিতার প্রস্তুতি চলছে।’

দিনের শুরুতে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ব্লিঙ্কেন বলেন, ‘সব পক্ষকে অবশ্যই উত্তেজনা থেকে বিরত থাকতে হবে।’

মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, ‘এই উত্তেজনায় কারও লাভ হবে না। বরং এটি আরও বেশি সংঘাত, সহিংসতা এবং নিরাপত্তাহীনতা সৃষ্টি করতে পারে।’

উল্লেখ্য, ইসমাইল হানিয়া (৬২) হামাসের রাজনৈতিক শাখার প্রধান ছিলেন। তবে সার্বিকভাবে সংগঠনটির সব শাখার নেতা হিসেবে বিবেচিত হতেন তিনি। গাজায় যুদ্ধবিরতি প্রতিষ্ঠায় ইসরায়েলের সঙ্গে মধ্যস্থতায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছিলেন তিনি।

ইত্তেফাক/টিএইচ