ড. ইউনূসের বক্তব্যে নাহিদের মুগ্ধতা প্রকাশ

আপডেট : ০৮ আগস্ট ২০২৪, ১৯:১৪

ঢাকায় পৌঁছেছেন শান্তিতে নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ ড. মুহাম্মদ ইউনূস। অবতরণের পরপরই তাকে শুভেচ্ছা জানান তিন বাহিনীর প্রধান। এরপর সংবাদ সম্মেলনে আসেন ড. ইউনূস। ড. ইউনূসের এই বক্তব্যের পর অনুভুতি প্রকাশ করে ফেসবুকে একটি পোস্ট করেছেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক নাহিদ ইসলাম।

বৃহস্পতিবার (৮ আগস্ট) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থেকে ড. মুহাম্মদ ইউনূসের ছবি এবং বক্তব্যের অংশ সহ একটি পোস্টার পোস্ট করেছেন নাহিদ ইসলাম। 

পোস্টের ক্যাপশনে এ সমন্বয়ক লিখেছেন, ‘কথা শুনে আমি মুগ্ধ হয়েছি। 

তিনি বলেছেন “আমাকে প্রয়োজন মনে না করলে বলেন আমি চলে যাবো, কিন্তু যেহেতু আমাকে ডেকেছেন তাহলে অমার কথা শুনতে হবে : ড. মুহাম্মদ ইউনূস”।’

সমন্বয়কদের পাশে রেখে সংবাদ সম্মেলনের শুরুতেই ড. ইউনূস বলেন, বাংলাদেশ আজকে নতুন বিজয়  দিবস সৃষ্টি করল। সেটাকে সামনে রেখে এবং আরও মজবুত করে আমাদের সামনে এগিয়ে যেতে হবে। যারা এটা সম্ভব করেছে তরুণ সমাজ, তাদের প্রতি আমি আমার সমস্ত প্রশংসা এবং কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি।

তারা আমার পাশে আছে। এদেশকে নতুন করে পুনর্জন্ম দিয়েছে। এর মাধ্যমে আমরা যে নতুন বাংলাদেশ পেলাম সেটা যেন অন্ত্যন্ত দ্রুত গতিতে এগিয়ে চলতে পারে সেটিই আমাদের শপথ। 

এ সময় কোটা সংস্কার আন্দোলনে নিহতদের স্মরণ করেন ড. ইউনূস। নিহত আবু সাঈদের কথা স্মরণ করে তিনি বলেন, আজকে আবু সাঈদের কথা মনে পড়ছে আমাদের। কান্নাজড়িত কণ্ঠে ড. ইউনূস বলেন, যে আবু সাইদের ছবি বাংলাদেশের মানুষের মনে গেথে আছে। এটা কেউ ভুলতে পারবে না। 

কী অবিশ্বাস্য একটি সাহসী যুবক, বন্দুকের সামনে দাঁড়িয়ে আছে। তাঁরপর থেকে কোনো যুবক আর হার মানেনি; সামনে এগিয়ে গেছে। এবং বলেছে যত গুলি মারো মারতে পারো আমরা আছি। যার কারণে সারা বাংলাদেশ জুড়ে এই আন্দোলন ছড়িয়ে গেছে এবং এর মাধ্যমে বাংলাদেশ আজ দ্বিতীয়বার স্বাধীনতা অর্জন করল।

ইতোমধ্যে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের শপথ অনুষ্ঠানের জন্য প্রস্তুত করা হয়েছে বঙ্গভবনের দরবার হল। প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে বৃহস্পতিবার (৮ আগস্ট) রাত সাড়ে ৮টায় বঙ্গভবনের দরবার হলে এ শপথ অনুষ্ঠিত হবে। 

 

ইত্তেফাক/পিএস