টাঙ্গাইলের মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের নবনির্মিত হলগুলোতে গ্যাসের সংযোগ না থাকায় মিল-বাবদ অতিরিক্ত খরচ বহন করতে হচ্ছে সাধারণ শিক্ষার্থীদের। শেখ রাসেল হল ও ফজিলাতুন্নেছা মুজিব হলের রান্নার বিকল্প জ্বালানি হিসেবে লাকড়ির ব্যবহারে শিক্ষার্থীদের গুনতে হচ্ছে বাড়তি খরচ ।
গ্যাস সংযোগ থাকা জননেতা আব্দুল জননেতা আব্দুল মান্নান হলের প্রতি বেলা খাবারের টোকেন মূল্য ৩০ টাকা । কিন্তু যে হলে গ্যাসের সংযোগ নেই, সে হলগুলোতে টোকেন মূল্য ৩৫ টাকা করে নেওয়া হচ্ছে। তুলনামূলকভাবে ৫ টাকা বেশি নেওয়ার কারণ হিসেবে লাকড়ির খরচ ধরা হয়েছে। এতে করে মাস শেষে হিমশিম খাচ্ছে হলে থাকা শিক্ষার্থীরা।।
শেখ রাসেল হলের বাসিন্দা সাকিব বলেন, হলে উঠেছি খরচ বাঁচানোর জন্য কিন্তু প্রতিবেলা খাবারের টোকেনের মূল্য ৫ টাকা বেশি হওয়ায় মাস শেষে তিনশো টাকা অতিরিক্ত খরচ হয়। যা আমার মাসিক খরচের অতিরিক্ত চাপ তৈরি হয়।
আরেকজন শিক্ষার্থী বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছে বারবার গ্যাস সংযোগের দাবি জানালেও ওনারা বলছেন দপ্তরে তদবির করেছেন। তারপর আর খবর নাই। আমাদের দাবি নতুন প্রতিটি হলে গ্যাসের সংযোগ হোক।
উল্লেখ্য, এ বছরের শুরুর দিকে সাধারণ শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের প্রেক্ষিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসন নবনির্মিত হলগুলোর ডাইনিং চালু হয়েছিল। সেইসঙ্গে গ্যাস সংযোগসহ শিক্ষার্থীদের আনুষঙ্গিক দাবি পূরণ করার আশ্বস্ত করেছিল বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।
হল গুলোতে গ্যাস সংযোগের ব্যাপারে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে জানা যায়, গত ৫ই আগস্ট সাধারণ শিক্ষার্থীদের দাবির প্রেক্ষিতে ভিসিসহ প্রশাসনের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বরত ৬ জন শিক্ষক পদত্যাগ করেন। তাই সুনির্দিষ্টভাবে কারও সঙ্গে এ ব্যাপারে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।

