আন্দোলনে আহতদের চিকিৎসায় সরকারি হাসপাতালে আলাদা ইউনিট

আপডেট : ১৭ আগস্ট ২০২৪, ১৯:০৩

বৈষম বিরোধী ছাত্র আন্দোলনে আহতদের চিকিৎসা নিশ্চিতে দেশের সব সরকারি হাসপাতালে আলাদা স্পেশালাইজড ডেডিকেটেড কেয়ার ইউনিট করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। আজ শনিবার সকালে স্বাস্থ্য অধিদফতরের সঙ্গে আন্দোলনের সমন্বয়কদের বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। 

এ সময় আহত ছাত্র-জনতার চিকিৎসা নিশ্চিতে কয়েকটি নীতিমালা নির্ধারণ করা হয়। এর মধ্যে আছে, আহত ছাত্র-জনতা যেহেতু বিভিন্ন ধরনের ইনজুরিতে ভুগছেন এবং তাদের অনেকেরই অস্ত্রোপচার হয়েছে, তাই তাদের অস্ত্রোপচার পরবর্তী সংক্রমণের প্রবল ঝুঁকি রয়েছে। তাই স্পেশালাইজড বিভাগে চিকিৎসক নার্স এবং রোগীর বৈধ প্রতিনিধি ছাড়া অন্য কাউকে প্রবেশ না করার জন্য অনুরোধ করা হয়েছে। এসব ইউনিটে সংশ্লিষ্ট হাসপাতালের পরিচালক সার্বক্ষণিক নজরদারি করবেন। স্পেশালাইজড ইউনিটগুলোতে রোগীর স্বজন বা বৈধ প্রতিনিধি পরিচালকের অনুমতি ছাড়া প্রবেশ করা থেকে বিরত থাকবেন। এটি সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণের জন্য অতি জরুরি।

বৈঠকে অধিদফতরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. আহমেদুল কবীর, ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান, সমন্বয়ক সারজিস এবং হাসনাত আব্দুল্লাহ ছিলেন। আরও ছিলেন অধিদফতরের উপ-পরিচালক ডা. তানভীর আহমেদ চৌধুরী, ডা. মুহাম্মদ নূরুল ইসলাম (উপপরিচালক) এবং ঢামেকের সহকারী পরিচালক ডা. মো. আশরাফুল আলম প্রমুখ।

এদিকে একইদিন আন্দোলনে হতাহতদের চিকিৎসক খরচ সরকার বহন করবে বলে সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্য সেবা বিভাগ। এতে বলা হয়েছে, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে হতাহতের ব্যাপারে অনুসন্ধান করতে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় ইতোমধ্যে একটি কমিটি করেছে। এ কমিটির সদস্যরা তাদের কর্মপন্থা নির্ধারণ করতে আগামী রোববার বৈঠক করবেন। এছাড়া বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে যেসব ছাত্র-জনতা আহত হয়েছেন সরকারি হাসপাতালে তাদের বিনামূল্যে চিকিৎসাসহ যাবতীয় চিকিৎসা ব্যয় সরকার বহন করবে।

পাশাপাশি বেসরকারি প্রাইভেট মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল, বেসরকারি হাসপাতাল ও ক্লিনিকগুলোকে আন্দোলনে আহত ছাত্র-জনতার চিকিংসা বিল গ্রহণ না করার জন্য অনুরোধ জানানো হয়েছে এবং প্রয়োজনে এ সব বেসরকারি হাসপতালে চিকিংসাধীন ছাত্র-জনতার সব বিল সরকার বহন করবে বলেও জানানো হয়েছে।

ইত্তেফাক/জেডএইচডি