আবাহনীর ফুটবল দলের সঙ্গে স্প্যানিশ কোচ মারিও রিভোরির আনুষ্ঠানিক চুক্তি সম্পন্নই ছিল। ঢাকায় এসে দলের সঙ্গে যোগ দেওয়াটাই বাকি ছিল। কিন্তু আবাহনী তাদের বর্তমান পরিস্থিতিতে স্প্যানিশ কোচকে আনতে চায় না। এরই মধ্যে কোচ মারিও রিভোরিকে না করে দিয়েছে আবাহনী। ঢাকায় থেকে ক্লাবের পরিস্থিতি জানিয়ে দেওয়া হয়েছে।
মারিও রিভোরি নিজেও আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমে বাংলাদেশের সাম্প্রতিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করেছেন। শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর আবাহনী ক্লাবে দুর্বৃত্তরা আক্রমণ করেছে। তছনছ করে দিয়েছে ক্লাবের আসবাবপত্র, জ্বালিয়ে দিয়েছে ক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা শেখ কামালের প্রতিকৃতি, লুট করে নিয়ে গেছে বিভিন্ন সময়ে অর্জিত ট্রফি। কর্মকর্তারা ফোন ধরছেন না। ক্লাবের চেয়ারম্যান সালমান এফ রহমান গ্রেফতার হয়েছেন, খোঁজ নেই ডাইরেক্টর ইনচার্জ কাজী নাবিল আহমেদের। অন্য কর্মকর্তারাও দলের মধ্যে নেই।
এমন অবস্থায় আবাহনী তাদের চুক্তিবদ্ধ স্প্যানিশ কোচকে এখন নিতে চায় না। তারা নতুন কোচ খুঁজছে। দেশি কোচ নিয়ে এবার নতুন মৌসুমে ফুটবল গঠন করবে। স্প্যানিশ কোচের সঙ্গে চুক্তি বাতিল করলে কোচের আপত্তি আছে কিনা তা এখনো চূড়ান্ত নয়। গতকাল পর্যন্ত কোচ কিছুই জানায়নি। আবাহনীর ফুটবল সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন কোচ বর্তমান পরিস্থিতি উপলব্ধি করতে পারবেন। ফুটবল দল গঠনের জন্য খেলোয়াড় রেজিস্ট্রেশন বাড়ানো হয়েছে। আগামীকাল পর্যন্ত সময় বাড়ানো হয়েছে।
এর মধ্যে আবাহনী ২২ জন ফুটবলার রেজিস্ট্রেশন সম্পন্ন করেছে এবং আরও কিছু ফুটবলার দলে নেবে। এখন পর্যন্ত আবাহনীতে যারা খেলার জন্য চুক্তিবদ্ধ হয়েছেন তোদের মধ্যে রয়েছে শেখ রাসেলের গোলরক্ষক মিতুল মারমা, শাহীন, নিপু। শেখ জামালের গোলরক্ষক প্রীতম হাসান, শাকিল আহমেদ। মোহামেডানের হাসান মুরাদ, কামরুল, জাফর ইকবাল, শাহরিয়ার ইমন। চট্টগ্রাম আবাহনীর ইয়াসিন খান। পুলিশের মাহাদী। ফর্টিসের সবুজ ও আকাশ। বসুন্ধরা কিংসের ইয়াসিন আরাফাত। আবাহনীর আগের খেলোয়াড়দের মধ্যে রয়ে গেছেন বাবলু, এনামুল গাজী, শামীম, শাকিল আহমেদ, হৃদয়, পাপন সিং, রবিউল।
